1. haornews@gmail.com : admin :
  2. editor@haor24.net : Haor 24 : Haor 24
মঙ্গলবার, ৩০ নভেম্বর ২০২১, ০৯:৫৮ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
জনগণকে বিজয় উৎসর্গ করলেন মোহনপুরে বিজয়ী চেয়ারম্যান মঈন উল হক শান্তিগঞ্জে আ.লীগ ২, বিদ্রোহী ৩ ও বিএনপির স্বতন্ত্র ২জন চেয়ারম্যান জয়ী সুনামগঞ্জে আ.লীগের বিদ্রোহী ২জন, বিএনপির স্বতন্ত্র ৪জন, জাতীয় পার্টির দু’জন চেয়ারম্যান জয়ী সড়কে শিক্ষার্থীরা: দেখছেন গাড়ির লাইসেন্স ও কাগজপত্র ব্লুটুথযুক্ত মোটর সাইকেল নিবন্ধন পাবেনা মোহনপুর ইউনিয়নের ভোটারদের উদ্দেশ্যে বোবাদের চিঠি! জগন্নাথপুরে শিক্ষার্থীদের করোনা ভ্যাক্সিন প্রদান শুরু সুনামগঞ্জ সদর ও শান্তিগঞ্জের ১৭ ইউনিয়নে ভোটযুদ্ধ কাল ইউনিয়ন নির্বাচনে নৌকা নিয়ে বিজয়ী হতে চান সুনামগঞ্জের তিন বীর মুক্তিযোদ্ধা সুনামগঞ্জসহ সারাদেশে ভূমিকম্প

২ দিনের মধ্যে বিপৎসীমার নিচে নামবে সব নদ-নদীর পানি

  • আপডেট টাইম :: রবিবার, ২৮ জুলাই, ২০১৯, ১০.২২ এএম
  • ৪৩ বার পড়া হয়েছে

হাওর ডেস্ক ::
বন্যার পানি দ্রুত নেমে যাওয়ায় আগামী দু’দিনের মধ্যে সব নদ-নদীর পানি বিপৎসীমার নিচে নেমে যাবে বলে জানিয়েছে পানি উন্নয়ন বোর্ডের বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র।
রোববার (২৮ জুলাই) সচিবালয়ে চলমান বন্যা পরিস্থিতি ও ত্রাণ কার্যক্রম নিয়ে সংবাদ সম্মেলনে পূর্বাভাস এবং সতর্কীকরণ কেন্দ্রের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. আরিফুজ্জামান ভূঁইয়া এ তথ্য জানান।
এ সময় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী মো. এনামুর রহমান, সিনিয়র সচিব মো. শাহ কামাল ও আবহাওয়া অধিদফতরের মহাপরিচালক মো. সামছুদ্দিন আহমেদ উপস্থিত ছিলেন।
আগামী দুই সপ্তাহ দেশের মধ্যে এবং উজানে দেশের বাইরে ভারী বৃষ্টিপাতের কোনো সম্ভাবনা নেই। এ সময় বন্যা পরিস্থিতি আর অবনতির কোনো আশঙ্কা নেই বলেও সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়।নির্বাহী প্রকৌশলী মো. আরিফুজ্জামান বলেন, ‘গত সপ্তাহের শেষ থেকে সারাদেশে এবং দেশের উজানে বৃষ্টিপাতের পরিমাণ কমে গেছে। এ কারণে দেশের প্রধান নদ-নদীর পানি শনিবার থেকে হ্রাস পাওয়া শুরু করেছে। এ মুহূর্তে সব জায়গায় পানি হ্রাস পাচ্ছে।’তিনি বলেন, ‘গত সপ্তাহের শেষদিন বিপৎসীমার ওপরে ছিল। গতকাল (শনিবার) ১৭টি পয়েন্টে, আজ (রোববার) সকাল ৯টায় ১৩টি পয়েন্টে পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। স্টেশন ভেদে বিপৎসীমার ১-২৭ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। বৃষ্টিপাতের পরিমাণ কমে যাওয়ায় সব কয়টি পয়েন্টে দ্রুত পানি হ্রাস পাচ্ছে।’
নির্বাহী প্রকৌশলী বলেন, ‘আশা করছি আগামী ২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে সব পয়েন্টে পানি নেমে (বিপৎসীমার নিচে) যাবে। তবে যে সব জায়গায় বেশি বন্যা আক্রান্ত ছিল যেমন- জামালপুর, গাইবান্ধায় অনেক ভেতরে পানি ঢুকে গেছে, সে জায়গা থেকে পানি নামতে কয়েক দিন সময় লাগতে পারে।’
‘এ সপ্তাহে দেশে এবং উজানে ভারী বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা নেই এবং আগামী সপ্তাহেও ভারী বৃষ্টিপাতের লক্ষণ দেখছি না। নদ-নদীর পানি হ্রাস আগামী দুই সপ্তাহ পর্যন্ত অব্যাহত থাকবে। দুই সপ্তাহের মধ্যে বড় বন্যার ঝুঁকি আমাদের দেশে নেই’- বলেন আরিফুজ্জামান।
আবহাওয়া অধিদফতরের পরিচালক বলেন, ‘গত ছয়-সাতদিনে উত্তরাঞ্চলে দু-একটি জায়গায় ভারী বৃষ্টিপাত হয়েছিল, সেটি কমে যাচ্ছে। সারাদেশে হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টিপাত হচ্ছে। গত ২৪ ঘণ্টায় সারাদেশে যে বৃষ্টিপাত হয়েছে তা ৩০ থেকে ৩৫ মিলিমিটারের মধ্যে ছিল।’পরিচালক বলেন, ‘আগামী ১০ দিন ভারতীয় অংশে বাংলাদেশের উজানে বিশেষ করে নেপাল, আসাম, মিজোরাম ও মেঘালয়ে ভারী বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা কম। তবে হালকা ধরনের বৃষ্টিপাত হবে। একই সাথে বাংলাদেশেরও বিভিন্ন অংশে হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টিপাত হবে।’বর্তমানে বঙ্গোপসাগরে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্কতা সংকেত বহাল রয়েছে জানিয়ে আবহওয়া অধিদফতরের পরিচালক বলেন, আমরা আশা করছি আগামী দু-একদিনের মধ্যে এ সতর্কতা সংকেতও তুলে নেয়া হবে বলে জানিয়েছেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী মো. এনামুর রহমান।রোববার (২৮ জুলাই) সচিবালয়ে চলমান বন্যা পরিস্থিতি ও ত্রাণ কার্যক্রম নিয়ে সংবাদ সম্মেলনে প্রতিমন্ত্রী এ তথ্য জানান।সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, গত ৬ থেকে ৭ জুলাই সিলেট ও চট্টগ্রাম বিভাগের কয়েকটি নদীর পানি বিপৎসীমা অতিক্রম করে। ১০ জুলাই উজান থেকে নেমে আসা পানি ও দেশের ভেতরে বৃষ্টিপাত বৃদ্ধি পাওয়ায় বন্যা পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়। ক্রমান্বয়ে ২৮ জেলার বিভিন্ন এলাকা বন্যাকবলিত হয়।
বন্যা দেখা দেয়া জেলাগুলোর মধ্যে রয়েছে- চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, বান্দরবান, খাগড়াছড়ি, রাঙ্গামাটি, ফেনী, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, সিলেট, সুনামগঞ্জ, হবিগঞ্জ, মৌলভীবাজার, নেত্রকোনা, শেরপুর, টাঙ্গাইল, জামালপুর, বগুড়া, গাইবান্ধা, কুড়িগ্রাম, লালমনিরহাট, নীলফামারী, সিরাজগঞ্জ, রাজবাড়ী, ফরিদপুর, মাদারীপুর, শরীয়তপুর, মানিকগঞ্জ, মুন্সীগঞ্জ ও চাঁদপুর।
এর মধ্যে ১৪ জেলায় বন্যাজনিত কারণে এখন পর্যন্ত ৭৫ জনের প্রাণহানি ঘটেছে। বন্যায় ২৮ জেলার ৬০ লাখ ৭৪ হাজার ৪১৫ মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলেও সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়।

Print Friendly, PDF & Email

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর
themesbazarhaor24net
© All rights reserved © 2019 haor24.net
Theme Download From ThemesBazar.Com
error: Content is protected !!