1. haornews@gmail.com : admin :
  2. editor@haor24.net : Haor 24 : Haor 24
রবিবার, ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৩, ০২:১৯ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
জলাভূমি পুনরুদ্ধারের এখনি শেষ সময় ।। পাভেল পার্থ আগামী জুনে রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্রের দ্বিতীয় ইউনিট চালু হবে ঢাকায় জমির কাঠা সর্বোচ্চ ৭ কোটি ৭৫, নিচে ৬০ লাখ! সুনামগঞ্জ ভূমি অফিসার্স কল্যাণ সমিতির নির্বাচনে সভাপতি সোয়েল, সম্পাদক কামাল ও সাংগঠনকি সম্পাদক জহুর নির্বাচিত ধর্মপাশায় সাজাপ্রাপ্ত গরু চোর ঢাকা থেকে গ্রেপ্তার শাল্লায় ধর্ষণ চেষ্টা : থানায় অভিযোগ ইরানের সামরিক স্থাপনায় ইসরায়েলের ড্রোন হামলা পাকিস্তানে মসজিদে বোমা বিস্ফোরণ, নিহত ২৮ জন ২৮ দিন পর বই পেয়ে পৃষ্ঠা ওল্টিয়ে বিস্মিত শিশুরা এসএসসি ২০০৭ ও এইচএসসি ২০০৯ ব্যাচের উদ্যোগে শীতবস্ত্র বিতরণ ও স্বাস্থ্যসেবা প্রদান

উপজেলা পরিষদ নির্বাচন: আ.লীগের সম্ভাব্য প্রার্থীদের তৎপরতা শুরু

  • আপডেট টাইম :: শুক্রবার, ৪ জানুয়ারী, ২০১৯, ১০.০১ এএম
  • ১০৭ বার পড়া হয়েছে

বিশেষ প্রতিনিধি ::
ফেব্রুয়ারিতে তফসিল ঘোষণার খবরে সুনামগঞ্জে উপজেলা পরিষদের সম্ভাব্য চেয়ারম্যান, ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থীরা নড়েচড়ে বসেছেন। নানাভাবে নিজে ও সমর্থকদের দিয়ে মাঠে প্রার্থীতার বিষয়ে আওয়াজও তুলেছেন। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ইতোমধ্যে প্রচারণাও শুরু করে দিয়েছেন তারা। তবে আ.লীগের সম্ভাব্য প্রার্থীদেরই তৎপরতা লক্ষ করা যাচ্ছে। এই তুলনায় বিএনপি’র সম্ভাব্য প্রার্থীদের তৎপরতা চোখে পড়ছেনা। জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভূমিধস হারার কারণে মনোবল হারিয়ে বিএনপি নেতাকর্মীরা এখন চুপসে গেছেন বলে অনেকে মনে করছেন। তাই মাঠে আ.লীগ প্রার্থীরাই আলোচনায় আছেন।
সুনামগঞ্জে ১১টি উপজেলা রয়েছে। গত উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে ছাতক, দোয়ারাবাজার ও দক্ষিণ সুনামগঞ্জ বাদে সাতটিতেই বিএনপি প্রার্থীরা বিজয়ী হয়েছিলেন। চরম দ্বন্দ্ব-কোন্দলের কারণে এই পরাজয় হয়েছিল বলে মনে করেন আ.লীগের তৃণমূল নেতাকর্মীরা। তবে সম্প্রতি জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে পুরনো বিভেদ ভুলে নেতাকর্মীরা ঐক্যবদ্ধ হওয়ায় এবার বিজয়ের ব্যাপারে আশাবাদী তারা। সদ্য অনুষ্ঠিত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রতিটি উপজেলায়ই আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা ঐক্যবদ্ধ ছিলেন। ঐক্যের সেই শক্তি নিয়ে উপজেলা পরিষদ নির্বাচনেও তারা মাঠে নামবেন বলে জানিয়েছেন।
সুনামগঞ্জ সদর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে মাঠে নাম শোনা যাচ্ছে ভাইস চেয়ারম্যান নিগার সুলতানা কেয়া’র। প্রতিদিনই তিনি নির্বাচনী এলাকার বিভিন্ন স্থান চষে বেড়াচ্ছেন। তার সঙ্গে জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক জুনেদ আহমদ ও জেলা যুবলীগের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক বিশিষ্ট ব্যবসায়ী আসাদুজ্জামান সেন্টু, জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক জুবের আহমদ অপুর নামও শোনা যাচ্ছে। তাদের সমর্থকরা দলীয় নানা ফোরাম ও জনবহুল স্থানে তাদের পক্ষে আলাপ-আলোচনা শুরু করে দিয়েছেন।
দক্ষিণ সুনামগঞ্জ উপজেলায় বর্তমান চেয়ারম্যান হাজী আবুল কালাম ও উপজেলা যুবলীগের সভাপতি অ্যাড. বুরহান উদ্দিন দোলনের নাম শোনা যাচ্ছে। তার সঙ্গে জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি ফজলে রাব্বী স্মরণের নামও মাঠে শোনা যাচ্ছে।
ছাতক উপজেলায় গতবার আ.লীগ সমর্থিত প্রার্থী ছিলেন অলিউর রহমান চৌধুরী বকুল। এবারো তিনি নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবেন। এছাড়া আ.লীগ থেকে এবার উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ নেতা শামীম আহমদ চৌধুরীর নাম জোর আলোচনায় রয়েছে। তিনি প্রার্থী হলে দলীয় মনোনয়ন প্রায় নিশ্চিত বলে জানিয়েছেন অনেকে। তাছাড়া ভাইস চেয়ারম্যান ও উপজেলা যুবলীগের সভাপতি আবু সাদাত লাহিনও উপজেলা পরিষদে মনোনয়ন চাইতে পারেন এমন আভাস দিয়েছেন তার সমর্থকরা।
দোয়ারাবাজার উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে আ.লীগ সমর্থিত উপজেলা চেয়ারম্যান মুক্তিযোদ্ধা ইদ্রিস আলী বীরপ্রতীক এবারও প্রধান আলোচনায়। তার সঙ্গে উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান পদে সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে আমিরুল ইসলাম ও আওয়ামী লীগ নেতা ফরিদ আহমদ তারেকের নামও শোনা যাচ্ছে।
তাহিরপুর উপজেলায় এবার আলোচিত প্রার্থী হলেন জেলা আওয়ামী লীগের কৃষি ও সমবায় বিষয়ক সম্পাদক ও সাবেক ছাত্রনেতা করুণা সিন্ধু চৌধুরী বাবুল। তার পক্ষে ইতোমধ্যে সমর্থকরা মাঠে প্রচারণা শুরু করে দিয়েছেন। সম্প্রতি জাতীয় নির্বাচনে সুনামগঞ্জ-১ আসনে দলীয় প্রার্থীর পক্ষে টানা প্রচারণা চালিয়ে আলোচনায় ছিলেন এই ত্যাগী নেতা। তিনি প্রার্থী হলে কর্মীরা উজ্জীবিত হবেন বলে জানিয়েছেন অনেকে। তার সঙ্গে জেলা পরিষদ সদস্য আবুল হোসেন খান, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক অমল কান্তি কর দলীয় মনোনয়ন চাইতে পারেন বলে জানা গেছে।
বিশ্বম্ভরপুর উপজেলায় আলোচনায় আছেন বেনজির আহমেদ মানিক, ধনপুর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম তালুকদার, জেলা যুবলীগের সদস্য রনজিত চৌধুরী রাজন, ভাইস চেয়ারম্যান সোলেমান তালুকদার ও সাংবাদিক মাহতাব উদ্দিন তালুকদার। আরো কয়েকজন প্রার্থীও মনোনয়ন চাইতে পারেন।
জামালগঞ্জ উপজেলায় ইউপি চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি রেজাউল করিম শামীম আছেন প্রধান আলোচনায়। তার সঙ্গে সাবেক উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও মুক্তিযোদ্ধা ইউসুফ আল আজাদও মাঠে আছেন।
ধর্মপাশা উপজেলায় জেলা পরিষদ সদস্য শামীম আহমদ মুরাদের নাম শোনা যাচ্ছে। তাছাড়া শামীম আহমদ বিলকিস ও আলমগীর কবিরের নামও চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে শোনা যাচ্ছে।
দিরাই উপজেলায় বর্তমান উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান হাফিজুর রহমান তালুকদার আছেন মূল আলোচনায়। তার সঙ্গে যুবলীগ সভাপতি প্রদীপ রায়ের নামও শোনা যাচ্ছে।
শাল্লা উপজেলায় গতবারের আ.লীগ সমর্থিত প্রার্থী আল আমিন চৌধুরী ও সাবেক উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান অবনী মোহন দাসের নামও শোনা যাচ্ছে। তাদের সমর্থকরা ইতোমধ্যে প্রচারণা শুরু করে দিয়েছেন।
জগন্নাথপুর উপজেলায় সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান আকমল হোসেন, প্রবাসী আ.লীগ নেতা লুৎফুর রহমানের নামও শোনা যাচ্ছে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে। তাছাড়া সাবেক পৌর চেয়ারম্যান মিজানুর রহমানের নামও রয়েছে আলোচনায়।

Print Friendly, PDF & Email

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর
themesbazarhaor24net
© All rights reserved © 2019 haor24.net
Theme Download From ThemesBazar.Com
error: Content is protected !!