1. haornews@gmail.com : admin :
  2. editor@haor24.net : Haor 24 : Haor 24
রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:০২ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
জগন্নাথপুরে বিয়ের দাওয়াত না দেওয়ায় চাচাতো ভাইকে খু ন: ঘা ত ক গ্রে প্তা র ৪৮ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকি উপলক্ষে সুনামগঞ্জে যুবদলের প্রস্তুতিসভা ‘মৃ ত্যু র কারণ তুমি’ লিখে শাল্লায় যুবকের আ ত্ম হ ত্যা যাদুকাটায় নদীর তীর কেটে বালু উত্তোলনের অভিযোগে দু’জনের দণ্ড অনূর্ধ্ব-১৫ জাতীয় ফুটবল দলের হয়ে আজারবাইজানে খেলতে গেলেন জগন্নাথপুরের রাজু সুনামগঞ্জের দোয়াবাজার সীমান্তে মানব পাচারকারীসহ আটক ৩ সুনামগঞ্জে ৪৪৪ মণ্ডপে দুর্গাপূজা সম্পন্ন: প্রতিমা বিসর্জনে শেষ হলো শারদোৎসব সুনামগঞ্জে উৎসবমুখর পরিবেশে দুর্গোৎসব পালিত হওয়ায় আমাদের সম্প্রীতির সুদৃঢ় বন্ধন আবারও প্রমাণিত হয়েছে: এমপি নূরুল সুনামগঞ্জে নবমী পূজার দিনে মণ্ডপ পরিদর্শন করলেন সিলেট রেঞ্জের ডিআইজি সুনামগঞ্জে ৪৪৬ পূজামণ্ডপে ২ হাজার ৮৮২ আনসার-ভিডিপি সদস্য দায়িত্ব পালন করছে

সর্প দেবী মনসা পূজা আজ

  • আপডেট টাইম :: বুধবার, ১৭ আগস্ট, ২০১৬, ৩.৩৬ এএম
  • ৬৬৪ বার পড়া হয়েছে

আরিফ বাদশাঃ
আজ মনসা পূজা। হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের অন্যতম প্রধান ধর্মীয় গ্রাম গুলোর সনাতন ধর্মের লেউৎসব। হাওরাঞ্চলের গ্রপ্রতিবছর বাংলা শ্রাবণ মাসের শেষ তারিখে এই পূজৎসবের আমেজ বিরাজ করছে। দেবী মনসাকে অর্ঘ্য দিতে সকল প্রস্তুতি নিয়েছেন তারা।
সনাতন ধর্মাবলম্বিরা জানান, এই পূজার মূল প্রতিপাদ্য হল মা মনসার উদ্দেশ্যে পাঁঠা (মর্দ ছাগল) বলির মাধ্যমে মানুষের মনের পশুকে দমন করা। হিন্দু ধর্মমতে মনসা হচ্ছে সাপের দেবী। এ দেবীর পূজা করলে ঘর-বাড়ি বিষাক্ত সাপ হতে রক্ষা পায়। দেবীর সারা গায়ে অলংকার হিসেবে বিভিন্ন সাপ জড়ানো থাকে। এছাড়া মানুষের মনের পশু দমনে এ দেবীর উদ্দেশ্যে পাঁঠা বলি করা হয়। দেবী মনসার বিভিন্ন কীর্তি মনসা পুঁথিতে বর্ণিত রয়েছে। মনসা পূজার আগে প্রায় একমাস ধরে এ পুঁথি পাঠ করেন হিন্দু নারীরা। অনেক স্থানে পালাও পরিবেশিত হয়।
সাধারণত ১০ থেকে ১৫ জনের একটি দল করে গানের সুর করে পুঁথি পাঠ করা হয়। গ্রামাঞ্চলের পাশাপাশি শহরের বিভিন্ন স্থানেও বিশেষভাবে পুঁথি পাঠের আয়োজন করা হয়। মনসা পূজার আগে অবশ্যই এ পুঁথি পাঠ শেষ করার বাধ্যবাধকতা রয়েছে। অনেক হিন্দু ধর্মাবলম্বী মনসা পূজায় পাঁঠা বলি করেন না। তারা দুধ-কলা ও ফলমূল দিয়ে দেবীর পূজা করেন। এই পূজাকে ‘সাদা পূজা’ বলা হয়। যারা মায়ের উদ্দেশ্যে পাঁঠা বলি দেন তাদের পূজাকে বলা হয় ‘লাল পূজা’। দেবীর উদ্দেশ্যে যে পাঁঠাগুলো বলি করা হয় বলির পর সেগুলোর সবগুলোর দেহ থেকে রক্ত সংগ্রহ করে একটি পাত্রে রাখা হয় এবং দেবী মনসার পায়ের নিচে রাখা হয়। এতে করে বলি করা পশুটি দেবীর নামে উৎসর্গ করা হয়।
প্রতি বছরের মত এবারও দেশের বিভিন্ন স্থানের মতো সুনামগঞ্জের বিভিন্ন গ্রামের পাঁঠা বলির মাধ্যমে মনসা পূজা উদযাপন করা হবে। প্রতিবছরের ন্যায় এবারও সকালে দেবীর সাদা পূজা সম্পন্ন করা হবে এবং পরে ভক্তদের মাঝে প্রদান করা হবে অঞ্জলি। এরপর শুরু হবে পাঁঠা বলি।


প্রিন্ট

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর
themesbazarhaor24net
© All rights reserved © 2019-2024 haor24.net
Theme Download From ThemesBazar.Com
error: Content is protected !!