স্টাফ রিপোররটার::
সুনামগঞ্জে র্যাবের অভিযানে ১১১ কেজি চোরাচালানকৃত ভারতীয় ফুচকা ও ১০টি লিড বল কার্তুজ উদ্ধার করা হয়েছে। তবে এ ঘটনায় জড়িত কাউকে আটক করতে পারেনি র্যাব। অভিযানের সময় র্যাবের উপস্থিতি টের পেয়ে ৩ থেকে ৪ জন ব্যক্তি বস্তাগুলো ফেলে পালিয়ে যায়। শনিবার বেলা সাড়ে তিনটার দিকে প্রের রিলিজ পাঠিযে এই তথ্য জানায় র্যাব।
শনিবার (শুক্রবার দিবাগত রাত- ৮ আগস্ট) রাত ২টা ৩৫ মিনিটের দিকে সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার গৌরারং ইউনিয়নের লালপুর সাকিনস্থ স্বাধীন বাজার থেকে চিন্তপুরগামী সড়কে এ অভিযান চালায় র্যাব-৯-এর সিপিসি-৩, সুনামগঞ্জের একটি আভিযানিক দল।
র্যাব-৯ সূত্রে জানা যায়, রাত ১টা ২০ মিনিটের দিকে রাধানগর পয়েন্টে অবস্থানকালে গোপন সংবাদের মাধ্যমে র্যাব জানতে পারে, লালপুর এলাকার স্বাধীন বাজার থেকে চিন্তপুরগামী সড়কে কয়েকজন মাদক ব্যবসায়ী মাদকদ্রব্য ও ভারতীয় চোরাচালানকৃত পণ্য ক্রয়-বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে অবস্থান করছে। পরে র্যাবের একটি দল সেখানে অভিযান চালায়।
র্যাবের উপস্থিতি টের পেয়ে অজ্ঞাতনামা ৩ থেকে ৪ জন ব্যক্তি তিনটি সাদা রঙের প্লাস্টিকের বস্তা রাস্তায় ফেলে দৌড়ে পালিয়ে যায়। পরে বস্তাগুলো তল্লাশি করে ১১১ কেজি ভারতীয় ফুচকা ও ১০টি লিড বল কার্তুজ উদ্ধার করা হয়।
র্যাব-৯-এর মিডিয়া অফিসার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কে এম শহিদুল ইসলাম সোহাগ বলেন, “গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করে চোরাচালানকৃত ভারতীয় ফুচকা ও ১০টি লিড বল কার্তুজ উদ্ধার করা হয়েছে। র্যাবের উপস্থিতি টের পেয়ে জড়িত ব্যক্তিরা ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়। তাদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।”
তিনি আরও বলেন, দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং সীমান্তপথে চোরাচালানসহ বিভিন্ন অপরাধ দমনে র্যাব-৯-এর গোয়েন্দা তৎপরতা ও অভিযান অব্যাহত থাকবে।
র্যাব জানায়, এ ঘটনায় পলাতক অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে বিশেষ ক্ষমতা আইন, ১৯৭৪-এর সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া নেওয়া হয়েছে। উদ্ধার করা আলামত পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সুনামগঞ্জ সদর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।