1. haornews@gmail.com : admin :
  2. editor@haor24.net : Haor 24 : Haor 24
সোমবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৩:৫০ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
ছাতকে মাছ ধরা নিয়ে সংঘর্ষে আহত ব্যক্তির ‍মৃত্যু আব্দুল গাফফার চৌধুরী অসুস্থ, হাসপাতালে ভর্তি উন্নয়নের কারণে ইতিহাসের শ্রেষ্ট সরকার শেখ হাসিনার সরকার: পরিকল্পনামন্ত্রী সুনামগঞ্জ বঙ্গবন্ধু মেডিকেল কলেজে প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিনের আগাম কেক কাটলেন পরিকল্পনামন্ত্রী কোন বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষা কবে? দেশে পরীক্ষামূলকভাবে ৫জি সেবা চালু হচ্ছে ডিসেম্বরে: ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আমরা সুবিধাবঞ্চিত মানুষদের উন্নয়নের মূল স্রোতে নিয়ে এসেছি: পরিকল্পনামন্ত্রী মক্কা ও মদিনার দুই মসজিদের জন্য ৬০০ নারী কর্মীকে প্রশিক্ষণ তাহিরপুরে হাজং নারীকে ধর্ষণকারী রশিদের শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন মহামারি করোনা মোকাবিলায় জাতিসংঘে প্রধানমন্ত্রীর ৬ প্রস্তাব

জলমহাল ইজারা নিয়ে বিরোধের জেরে ধর্মপাশা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতিকে বহিষ্কারের দাবি

  • আপডেট টাইম :: রবিবার, ২৯ আগস্ট, ২০২১, ৭.৪৬ পিএম
  • ২৩ বার পড়া হয়েছে

ধর্মপাশা প্রতিনিধি::
সুনামগঞ্জের ধর্মপাশা উপজেলা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি নাদিম কবীরকে ছাত্রলীগ থেকে বহিষ্কার ও তাকে আইনের আওতায় আনার দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মোকাররম হোসেন তালুকদারকে অপহরণকারী হিসেবে ‘মিথ্যা অপবাদ’ দেওয়ার প্রতিবাদে উপজেলা আওয়ামী লীগ ও অঙ্গ সংগঠনের একাংশের ব্যানারে রবিবার (২৯ আগস্ট) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে উপজেলা পরিষদের সামনের সড়কে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

মানববন্ধনে বক্তব্য দেন, ধর্মপাশা উপজেলা আওয়ামী লীগের মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক সম্পাদক রুহুল আমিন তালুকদার, উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমাণ্ডার সুলতান মজুমদার, উপজেলা আওয়ামী লীগের কোষাধ্যক্ষ তুঘলব আহমেদ, উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট ইকরাম হোসেন তালুকদার, উপজেলা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি আরমান আহমেদ, সাংগঠনিক শাকিল মাহমুদ খান, জাতীয় শ্রমিক লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক সেলিম তালকুদার প্রমুখ। মানববন্ধন শেষে উপজেলা সদর বাজারে বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়।

এলাকাবাসী ও উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, ধর্মপাশা উপজেলা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি নাদিম কবীরের বাড়ি উপজেলার সুখাইড় রাজাপুর দক্ষিণ ইউনিয়নের রাজাপুর নয়াহাটি গ্রামে। অপরদিকে, উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মোকাররম হোসেন তালুকদারের বাড়ি একই ইউনিয়নের দৌলতপুর গ্রামে। ওই ইউনিয়নের কাউনাই নদী গ্রুপ নামে একটি জলমহাল রয়েছে। এই জলমহালটির আয়তন ৯০ একর। জলমহালটি সুখাইড় রাজাপুর দক্ষিণ ইউনিয়নের মাহমুদনগর গ্রামের পশ্চিম দিকে অবস্থিত। ১৪২৮ বঙ্গাব্দ থেকে ১৪৩০ বঙ্গাব্দের জন্য কাউনাই নদী গ্রুপ জলমহালটি ইজারা পাওয়ার জন্য জেলা প্রশাসনের কাছে চলতি বছরের ২৭ মে সুখাইড় রাজাপুর দক্ষিণ ইউনিয়নের আলোর দিশারী মৎস্যজীবী সমবায় সমিতি লিমিটেড, স্বপ্নের তরী মৎস্যজীবী সমবায় সমিতি লিমিটেডসহ ৪টি মৎস্যজীবী সমবায় সমিতি লিমিটেড আবেদন করে। স্বপ্নের তরী মৎস্যজীবী সমবায় সমিতি লিমিটেড উপজেলা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি নাদিম কবীরের নিয়ন্ত্রণে। অপরদিকে, আলোর দিশারী মৎস্যজীবী সমবায় সমিতি লিমিটেড উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মোকাররম হোসেন তালুকদারের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। এটি ইজারা পাওয়া নিয়ে নাদিম কবীর ও মোকাররম হোসেন তালুকদারের মধ্যে বিরোধ সৃষ্টি হয়।

উপজেলা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি নাদিম কবীর দাবি করেন, স্বপ্নের তরী মৎস্যজীবী সমবায় সমিতি লিমিটেডের সভাপতি নবী হোসেন প্রকৃত মৎস্যজীবী। উপজেলা প্রশাসন ও জেলা প্রশাসন বিষয়টি অবগত আছে। নবী হোসেন অপহরণ হওয়ার ব্যাপারে আমি তার স্ত্রীকে থানায় লিখিত অভিযোগ করা নিয়ে কোনোভাবে প্ররোচনা দেইনি। নবী হোসেনের স্ত্রী সুরমা আক্তার (২৭) তার স্বামীকে অপহরণ করা হয়েছে এমন অভিযোগ এনে উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক ও মফিজ মিয়া নামের এক ব্যক্তিকে আসামি করে থানায় লিখিত অভিযোগ করেছিলেন। এছাড়া স্বামীর সন্ধান চেয়ে অপহরণকারীদের শাস্তির দাবিতে গত ২৫ আগস্ট নবী হোসেনের পরিবারের পক্ষে উপজেলা পরিষদের সামনের সড়কে মানববন্ধন করা হয়। মোকাররম হোসেন এলাকায় প্রভাবশালী। তিনি নবী হোসেনকে ভয়ভীতি দেখান। তার শেখানো মতো নবী হোসেন ধর্মপাশা থানার পুলিশের কাছে লিখিত বক্তব্য দিয়েছেন। আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে আমি চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগের মনোনয়নপ্রত্যাশী। আমি যাতে মনোনয়ন না পাই এবং এলাকায় আমার ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করার হীন উদ্দেশে আমাকে জড়িয়ে বিভিন্ন মিথ্যা ও বানোয়াট গল্প সাজিয়ে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে।

আর ধর্মপাশা উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মোকাররম হোসেন তালুকদার দাবি করেন, আমাদের ইউনিয়নের স্বপ্নের তরী মৎস্যজীবী সমবায় সমিতি লিমিটেডের সভাপতি নবী হোসেন অমৎস্যজীবী। তিনি ১০ বছর ধরে রিকশা চালান। এ সংক্রান্ত প্রমাণ আমার কাছে রয়েছে। নবী হোসেনকে আমি অপহরণ করেছি- এমন অভিযোগ এনে নবী হোসেনের স্ত্রী সুরমা আক্তার বাদী হয়ে আমাকে জড়িয়ে ওই নারী গত ২৫ আগস্ট থানায় একটি লিখিত অভিযোগ করেছিলেন। ধর্মপাশা উপজেলা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি নাদিম কবীরের প্ররোচনায় পড়ে ওই নারী আমার বিরুদ্ধে থানায় অপহরণের এই লিখিত অভিযোগ করেন। অভিযোগে ওই নারী উল্লেখ করেছিলেন, ২২ আগস্ট বেলা ২টার দিকে নবী হোসেনকে আমি ও মফিজ মিয়া (৩৫) এই দুজন মিলে নবী হোসেনকে অপহরণ করে লুকিয়ে রেখেছি । যা মিথ্যা ,বানোয়াট ও ভিত্তিহীন। নবী হোসেন উপজেলা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি নাদিম কবীরের হুমকি ও ভয়-ভীতির মুখে গত ২২ আগস্ট নিজ ইচ্ছায় এলাকা ছেড়ে পালিয়েছিলেন। পরে পুলিশ ও গণ্যমান্য ব্যক্তিরা তাকে নিরাপত্তার আশ্বাস দিলে নবী হোসেন গত ২৫ আগস্ট বিকেলে থানায় এসে উপস্থিত হন এবং ধর্মপাশা থানার ওসিকে বিষয়টি লিখিতভাবে অবগত করেন। আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা অপহরণের নাটক সাজানোর কারণে উপজেলা আওয়ামী লীগ ও অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপজেলা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি নাদিম কবীরকে ছাত্রলীগ থেকে বহিষ্কার ও দ্রুত আইনের আওতায় আনার দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ করেছেন বলে জানতে পেরেছি।

Print Friendly, PDF & Email

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর
themesbazarhaor24net
© All rights reserved © 2019 haor24.net
Theme Download From ThemesBazar.Com
error: Content is protected !!