1. haornews@gmail.com : admin :
  2. editor@haor24.net : Haor 24 : Haor 24
শনিবার, ০৬ জুন ২০২৬, ০৩:৫০ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
`কাচইরা’ বছরে সর্বনাশ হাওরে চেটেপুটে খেয়ে সুনামগঞ্জ ছাড়লেন জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার! সুনামগঞ্জে বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস পালিত নিজের স্বার্থের জগতে ড. ইউনূসের যাদুর ছোঁয়া: দেড় বছরে তার যত বেআইনি কারবার! হাওরে জলাবদ্ধতায় নষ্ট হওয়ার পথে ১০ হাজার হেক্টরের বেশি বোরো ধান সুনামগঞ্জের ৫ আসনে কেন্দ্র ঘোষিত ফলাফলে বিএনপির ৫ প্রার্থী বিপুল ভোটে জয়ী নির্বাচন সামনে রেখে এমএফএস লেনদেনে কড়াকড়ি, ক্যাশ-ইন ও ক্যাশ-আউট বন্ধ ৯৬ ঘণ্টা (আরও জানুন) ব্রিটিনে সেরা বাংলাদেশি সাংবাদিক নির্বাচিত হলেন সুনামগঞ্জের মাসুম মালয়শিয়ায় বাংলাদেশের ছয় শিক্ষার্থীদের নিয়ে পুত্রা মালয়েশিয়া ইউনিভার্সিটির ফুটবল টুর্নামেন্ট সম্পন্ন বিশ্বম্ভরপুরে র‌্যাবের অভিযানে মদ ও ভারতীয় কসমেটিক্স জব্দ

২৯৭টি বাধে মাটির কাজ শেষ হয়নি, লাগানো হচ্ছেনা দুর্বাঘাস

  • আপডেট টাইম :: রবিবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী, ২০২৪, ৭.১৯ পিএম
  • ১২২ বার পড়া হয়েছে

বিশেষ প্রতিনিধি::
আগামী ২৮ ফেব্রুয়ারি সুনামগঞ্জের হাওরের ফসলরক্ষা বাঁধের কাজ শেষ হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু এখনো সবগুলো বাঁধে মাটি পড়েনি। যে গুলোতে মাটি পরেছে সেগুলোতে লাগানো হয়নি ঘাস। এখনো ২৯৭টি ফসলরক্ষা বাঁধে মাটির কাজ শেষ হয়নি। ঝূকিপূর্ণ ৫১টি ক্লোজার (বড় গর্ত) মাটির কাজ শেষ করা যায়নি। এছাড়াও বাঁধ টেকসই করার জন্য সবগুলো বাঁধে দুর্বাঘাস লাগানোর কথা থাকলেও মাত্র ১৬৬টি বাঁধে দুর্বাঘাস লাগানোর দায়সারা কাজ চলছে। বাকিগুলোতে কবে লাগানো হবে তার নিশ্চয়তা নেই। তাই বাধ টেকসই হওয়া নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন কৃষকরা। পাহাড়ি ঢল ও বর্ষণের প্রথম আঘাত বাধের ক্ষতি করতে পারে বলে আশঙ্কা তাদের।
সুনামগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলীর কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, চলতি বোরো মওসুমে জেলার ৩৭টি ছোট বড়ো হাওরের ৫৯১ কিলোমিটার বেড়িবাঁধ নির্মাণ, সংস্কার ও ও রক্ষণাবেক্ষণে ৭৩৩ পিআইসি (প্রকল্প বাস্তবায়ন কমিটি) কাজ বাস্তবায়ন করছে। ১২৫ কোটি টাকা ব্যয়ে ২০২৩ সনের ১৫ ডিসেম্বর থেকে ২০২৪ সনের ২৮ ফেব্রুয়ারি কাজ শেষ করার কথা। গত ২২ ফেব্রুয়ারি বৃহষ্পতিবার পর্যন্ত মাত্র ৩৩৬টি বাঁধের মাটির কাজ শেষ হয়েছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। দুর্বাঘাস লাগানো হচ্ছে ১৬৬ টিতে। ৫৯টি ক্লোজারের মধ্যে মাত্র ১০টি ক্লোজারের কাজ শেষ করা হয়েছে। গড়ে ৮১ ভাগ কাজ হয়েছে বলে জানিয়েছে তারা। তবে হাওর বাঁচাও আন্দোলন জানিয়েছে গড়ে ৬০ ভাগেরও কম কাজ হয়েছে। তাছাড়া দুর্বাঘাস লাগানোর জন্য প্রায় ৪ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হলেও বাঁধে দায়সারা ঘাস লাগানোর কাজ চলছে।
শাল্লা উপজেলার ছায়ার হাওরের কৃষক সুধাকর দাস বলেন, এ বছর শাল্লায় অপ্রয়োজনীয় ও অল্প ক্ষতিগ্রস্ত বাধেও বিপুল বরাদ্দ দিয়ে সরকারের টাকা লোপাট করা হয়েছে। তারপরও এখনো অনেক বাধে মাটি পড়েনি। উপরে প্রলেপ দিয়ে পুরনো বাধগুলোকে নতুন দেখানোর খেলা শুরু হয়েছে। যেগুলোতে দায়সারা কাজ হয়েছে সেগুলোতেও ঘাস লাগানো হচ্ছেনা। অথচ ঘাসের জন্যও বিপুল বরাদ্দ রয়েছে।
শাল্লা উপজেলার শাল্লা গ্রামের কৃষক রফিকুল ইসলাম বলেন, পুরনো টেকসই বাঁধে প্রলেপ দিয়ে কাজ করা হচ্ছে। কাজের মেয়াদ শেষ হওয়ার পথে থাকলেও এখনো তারা অনেক বাধেই মাটির কাজ করতে পারেনি। দুর্বাঘাসও লাগানো হচ্ছেনা। তাই এবার বাধ টেকসই হওয়া নিয়ে আমরা শঙ্কিত।
হাওর বাচাও আন্দোলনের সাধারণ সম্পাদক বিজন সেনরায় বলেন, এখনো ৬০ ভাগ কাজ শেষ করা যায়নি। অনেক বাধ ও ক্লোজারে মাটি পড়েনি। এবারও আগামী ২৮ ফেব্রুয়ারির মধ্যে কাজ শেষ করা সম্ভব নয়। তিনি বলেন, অক্ষত বাধ ও অল্প ক্ষতিগ্রস্ত বাধে বিপুল বরাদ্দ দিয়েও সংশ্লিষ্টরা এখনো কাজ শেষ করতে পারেনি।
সুনামগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মামুন খন্দকার বলেন, আমরা গড়ে ৮১ ভাগ শেষ করে ফেলেছি। ১০টি ক্লোজারের কাজও শেষ। এখন যেগুলোর কাজ শেষ হয়েছে সেগুলোতে ঘাস লাগানো হচ্ছে। তবে এবারও ২৮ ফেব্রুয়ারি কাজ সম্পন্ন করা সম্ভব নয় জানিয়ে তিনি বলেন, সময় বাড়ানোর জন্য কথা বার্তা চলছে।


প্রিন্ট

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর
themesbazarhaor24net
© All rights reserved © 2019-2024 haor24.net
Theme Download From ThemesBazar.Com
error: Content is protected !!