1. haornews@gmail.com : admin :
  2. editor@haor24.net : Haor 24 : Haor 24
বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১২:০৬ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
সুনামগঞ্জ সরকারি এতিমখানার অজ্ঞাত তরুণী বিয়ের মাধ্যমে পেলো নতুন পরিবার ব্রিটিশ বাংলাদেশি মিডিয়ায় বিশেষ অবদান: ‘মিডিয়া এক্সিলেন্স’ সম্মাননা পেলেন সুনামগঞ্জের সাংবাদিক মাসুম সুনামগঞ্জ জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের কমিটি বিলুপ্ত ষড়যন্ত্র করে হত্যা মামলায় ফাঁসানোর অভিযোগ: সংবাদ সম্মেলনে ন্যায়বিচারের আকুতি আমজাদ হোসেনের জগন্নাথপুরে বিয়ের দাওয়াত না দেওয়ায় চাচাতো ভাইকে খু ন: ঘা ত ক গ্রে প্তা র ৪৮ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকি উপলক্ষে সুনামগঞ্জে যুবদলের প্রস্তুতিসভা ‘মৃ ত্যু র কারণ তুমি’ লিখে শাল্লায় যুবকের আ ত্ম হ ত্যা যাদুকাটায় নদীর তীর কেটে বালু উত্তোলনের অভিযোগে দু’জনের দণ্ড অনূর্ধ্ব-১৫ জাতীয় ফুটবল দলের হয়ে আজারবাইজানে খেলতে গেলেন জগন্নাথপুরের রাজু সুনামগঞ্জের দোয়াবাজার সীমান্তে মানব পাচারকারীসহ আটক ৩

তুরস্ক-সিরিয়ায় ভূমিকম্পে আড়াই কোটি মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত

  • আপডেট টাইম :: মঙ্গলবার, ৭ ফেব্রুয়ারী, ২০২৩, ৬.৪৪ পিএম
  • ২১০ বার পড়া হয়েছে

অনলাইন ডেস্ক
তুরস্ক-সিরিয়ায় ভূমিকম্পে আড়াই কোটি মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত
তুরস্ক ও সিরিয়ায় ভূমিকম্পের পর এখনও অনেকেই স্বজনদের খুঁজে পাচ্ছেন না। ছবি : গেটি ইমেজেস
দক্ষিণ তুরস্ক এবং উত্তর সিরিয়ায় বিধ্বংসী এক ভূমিকম্পে পাঁচ হাজারেরও বেশি মানুষের মৃত্যুর পর সেখানে আন্তর্জাতিক সাহায্য প্রচেষ্টা জোরদার করা হচ্ছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ডাব্লিউএইচও অনুমান করছে, তুরস্ক এবং সিরিয়া জুড়ে প্রায় আড়াই কোটি মানুষ এই ভূমিকম্পের শিকার হয়েছেন।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ডাব্লিউএইচও বলছে, দুই দেশ মিলিয়ে, তাদের হিসেবে অনুযায়ী, দুই কোটি ৩০ লাখ মানুষ ভূমিকম্পের শিকার হয়েছেন। এর মধ্যে প্রায় ১০ লাখেরও বেশি শিশু রয়েছে বলে ডব্লিউএইচওর জ্যেষ্ঠ জরুরি কর্মকর্তা অ্যাডেলহেইড মার্শাং এর আগে জাতিসংঘ স্বাস্থ্য সংস্থার নির্বাহী কমিটিকে জানিয়েছেন।

এদিকে, তুরস্কের ভাইস প্রেসিডেন্ট ফুয়াত ওকতায় জানিয়েছেন, তুরস্কের মৃতের সংখ্যা কমপক্ষে তিন হাজার ৪১৯-এ পৌঁছেছে। এ ছাড়া আরো ২০ হাজার ৫৩৪ জন আহত হয়েছে এবং প্রায় ছয় হাজার ভবন ধসে পড়েছে। অন্যদিকে সিরিয়ায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে এক হাজার ৬০২।

তুরস্কের দুর্যোগ ও জরুরি ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ এএফএডি হালনাগাদ পরিসংখ্যানে জানিয়েছে, ২৪ হাজার ৪০০ জনেরও বেশি জরুরি কর্মী অনুসন্ধান ও উদ্ধার অভিযানে সহায়তা করছেন। তবে এই শীত মৌসুমে তাপমাত্রা হিমাঙ্কের নিচে নেমে গেলে উদ্ধার অভিযান বাধাগ্রস্ত হতে পারে বলে শঙ্কা রয়েছে।

বিবিসির মধ্যপ্রাচ্য বিষয়ক সংবাদদাতা অ্যানা ফস্টার তুরস্কের ওসমানিয়া শহর থেকে ধ্বংসস্তূপের বর্ণনা দিয়েছেন। এই শহরটি ভূমিকম্পের কেন্দ্রস্থলের কাছেই। তিনি বলেছেন, ‘বৃষ্টির কারণে উদ্ধার তৎপরতা ব্যাহত হচ্ছে। রাতে শহরটিতে কোন বিদ্যুৎ ছিল না।’

সোমবার ভোররাতে গাজিয়ান্তেপের কাছে ৭ দশমিক ৮ মাত্রার ভূমিকম্পটি আঘাত হানে। স্থানীয় সময় বেলা দেড়টার দিকে আরো একটি ৭ দশোমিক ৫ মাত্রার ভূমিকম্প হয়। কর্মকর্তারা বলেছেন, এটি ‘আফটারশক’ ছিল না।

আফটারশকের ভয়ে অনেকে আবার বৃষ্টি ও তুষারপাতের মধ্যে রাত কাটিয়েছেন। মঙ্গলবার দিনের আলো ফোটার সঙ্গে সঙ্গে উদ্ধারকারী দল এবং স্থানীয় বাসিন্দারা ধসে পড়া ভবনের ধ্বংসস্তূপের নিচে জীবিত ব্যক্তিদের সন্ধানের কাজ আরো জোরদার করেছেন।

সিরিয়ায় উদ্ধার অভিযানে ইতিমধ্যেই সমস্যা বাড়তে শুরু করেছে। রাস্তাঘাট ধ্বংস হয়ে যাওয়ায় তুরস্ক থেকে জাতিসংঘের জরুরি সাহায্য পাঠানোর পথ বন্ধ হয়ে গেছে। উত্তর-পশ্চিম সিরিয়ার বিদ্রোহী নিয়ন্ত্রিত এলাকায় ত্রাণ সংস্থা হোয়াইট হেলমেটস ইমার্জেন্সি রেসপন্স গ্রুপ বলছে, ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকে পড়াদের বাঁচাতে সময় দ্রুত ফুরিয়ে আসছে।

জাতিসংঘ, ইইউ, ন্যাটো এবং যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, চীন, রাশিয়া, ভারত, জাপান, ইরাক, ইরান, অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড, গ্রিস, পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশের সরকার থেকে ক্ষতিগ্রস্ত অঞ্চলে আন্তর্জাতিক সাহায্য পাঠানো হচ্ছে।

এই জায়গায় কেন ভূমিকম্প?
তুরস্ক পৃথিবীর অন্যতম সক্রিয় ভূমিকম্প প্রবণ অঞ্চলগুলোর একটিতে অবস্থিত। এর আগে ১৯৯৯ সালে দেশটির উত্তর পশ্চিমাঞ্চলে একটি শক্তিশালী ভূমিকম্পে ১৭ হাজারের বেশি মানুষ নিহত হয়েছিল।

সর্বশেষ ভূমিকম্পটি ঘটেছে তুরস্কের দক্ষিণ-পূর্ব সীমান্তের কাছে দক্ষিণ-পশ্চিম থেকে উত্তর-পশ্চিমমুখী ‘পূর্ব আনাতোলিয়ান ফল্ট’-এর চারপাশে।

সিসমোলজিস্টরা দীর্ঘকাল ধরে বলে আসছেন, এই ফল্টটি অত্যন্ত বিপজ্জনক। যদিও গত ১০০ বছরেরও বেশি সময় ধরে সেখানে কোনো উল্লেখযোগ্য ভূকম্পন হয়নি।
তবে অতীতে এই এলাকায় কিছু মারাত্মক ভূমিকম্প হয়েছে। বিশেষ করে, ১৮৮২ সালের ১৩ আগস্ট সেখানে ৭ দশমিক ৪ মাত্রার একটি ভূমিকম্প হয়েছিল, যা আজকের রেকর্ড করা ৭ দশমিক ৮ মাত্রার চেয়ে উল্লেখযোগ্যভাবে কম। তা সত্ত্বেও, ১৯ শতকের সেই ভূমিকম্পে অনেক শহরের প্রচুর ক্ষতি হয় এবং আলেপ্পো শহরে সাত হাজার মানুষ মারা যায়। এ ছাড়াও শক্তিশালী ঐ ভূমিকম্পের আফটারশক চলতে থাকে প্রায় এক বছর ধরে।


প্রিন্ট

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর
themesbazarhaor24net
© All rights reserved © 2019-2024 haor24.net
Theme Download From ThemesBazar.Com
error: Content is protected !!