1. haornews@gmail.com : admin :
  2. editor@haor24.net : Haor 24 : Haor 24
সোমবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২২, ১২:৩৩ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
অযত্ন অবহেলায় মধ্যনগর কেন্দ্রীয় শহিদ মিনার নিয়ম বহির্ভূত ফি ফেরত দিচ্ছে সুনামগঞ্জ সরকারি এসসি গার্লস হাইস্কুল কর্তৃপক্ষ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জন্য ১১ দফা নির্দেশনা নাসিক প্রমাণ দিল দলীয় সরকারের অধীনেও সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব শাবিপ্রবি শিক্ষকদের সাথে সন্ধ্যায় আলোচনায় বসবেন শিক্ষামন্ত্রী অনশনের ৬০ ঘণ্টা: মুখে স্যালাইনও নিচ্ছেন না, বাড়ছে ঝুঁকি শাবিপ্রবিতে অনশন: ১৬ জন হাসপাতালে ভর্তি শাবি’র সংকটে সাস্টিয়ান সুনামগঞ্জ এর উদ্বেগ শাল্লায় ফসলরক্ষা বাঁধের কাজে দুর্নীতির প্রতিবাদ করায় মামলার আসামি হলেন চেয়ারম্যান বৃটিশ মন্ত্রী-এমপির উপস্থিতিতে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বললেন, র‌্যাব সৃষ্টি করেছে, প্রশিক্ষণ দিয়েছে আমেরিকা-বৃটেন!

সংবাদপত্র ব্যবসায়ী আব্দুল লতিফের ছেলেকে মামলায় জড়িয়ে হয়রানির অভিযোগ

  • আপডেট টাইম :: শনিবার, ১৪ অক্টোবর, ২০১৭, ২.১০ পিএম
  • ১৮১ বার পড়া হয়েছে

স্টাফ রিপোর্টার::
সুনামগঞ্জ পৌর শহরের তেঘরিয়া এলাকার বাসিন্দা ও জেলা শহরের বিশিষ্ট সংবাদপত্র ব্যবসায়ী আব্দুল লতিফের ছেলেকে মামলায় জড়িয়ে হয়রানির অভিযোগ করেছেন তিনি। সদর থানায় অন্যদের সঙ্গে তার ছেলে রাব্বীকে আসামি করে নারী ও শিশু নির্যাতন আইনে গত ১ সেপ্টেম্বর মামলাটি দায়ের করেন লম্বাহাটি এলাকার বাসিন্দা রেজাউল ইসলাম ওরফে রেজাউল করিম। এই ঘটনায় তার ছেলের কোন সম্পৃক্ততা নেই বলে জানান তিনি।
মামলার এজহারে বাদী উল্লেখ করেছেন, তার মেয়ে শাহিনা আক্তারকে একই এলাকার কিসমত আলীর ছেলে এরশাদ আলীর কাছে বিয়ে দেন। তাদের এক ছেলে ও এক মেয়ে আছে। বিয়ের কিছুদিন পর এরশাদ আলী ব্যবসার জন্য শাহিনাকে তার বারা কাছ থেকে টাকা এনে দিতে বলেন। এক পর্যায়ে ৫০ হাজার টাকা দাবি করেন। কিন্তু টাকা এনে না দেওয়ায় শাহিনাকে এরশাদ আলী ও তার পরিবারের অন্য সদস্যরা নির্যাতন করেন। গত ২৮ আগস্ট বাড়িতে ফেরিওলার কাছ থেকে কাপড় কেনা নিয়ে শাহিনার সাথে তার শাশুড়ি ও দেবরের স্ত্রীর সঙ্গে কথাকাটি হয়। এরপর এ নিয়ে ৩০ আগস্ট দুপুরে এরশাদ আলী ও তার পরিবারের অন্য সদস্যদের মারপিটে শাহিনা গুরুতর আহত হন। তাকে সদর হাসপাতালে নেওয়ার পর চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। ঘটনার দুইদিন পর ১ সেপ্টেম্বর সদর থানায় শাহিনার বাবা রেজাউল ইসলাম বাদী হয়ে শাহিনার স্বামী এরশাদ আলী, তার ভাই কুটন মিয়া, কুটন মিয়ার স্ত্রী ইয়াসমিন বেগম, আরেক ভাই আজাদ মিয়া, মা হুসনে আরা বেগম, বাবা কিসমত আলী, চাচা সংবাদপত্র ব্যবসায়ী আবদুল লতিফের ছেলে রাব্বী ও আরেক চাচাতো বোন ফুলজান বেগমকে আসামি করেন নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে একটি মামলা দায়ের করেন। ঘটনার দিন রাব্বী তার কর্মক্ষেত্রে ছিলেন বলে এলাকাবাসী জানিয়েছেন। তাছাড়া রাব্বীর সঙ্গে এরশাদ আলীর পরিবারের তেমন সম্পর্ক নেই বলেও এলাকাবাসী জানিয়েছেন। এদিকে এ মামলার পর পুলিশ ওই দিনই রাব্বী ও ফুলজান বেগমকে গ্রেপ্তার করে। আসামিদের মধ্যে ফুলজান বেগম ও রাব্বী ছাড়া অন্যরা একই পরিবারে বসবাস করেন।
সংবাদপত্র ব্যবসায়ী আব্দুল লতিফ বলেন, মামলায় আমার নিদোর্ষ ছেলে ও ভাতিজিকে আসামি করা হয়েছে। আমি আমার পরিবার নিয়ে আলাদা থাকি। আমার সঙ্গে মা, বড় ভাই জমসেদ আলী ও তার মেয়ে ফুলজান বেগমও থাকেন। এই ঘটনার সঙ্গে আমরা কোনোভাবেই জড়িত নই। আমার ছেলে ও ভাতিজিকে ষড়যন্ত্রমূলকভাবে মামলায় জাড়ানো হয়েছে। আমি এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত চাই।

Print Friendly, PDF & Email

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর
themesbazarhaor24net
© All rights reserved © 2019 haor24.net
Theme Download From ThemesBazar.Com
error: Content is protected !!