1. haornews@gmail.com : admin :
  2. editor@haor24.net : Haor 24 : Haor 24
রবিবার, ১৪ জুলাই ২০২৪, ১১:১৮ অপরাহ্ন

জগন্নাথপুর সড়কে চলছে ডিপা তালির কাজ ভোগান্তির শেষ নাই

  • আপডেট টাইম :: শুক্রবার, ২ আগস্ট, ২০১৯, ৩.৪৪ পিএম
  • ১৪৫ বার পড়া হয়েছে

জগন্নাথপুর প্রতিনিধি::
সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলা সদর থেকে সিলেট সড়কের কেউন বাড়ি বাজার পর্যন্ত মাত্র ১৩ কিলোমিটার সড়কের বেহাল দশার কারণে প্রতিনিয়ত ভোগান্তির হচ্ছেন মানুষ। দিনে দিনে সড়কটি ভাঙতে ভাঙতে যেন মরণ ফাদে পরিণত হয়েছে। প্রতিদিন সড়কের কোন না কোন স্থানে ভাঙনকৃত গর্তে দেবে মালবাহী ও যাত্রীবাহী বড় গাড়ি আটকা পড়ছে। এতে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়। যে কারণে মানুষের ভোগান্তি বেড়েই চলেছে। যদিও যানবাহন চলাচলের অনুপযোগী এ সড়কটির দ্রুত মেরামতের দাবিতে পরিবহন ধর্মঘট সহ নানাভাবে আন্দোলন করেছেন ভূক্তভোগী জনতা। তাতেও কাজ হচ্ছে না। এতে দিনে দিনে মানুষের মধ্যে ক্ষোভ বেড়েই চলেছে। তবে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দাবি সড়কে কাজ চলছে।
জানাগেছে, গত প্রায় কয়েক মাস ধরে জগন্নাথপুর-সিলেট সড়কটি বেহাল দশায় পরিণত হয়। সড়কের অধিকাংশ স্থান ভেঙে গিয়ে যানবাহন চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়ে। এতে মানুষের ভোগান্তি বাড়তে থাকে। এক পর্যায়ে চরমে পৌছে যায়। যে কারণে প্রতিবাদী হয়ে উঠেন সাধারণ মানুষ। সড়ক মেরামতের দাবিতে শুরু হয় আন্দোলন। রাস্তায় নেমে আসেন প্রতিবাদী জনতা। পালন করা হয় পরিবহন ধর্মঘট সহ বিভিন্ন কর্মসূচি। অবশেষে আন্দোলনের মুখে জগন্নাথপুর থেকে কেউন বাড়ি বাজার পর্যন্ত ১৩ কিলোমিটার সড়কে সাময়িক মেরামতের কাজ শুরু হয়। (স্থানীয় ভাষায় ডিপা-তালির কাজ)। এ কাজের জন্য সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জরুরী ভিত্তিতে ১৩ লক্ষ টাকা বরাদ্দ দেয়। জুলাই মাসের শুরুতে সামান্য কাজ হলেও বন্যার কারণে থেমে যায়। বন্যায় সড়কের বিভিন্ন স্থান পানির নিচে তলিয়ে যায়।
তবে গত কয়েক দিন আগে বন্যার পানি কমে যাওয়ায় সড়কের ভাঙন গুলো আবারো ভেসে উঠেছে। বর্তমানে সড়কের ভাঙনকৃত গর্তে প্রায়ই ভারী গাড়িগুলো দেবে আটকা পড়ছে। এতে মানুষের ভোগান্তির শেষ নেই। যে কারণে ভূক্তভোগী জনতার ক্ষোভ বেড়েই চলেছে। এর মধ্যে ১ আগষ্ট বৃহস্পতিবার সড়কে ট্রাক দেবে দীর্ঘ যানজটে ভোগান্তির শিকার হন মানুষ।
এ ব্যাপারে ২ আগষ্ট শুক্রবার জগন্নাথপুর উপজেলা প্রকৌশলী (এলজিইডি) গোলাম সারোয়ার বলেন, এ সড়কে কাজ চলছে। তবে জুলাই মাসের প্রথম দিকে সড়কটি মেরামতের জন্য ১৩ লক্ষ টাকা বরাদ্দ আসার পর কাজ শুরু হলেও বন্যা এবং টানা বৃষ্টিপাতের কারণে থেমে থেমে কাজ করতে হয়েছে। এখন পুরোপুরি ভাবে কাজ চলছে। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, সড়কের গুরুত্বপূর্ণ গর্ত গুলোতে আগামী ২/১ দিনের মধ্যে কাজ হয়ে যাবে।

Print Friendly, PDF & Email

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর
themesbazarhaor24net
© All rights reserved © 2019-2024 haor24.net
Theme Download From ThemesBazar.Com
error: Content is protected !!