1. haornews@gmail.com : admin :
  2. editor@haor24.net : Haor 24 : Haor 24
শনিবার, ০৬ জুন ২০২৬, ১১:৪৪ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
`কাচইরা’ বছরে সর্বনাশ হাওরে চেটেপুটে খেয়ে সুনামগঞ্জ ছাড়লেন জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার! সুনামগঞ্জে বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস পালিত নিজের স্বার্থের জগতে ড. ইউনূসের যাদুর ছোঁয়া: দেড় বছরে তার যত বেআইনি কারবার! হাওরে জলাবদ্ধতায় নষ্ট হওয়ার পথে ১০ হাজার হেক্টরের বেশি বোরো ধান সুনামগঞ্জের ৫ আসনে কেন্দ্র ঘোষিত ফলাফলে বিএনপির ৫ প্রার্থী বিপুল ভোটে জয়ী নির্বাচন সামনে রেখে এমএফএস লেনদেনে কড়াকড়ি, ক্যাশ-ইন ও ক্যাশ-আউট বন্ধ ৯৬ ঘণ্টা (আরও জানুন) ব্রিটিনে সেরা বাংলাদেশি সাংবাদিক নির্বাচিত হলেন সুনামগঞ্জের মাসুম মালয়শিয়ায় বাংলাদেশের ছয় শিক্ষার্থীদের নিয়ে পুত্রা মালয়েশিয়া ইউনিভার্সিটির ফুটবল টুর্নামেন্ট সম্পন্ন বিশ্বম্ভরপুরে র‌্যাবের অভিযানে মদ ও ভারতীয় কসমেটিক্স জব্দ

দোতারায় ধইরো তুমি তান।। অসীম সরকার

  • আপডেট টাইম :: রবিবার, ২৩ ডিসেম্বর, ২০১৮, ৬.০৬ এএম
  • ৩৩৪ বার পড়া হয়েছে

১৬ ডিসেম্বর মহান বিজয় দিবস উদযাপন করে ১৮ ডিসেম্বর বিকাল ৩ টায়
মা,বাবা ও বিজয়দাকে সালাম করে বাড়ি থেকে সিলেট আসি। ২০ডিসেম্বর ২০১৮ তারিখ খবর পেলাম রাত ২ টায় থেকে বিজয় সরকার বাকরুদ্ধ। পরে মোহনগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে তাকে ময়মনসিংহ মেডিকেল নিয়ে যেতে বলা হয় কিন্তু শম্ভুগঞ্জ পর্যন্ত যেতেই না যেতেই চলে যান পর পারে।
তাঁর সাথে আমার কত যে স্মৃতি বলে শেষ করার নয়। আমি যখন স্কুলে পড়তাম তাঁর দোতারার তান শুনে পড়তে বসতাম। তাঁর এমনও রাত গেছে সারা রাতভর দোতারা বাজিয়েছেন। এমনকি প্রতিদিন রাত সন্ধ্যা থেকে রাত ১০/১১ টা আবার গভীররাত ৩/৪ টা থেকে ভোর পর্যন্ত দোতারা বাজাতেন এবং গান গাইতেন বিজয় সরকার। আমি তার তালে তালে মৃদঙ বাজিয়েছি কত। তিনি যেমন খেতে পারতেন তেমন বলশালীও ছিলেন। বাবার মুখে শুনেছি ফুটবল খেলায়ও দক্ষ ছিলেন,ভালো কুস্তি খেলতেন। তিনি বিভিন্ন নাম কীর্তনের দলে দোতারা বাজিয়েছেন। দলের হয়ে দোতারা নিয়ে গেছেন বিভিন্ন জেলায় এমনকি হাতিয়া,সন্দ্বীপ কক্সবাজার পর্যন্ত। একসময় তাঁর স্ত্রীর অনুরোধে আর যেতেন না দলে। তাঁর দুই মেয়ে ডলি রানি ও কলি রানি সরকার। দুজনকেই বিয়ে দিয়েছেন। তাঁর স্ত্রী পরপারে চলে গেছেন কবছর আগেই।
একদিন জিজ্ঞাসা করছিলাম আপনার তো ছেলে নাই আর সন্তান নিলেন না যে ছেলের আশায়। বললেন “আমি আইনকে সম্মান করি সরকার চায় যে ছেলে হউক মেয়ে হউক দুটি সন্তানই যথেষ্ট।” বিজয় দা একজন ভালো কুটিরশিল্পীও ছিলেন। বানাতে পারতেন বাঁশের জিনিস পত্র। আমি বলেছিলাম পাঠাগারের জন্য কোলা,টুকরি,খলই চালুন, ধারি( কাইত্যা), ডোল ইত্যাদি বানিয়ে দিতে কিন্তু আর হল না।বিজয় সরকার মাছ ধরায় পারদর্শী ছিলেন। জাল ছাড়াই মাছ ধরতে পারতেন।
মনস্থির করে রেখেছিলাম গাঙুড় এর আগামী সংখ্যায় তাঁকে নিয়ে লেখা ছাপাবো। এখন ছাপাবো হয়তো তবে দেখে যেতে পারলেন না। বিজয়দা,আপনার দোতারা সংরক্ষণে থাকবে অজিৎ স্মৃতি পাঠাগারে। হয়তো মাঝে মাঝে বাজাবে আপনার উস্তাদ চন্দ্রকুমার সরকার, তোমার মন চাইলে ধইর আবার তান।


প্রিন্ট

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর
themesbazarhaor24net
© All rights reserved © 2019-2024 haor24.net
Theme Download From ThemesBazar.Com
error: Content is protected !!