1. haornews@gmail.com : admin :
  2. editor@haor24.net : Haor 24 : Haor 24
সোমবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৫:০৩ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
সুনামগঞ্জের বীর মুক্তিযোদ্ধা মালেক পীর আর নেই ছাতকে মাছ ধরা নিয়ে সংঘর্ষে আহত ব্যক্তির ‍মৃত্যু আব্দুল গাফফার চৌধুরী অসুস্থ, হাসপাতালে ভর্তি উন্নয়নের কারণে ইতিহাসের শ্রেষ্ট সরকার শেখ হাসিনার সরকার: পরিকল্পনামন্ত্রী সুনামগঞ্জ বঙ্গবন্ধু মেডিকেল কলেজে প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিনের আগাম কেক কাটলেন পরিকল্পনামন্ত্রী কোন বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষা কবে? দেশে পরীক্ষামূলকভাবে ৫জি সেবা চালু হচ্ছে ডিসেম্বরে: ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আমরা সুবিধাবঞ্চিত মানুষদের উন্নয়নের মূল স্রোতে নিয়ে এসেছি: পরিকল্পনামন্ত্রী মক্কা ও মদিনার দুই মসজিদের জন্য ৬০০ নারী কর্মীকে প্রশিক্ষণ তাহিরপুরে হাজং নারীকে ধর্ষণকারী রশিদের শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন

আয় কমেছে ৫৭% তরুণের

  • আপডেট টাইম :: সোমবার, ১৪ জুন, ২০২১, ১১.৪০ এএম
  • ২৭ বার পড়া হয়েছে

হাওর ডেস্ক ::
করোনা মহামারির কারণে দেশের তরুণ জনগোষ্ঠীও অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। আত্মনির্ভরশীল কিংবা নিজেই ব্যবসা পরিচালনা করে—এমন প্রায় ৭৯.৭ শতাংশ তরুণের মাসিক আয় কমেছে। আর বেতনভুক্ত ৫৭.৪ শতাংশ তরুণের আয় কমে গেছে। সাউথ এশিয়ান নেটওয়ার্ক অন ইকোনমিক মডেলিং (সানেম) ও অ্যাকশনএইড বাংলাদেশের এক জরিপে এই তথ্য উঠে এসেছে।

গতকাল রবিবার ‘২০২১-২২ অর্থবছরের বাজেট : প্রেক্ষিত তরুণ জনগোষ্ঠী’ শীর্ষক এক ওয়েবিনারে জরিপ প্রতিবেদনটি প্রকাশ করা হয়।

তরুণদের ওপর করোনার প্রভাব নিয়ে সানেম ও অ্যাকশনএইড গত বছরের ২ নভেম্বর থেকে ১৭ ডিসেম্বর পর্যন্ত এই জরিপ পরিচালনা করে। পাঁচ হাজার ৫৭৭টি খানার ওপর এই জরিপটি চালানো হয় ফোনকলের মাধ্যমে।

জরিপ প্রতিবেদনটি উপস্থাপন করেন সানেমের জ্যেষ্ঠ গবেষণা সহযোগী ইশরাত শারমীন।

প্রতিবেদনে বলা হয়, মাত্র ২২ শতাংশ শিক্ষার্থী নিয়মিত অনলাইন ক্লাসে অংশগ্রহণ করছে। সরকারের নেওয়া সময়োচিত একটি পদক্ষেপ ‘অ্যাডোলেসেন্ট ফ্রেন্ডলি হেলথ কর্নার’ সঠিকভাবে বাস্তবায়িত না হওয়ায় তরুণরা, বিশেষত নারীরা পর্যাপ্তভাবে এর সুযোগ গ্রহণ করতে পারছে না। চারটি জেলার তরুণদের ওপর চালানো জরিপের ফল অনুযায়ী, ৫৭.৭% তরুণ করোনার সময়ে শিক্ষাসংক্রান্ত কাজে কোনো ডিজিটাল ডিভাইস পেতে সক্ষম হয়নি।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক ও সানেমের গবেষণা পরিচালক ড. সায়মা হক বিদিশার সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত ওয়েবিনারে সভাপতিত্ব করেন অ্যাকশনএইড বাংলাদেশের প্রধান ফারাহ কবির। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য নাহিম রাজ্জাক। আলোচক ছিলেন মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব (প্রশাসন ও অর্থ) মো. হাসানুল ইসলাম, সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (কার্যক্রম ও মূল্যায়ন) মোহাম্মদ ইসমাইল, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের উপসচিব (গবেষণা ও নীতি) ড. নাশিদ রিজওয়ানা মনির, কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা বিভাগের জ্যেষ্ঠ সহকারী সচিব (বাজেট) সাবিনা ইয়াসমিন ও অগ্র ভেঞ্চারের চেয়ারম্যান ফারজিন ফেরদৌস আলম।

বিশেষ বক্তব্য উপস্থাপন করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক ও সানেমের নির্বাহী পরিচালক ড. সেলিম রায়হান। ওয়েবিনারে বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলের অর্ধশতাধিক অর্থনীতিবিদ, গবেষক, সাংবাদিক, শিক্ষক ও শিক্ষার্থী অংশ নেন।

আগামী অর্থবছরের বাজেট বিশ্লেষণ করে ওয়েবিনারে বলা হয়, ২২টি মন্ত্রণালয় ও বিভাগ তরুণদের উন্নয়নের জন্য কাজ করে। তবে আগামী অর্থবছরের বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে (এডিপি) এসব মন্ত্রণালয় ও বিভাগে যে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে, তার মধ্যে মাত্র ১৪ শতাংশ সরাসরি তরুণদের কেন্দ্র করে। ৬০ শতাংশ বরাদ্দ তরুণদের কাজে লাগে না। আর বাকি ২৬ শতাংশ আংশিকভাবে তরুণদের জন্য বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়, বেসামরিক বিমান চলাচল ও পর্যটন মন্ত্রণালয়, কৃষি মন্ত্রণালয়—এগুলোতে তরুণদের জন্য কোনো বরাদ্দ নেই।

ড. সেলিম রায়হান বলেন, ‘একটি বিষয় আমরা সবাই একমত হচ্ছি যে তরুণদের জন্য বাজেটে বরাদ্দ ভীষণভাবে অপর্যাপ্ত। তরুণদের জন্য বাজেটে বরাদ্দ আগে থেকেই অপর্যাপ্ত ছিল। করোনা পরিস্থিতিতে তরুণদের শিক্ষায়, স্বাস্থ্যসেবায়, কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে যেখানে বরাদ্দ বাড়ানোর প্রয়োজন ছিল, প্রস্তাবিত বাজেটে আমরা তা দেখিনি। এমন পরিস্থিতিতে তরুণদের বিভিন্ন সংকট মোকাবেলায় যে অসাধারণ উদ্যোগ দরকার, সে জায়গায় ঘাটতি রয়ে গেছে।’

ড. সায়মা হক বিদিশা বলেন, ‘করোনার আগের থেকেই তরুণরা নানা ধরনের চ্যালেঞ্জের মধ্য দিয়ে গেছে। করোনার মধ্যে সেই চ্যালেঞ্জ আরো বেড়েছে। এখন সব থেকে বেশি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে, করোনার প্রভাবে যারা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে তাদের অর্থনৈতিকভাবে সাহায্য করা। যেসব তরুণ কাজ হারিয়েছে তাদের সহায়তা দেওয়ার জন্য সবচেয়ে বেশি যেটি গুরুত্বপূর্ণ তা হলো তাদের সম্পর্কে একটি সঠিক তথ্যভাণ্ডার তৈরি করা। একই সঙ্গে নিয়মিত ভিত্তিতে এই তথ্যভাণ্ডার হালনাগাদ করা।’

প্রধান অতিথির বক্তব্যে সংসদ সদস্য নাহিম রাজ্জাক বলেন, ‘তরুণ জনগোষ্ঠী এখনো করোনার টিকা পায়নি। ফলে তরুণ উদ্যোক্তাদের জন্য আমরা এখনো যথেষ্ট সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করতে পারিনি। প্রণোদনা প্যাকেজ তরুণরা পাচ্ছে না সঠিক উপায়ে। এই বরাদ্দ সঠিকভাবে দিতে হবে। আর নতুন উদ্যোক্তা সৃষ্টি করতে হবে। নীতি প্রণয়ন, বাস্তবায়ন ও মূল্যায়ন—এই তিনটি জায়গায় আমাদের সংস্কার প্রয়োজন। যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় থেকে একটি ইয়ুথ কাউন্সিল গঠন করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।’

Print Friendly, PDF & Email

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর
themesbazarhaor24net
© All rights reserved © 2019 haor24.net
Theme Download From ThemesBazar.Com
error: Content is protected !!