1. haornews@gmail.com : admin :
  2. editor@haor24.net : Haor 24 : Haor 24
শনিবার, ১৩ জুলাই ২০২৪, ০৯:০৩ পূর্বাহ্ন

সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনী আরো বাড়ানো হবে : পরিকল্পনামন্ত্রী

  • আপডেট টাইম :: বৃহস্পতিবার, ৭ নভেম্বর, ২০১৯, ৪.৩৮ এএম
  • ১৫৯ বার পড়া হয়েছে

হাওর ডেস্ক ::
পরিকল্পনা মন্ত্রী এমএ মান্নান আশা প্রকাশ করে বলেছেন, দারিদ্র্য দূরীকরণের লক্ষে সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনীর আওতায় আরো বাড়ানো হবে।
মন্ত্রী বলেন, আমরা অধিকাংশ লোককে (উপযুক্ত) সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনীর আওতায় নিয়ে আসব। বিভিন্ন সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনী এবং পেনশন প্রকল্পের আওতায় এক তৃতীয়াংশ লোককে নিয়ে আসা সম্ভব হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
তিনি বলেন, এই বিশাল কর্মযজ্ঞ সম্পন্ন করতে একটি সঠিক হিসাব তৈরির প্রয়োজন। এ জন্য সরকারি ও বেসরকারিভাবে ব্যাপক গবেষণারও প্রয়োজন।
পরিকল্পনা মন্ত্রী আজ রাজধানীতে অনুষ্ঠিত ‘বাংলাদেশে সার্বজনীন পেনশন প্রকল্প চালু : একটি কাঠামোর সন্ধানে’ শীর্ষক সিপিডি-অক্সফাম ডায়ালগে বক্তৃতাকালে এ কথা বলেন।
সিপিডি’র সম্মানিত ফেলো ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্যের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই আলোচনা অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় সংক্রান্ত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদ বিশেষ অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখেন এবং বিশ্ব ব্যাংক ঢাকা অফিসের সাবেক লীড ইকনোমিস্ট ড. জাহিদ হোসেন বিশেষ মন্তব্যকারি হিসেবে বক্তব্য রাখেন।
সিপিডি’র অপর ফেলো অধ্যাপক মুস্তাফিজুর রহমান অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন। বাংলাদেশে অক্সফামের কান্ট্রি ডিরেক্টর ড. দীপঙ্কর দত্ত অনুষ্ঠানে সূচনা বক্তব্য রাখেন।
পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, আওয়ামী লীগ ১৯৯৬ সালে ক্ষমতায় আসার পর সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি চালু করেছিল এবং ২০০৮ সালে পুনরায় ক্ষমতায় এসে আওয়ামী লীগ সামাজিক নিরাপত্তা নেটওয়ার্কের আরো বিস্তার ঘটিয়েছে।
তিনি বলেন, এখন পর্যন্ত প্রায় ১১ শতাংশ লোক চরম দারিদ্র্যসীমার নিচে রয়েছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিভিন্ন কর্মসূচি ও সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনী প্রকল্প বাস্তবায়নের মাধ্যমে এসব লোকের দারিদ্র্য দূর করতে বদ্ধপরিকর।
সংসদীয় স্থায়ী কমিটির চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদ বলেন, সার্বজনীন পেনশন প্রকল্পে মনযোগ দিতে বাংলাদেশের জন্য এটিই উপযুক্ত সময়।বিগত দশ বছরে সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনী কর্মসূচি বৃদ্ধিতে সরকারের নেয়া পদক্ষেপের উল্লেখ করে অধ্যাপক মুস্তাফিজুর রহমান বলেন, ৬৫ বছর বয়সের অধিক ৪০ শতাংশের বেশি লোক কোন ধরনের ভাতা পাচ্ছেন না।
বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো এবং অর্থ মন্ত্রণালয়ের তথ্যের উদ্ধৃতি দিয়ে তিনি বলেন, দেশের ৬৫ বছরের অধিক বয়সের ৭.৯ মিলিয়ন লোকের মধ্যে ৭.৬ শতাংশ লোক সরকারি অবসর ভাতা, ৩৯.৯ শতাংশ লোক বয়স্ক ভাতা বেসরকারি খাতের ১০ শতাংশ লোক গ্রাচ্যুয়েটি অথবা প্রভিডেন্ট ভাতা পাচ্ছেন।
ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য বলেন, বাংলাদেশ এখন আধুনিক হচ্ছে। মধ্য আয়ের দেশ হচ্ছে। অথচ দেশের এক চতুর্থাংশ লোক এখনো দারিদ্র্যসীমার নিচে রয়েছে। ফলে এই শ্রেণীর লোকদেরকে দারিদ্র্যমুক্ত করতে হবে। তিনি বলেন, আসন্ন অষ্টম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনায় সকলের জন্য অবসর ভাতা চালু করার নির্দেশনা থাকতে পারে।
অনুষ্ঠানে বক্তারা বিভিন্ন সামাজিক নিরাপত্তা প্রকল্প এবং অবসর ভাতা আরো ব্যাপক ও টেকসই করার পরামর্শ দেন।

Print Friendly, PDF & Email

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর
themesbazarhaor24net
© All rights reserved © 2019-2024 haor24.net
Theme Download From ThemesBazar.Com
error: Content is protected !!