1. haornews@gmail.com : admin :
  2. editor@haor24.net : Haor 24 : Haor 24
রবিবার, ০৩ জুলাই ২০২২, ০৮:১৫ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
সুনামগঞ্জের দুর্যোগপীড়িতদের পাশে ‘লেখক, শিল্পী, সাংবাদিক ও প্রকাশক’ বৃন্দ সাঁওতাল বিদ্রোহ, নিপীড়িতের মাঝে দ্রোহের অগ্নিস্ফুলিঙ্গ ফের ঊর্ধ্বমুখী করোনা : ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে বিধি-নিষেধ একাত্তরে মানবতাবিরোধী অপরাধে হবিগঞ্জের শফির প্রাণদণ্ড, তিনজনের আমৃত্যু কারাদণ্ড সুনামগঞ্জে বন্যায় মোট মৃতের অর্ধেকের বেশি দোয়ারাবাজারের বাসিন্দা ‘প্রাথমিকে নিয়োগ হবে আরও ৩০ হাজার শিক্ষক’ ‘দুষ্টু আমলাদের চাতুরির’ কারণে আইনকানুন পরিবর্তন করা যাচ্ছে না পদ্মা সেতু রক্ষার জন্য সবাইকে দায়িত্বশীল হতে হবে : ওবায়দুল কাদের সারা দেশে পশুর হাট বসবে ৪৪০৭টি, পরতে হবে মাস্ক ষড়যন্ত্রের কারণে পদ্মা সেতু নির্মাণে দুই বছর দেরি : প্রধানমন্ত্রী

ইউএস-বাংলার পাইলট ছিলেন মানসিকভাবে বিপর্যস্ত, বেপরোয়া: কাঠমান্ডু পোস্ট

  • আপডেট টাইম :: সোমবার, ২৭ আগস্ট, ২০১৮, ১০.০২ এএম
  • ৫৪ বার পড়া হয়েছে

অনলাইন ::
চলতি বছরের মার্চ মাসে নেপালের ত্রিভুবন বিমানবন্দরে অবতরণের সময় দুর্ঘটনায় পড়া ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের বিএস২১১ ফ্লাইটের পাইলট আবিদ সুলতান অবতরণের সময় কন্ট্রোল টাওয়ারের সঙ্গে মিথ্যা কথা বলেছিলেন। এছাড়া ঢাকা-কাঠমান্ডুর এক ঘণ্টার ফ্লাইটে তিনি ককপিটের মধ্যে ক্রমাগত ধূমপান করেছিলেন। আজ সোমবার দুর্ঘটনাটি নিয়ে নেপাল সরকারের তদন্ত দলের প্রকাশিত প্রতিবেদনে এ দাবি করা হয়েছে।
নেপাল সরকারের তদন্ত দলের প্রতিবেদন অনুযায়ী, পাইলট আবিদ সুলতান প্রচণ্ড মানসিক চাপে ও উদ্বিগ্ন ছিলেন। তার ধারাবাহিক কয়েকটি ভুল সিদ্ধান্তে বিএস২১১ ফ্লাইটের বিমানটি বিধ্বস্ত হয়।গত ১২ মার্চ নেপালের ত্রিভুবন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের ড্যাশ-৮ কিউ 8০০ বিমানটি বিধ্বস্ত হয়। বিমানটিতে চারজন ক্রু ও ৬৭ যাত্রীসহ ৭১ জন আরোহী ছিলেন। তাদের মধ্যে চারজন ক্রুসহ ২৭ জন বাংলাদেশি, ২৩ জন নেপালি ও একজন চীনা যাত্রী নিহত হন। আহত হন নয়জন বাংলাদেশি, ১০ জন নেপালি ও একজন মালদ্বীপের নাগরিক।
রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে, ফ্লাইটের পুরো সময় জুড়ে আবিদ অস্বাভাবিক আচরণ করছিলেন যা তার স্বাভাবিক আচরণের সঙ্গে যায় না। আর সেকারণেই তাৎক্ষণিকভাবে লাল পতাকা উড়িয়ে দিয়েছিলেন বলে সিদ্ধান্তে পৌঁছেছেন নেপালের তদন্তকারীরা।
অবতরণের ছয় মিনিট আগে আবিদ নিশ্চিত করেছিলেন বিমানের ল্যান্ডিংগিয়ার নিচে নেমে আটকে গেছে। রিপোর্টে বলা হয়েছে, বিমানের ককপিটের ইলেকট্রিক নির্দেশক লাইটের উল্লেখ করে পাইলট বলেন, গিয়ার নিচে নেমেছে, তিনটি সবুজ বাতি জ্বলছে। সহকারী পাইলট পৃথুলা রশিদ যখন চূড়ান্ত ল্যান্ডিং তালিকা পরীক্ষা করছিলেন তখন ধরা পড়ে গিয়ার নিচে নামেনি। কয়েক মিনিট পর দ্বিতীয় অবতরণ চেষ্টার সময় ৬৭ জন যাত্রী ও চার ক্রু সদস্য বহনকারী বিমানটি রানওয়েতে পৌঁছাতে ব্যর্থ হলে আগুন ধরে যায়।তদন্তকারীরা বলছেন, এক ঘণ্টার ওই ফ্লাইটে আবিদ সুলতান ক্রমাগত ধূমপান করেছিলেন। বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর সাবেক এই পাইলটের সাড়ে ৫ হাজার ঘণ্টার উড্ডয়নের রেকর্ড ছিল। তবে তিনি তার ধূমপানের অভ্যাস থাকার তথ্য বিমানসংস্থাকে জানাননি। এ থেকে তদন্তকারীরা সিদ্ধান্তে পৌঁছেছেন ককপিটে থাকার সময়ে তিনি মানসিক চাপে ছিলেন।
তদন্তকারীরা ওই রিপোর্টে লিখেছেন, ‘ককপিটের ভয়েস রেকর্ডারের তথ্য বিশ্লেষণ করে আমরা দেখেছি ক্যাপ্টেন প্রচন্ড মানসিক চাপ মানিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছিলেন। এছাড়া তাকে বিষন্ন ও কম ঘুমের সমস্যায় থাকা মানুষ মনে হয়েছে। কয়েকটি ক্ষেত্রে তিনি কেঁদে ফেলেছিলেন।’ ওই ভয়েস রেকর্ডারে ককপিটে তার ও তার সহকারী পাইলটের মধ্যে এক ঘণ্টার কথোপকথন রেকর্ড হয়েছিল। কথোপকথনের এক পর্যায়ে দেখা গেছে চিন্তিত থাকা আবিদ পরিস্থিতিগতভাবেও সচেতন ছিলেন না বলে সিদ্ধান্তে পৌঁছেছে তদন্তকারীরা।
নেপালের তদন্তকারীরা পাইলটের ভুলের কথা বললেও দুর্ঘটনার পর ইউএস-বাংলা কর্তৃপক্ষ জানায়, উড়োজাহাজ বিধ্বস্ত হওয়ার ঘটনায় ক্যাপ্টেন আবিদ সুলতানের কোনও ভুল ছিল না। ১৩ মার্চ ইউএস বাংলার জনসংযোগ বিভাগের মহাব্যবস্থাপক কামরুল ইসলাম সাংবাদিকদের বলেছিলেন, ‘ক্যাপ্টেনের কোনো সমস্যা আমরা আসলে খুঁজে পাইনি।’

Print Friendly, PDF & Email

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর
themesbazarhaor24net
© All rights reserved © 2019 haor24.net
Theme Download From ThemesBazar.Com
error: Content is protected !!