1. haornews@gmail.com : admin :
  2. editor@haor24.net : Haor 24 : Haor 24
রবিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১০:২২ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
ছাতকে মাছ ধরা নিয়ে সংঘর্ষে আহত ব্যক্তির ‍মৃত্যু আব্দুল গাফফার চৌধুরী অসুস্থ, হাসপাতালে ভর্তি উন্নয়নের কারণে ইতিহাসের শ্রেষ্ট সরকার শেখ হাসিনার সরকার: পরিকল্পনামন্ত্রী সুনামগঞ্জ বঙ্গবন্ধু মেডিকেল কলেজে প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিনের আগাম কেক কাটলেন পরিকল্পনামন্ত্রী কোন বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষা কবে? দেশে পরীক্ষামূলকভাবে ৫জি সেবা চালু হচ্ছে ডিসেম্বরে: ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আমরা সুবিধাবঞ্চিত মানুষদের উন্নয়নের মূল স্রোতে নিয়ে এসেছি: পরিকল্পনামন্ত্রী মক্কা ও মদিনার দুই মসজিদের জন্য ৬০০ নারী কর্মীকে প্রশিক্ষণ তাহিরপুরে হাজং নারীকে ধর্ষণকারী রশিদের শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন মহামারি করোনা মোকাবিলায় জাতিসংঘে প্রধানমন্ত্রীর ৬ প্রস্তাব

আমার মা ছিলেন সবচেয়ে বড় গেরিলা : শেখ হাসিনা

  • আপডেট টাইম :: রবিবার, ৮ আগস্ট, ২০২১, ২.০৩ পিএম
  • ৪০ বার পড়া হয়েছে

হাওর ডেস্ক ::
স্বাধীনতাযুদ্ধের প্রতিটি সংগ্রামে বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিবের অসামান্য অবদান রয়েছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আমার মা বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিব সারাজীবন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে দেশের মানুষের জন্য চিন্তা করতে প্রেরণা জুগিয়েছেন। রাজনীতিতে ব্যাপকভাবে সক্রিয় থাকলেও পাকিস্তানি গোয়েন্দা সংস্থা গেরিলা সংগঠক বেগম মুজিবের কর্মকাণ্ড কখনো আঁচ করতেও পারেনি।

রবিবার (৮ আগস্ট) রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে ‘বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিবের ৯১তম জন্মবার্ষিকী উদযাপন’ ও ‘বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিব পদক-২০২১ প্রদান’ অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী। মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের এই অনুষ্ঠানে গণভবন থেকে ভিডিও কানফারেন্সিংয়ে অংশগ্রহণ করেন তিনি।

শেখ হাসিনা বলেন, একটা গেরিলাযুদ্ধের মধ্য দিয়ে আমরা স্বাধীন হয়েছি। আমি সবসময় বলি, আমার মা ছিলেন সবচেয়ে বড় গেরিলা। তিনি গোপনে গিয়ে ছাত্রদের সঙ্গে দেখা করতেন, দিকনির্দেশনা দিয়ে আসতেন। আমাদের বাড়িতে আওয়ামী লীগের ওয়ার্কিং কমিটির বৈঠকও হয়েছে। ৬-দফা ছেড়ে অনেক নেতা চলেও গেছেন। আমার মা তখন খুব শক্ত ছিলেন ৬-দফার পক্ষে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বঙ্গবন্ধু যে পরিবারে জন্ম নিয়েছেন, পড়াশোনা করে অনেক বড় জায়গায় যেতে পারতেন। কিন্তু তিনি তার জীবন দেশের মানুষের জন্য উৎসর্গ করেছেন। তাকে পাশে থেকে সহযোগিতা করেছেন আমার মা ফজিলাতুন্নেছা মুজিব। সংকটে সংগ্রামে নির্ভীক সহযাত্রী ছিলেন।

তিনি বলেন, আমার যদি নানা রকম চাহিদা থাকতো। স্বামীর কাছে মানুষের নানা ধরনের চাহিদা, আকাঙ্ক্ষা থাকে। অনেক কিছু পাওয়ার থাকে। আমার মার, বাবার কাছে কোনো কিছুর চাহিদা ছিল না। তিনি সবসময় বলতেন, তুমি দেশের কথা চিন্তা করো। আমাদের কথা ভাবতে হবে না। প্রেরণাটাই দিয়ে গেছেন। আমার মায়ের যে অবদান রয়েছে, এদেশের রাজনীতিতে, শুধু তাই না, বাংলাদেশের মানুষের অগ্রগতিতেও তার অবদান আছে।

শেখ হাসিনা বলেন, আমার মায়ের অভ্যাস ছিল; বই কেনা। নিউমার্কেট থেকে তিনি বই কিনতেন। আমাদেরও নিয়ে যেতেন। তিনি বিশ্বাস করতেন, প্রতিটি মেয়ের শিক্ষা নেয়া উচিত এবং আর্থিক সচ্ছলতা দরকার। খালি অধিকার অধিকার বলে চিৎকার করলেই হবে না।

প্রধানমন্ত্রী আরো বলেন, বঙ্গমাতা ফজিলাতুন্নেছা মুজিব ১৯৩০ সালের ৮ আগস্ট গোপালগঞ্জ জেলার টুঙ্গিপাড়ার এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি মাত্র ৩ বছর বয়সে বাবা এবং ৫ বছর বয়সে মাকে হারান। এরপর বঙ্গবন্ধুর পিতা-মাতার কাছে লালিত-পালিত হন তিনি। চাচাত ভাই বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের সঙ্গে তার দাদা বিয়ে দেন তাকে।

শেখ হাসিনা বলেন, স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতি, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সহধর্মিণী ফজিলাতুন্নেছা মুজিব আমৃত্যু স্বামীর পাশে থেকে একজন যোগ্য ও বিশ্বস্ত সহচর হিসেবে দেশ ও জাতি গঠনে অনন্য ভূমিকা পালন করেছেন। আমি বঙ্গমাতা ফজিলাতুন্নেছা মুজিবের ৯১তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে গৃহীত সকল কর্মসূচির সার্বিক সাফল্য কামনা করছি।

Print Friendly, PDF & Email

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর
themesbazarhaor24net
© All rights reserved © 2019 haor24.net
Theme Download From ThemesBazar.Com
error: Content is protected !!