স্টাফ রিপোর্টার::
সুনামগঞ্জের দুটি আসনে মনোনয়ন জমা দিয়েছেন বিশিষ্ট ইমিগ্রেশন আইনজীবী ড. মো. এম আর খালেদ তুষার। সুনামগঞ্জ-৩ আসনে (স্বতন্ত্র) এবং সুনামগঞ্জ-৪ আসনে এলডিপির প্রার্থী হিসেবে তিনি মনোনয়ন জমা দেন।
২৯ ডিসেম্বর সোমবার বিকেলে ড. মো. এম আর খালেদ তুষার দলীয় নেতাকর্মীসহ শান্তিগঞ্জ ও সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার দলীয় নেতাকর্মীসহ স্থানীয় সরকারের নির্বাচিত প্রতিনিধি এবং বিভিন্ন পেশাজীবী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
ড. মো. এম আর খালেদ তুষার সুনামগঞ্জ জেলার শান্তিগঞ্জ উপজেলার পূর্ববীরগাঁও ইউনিয়নের বীরগাঁও গ্রামের কৃতী সন্তান ও সুপ্রীম কোর্টের বিশিষ্ট আইনজীবী বীর মুক্তিযোদ্ধা এ কে খালেদ’র পুত্র। তার পিতা একাত্তরের রণাঙ্গণের একজন দুঃসাহসী যোদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধা।
দেশের একজন ইমিগ্রেশন আইনজীবী হিসেবে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ইমিগ্রেশন এন্ড ফেডারেল কোর্টে কাজ করে আসছেন। ছাত্রজীবন থেকেই তিনি রাজনীতিতে সক্রিয়। তুষার ২০১৮ সালে ছাতা মার্কা নিয়ে সুনামগঞ্জ-৩ আসনে প্রতিদ্বন্ধীতা করেন। ২০২৪ সালেও তিনি জাতীয় নির্বাচনে মনোনয়নপত্র জমা দিলে ষড়যন্ত্র করে তার মনোনয়ন বাতিল করা হয়। তবে বরাবরই তিনি এলাকার স্বার্থে সাধারণ মানুষের অধিকার আদায়ে মাঠে কাজ করে যাচ্ছেন। সাধারণ মানুষের উন্নয়ন ও অধিকার আদায়ের সংগ্রাম এবং মহান মুক্তিযুদ্ধের অর্জনকে রক্ষায় তিনি জাতীয় নির্বাচনে প্রার্থীতা দিয়ে মনোনয়ন জমা দিয়েছেন। শেষ পর্যন্ত তিনি মাঠে ভোটযুদ্ধ চালিয়ে যাবেন বলে জানান।
ড. মো. এম আর খালেদ তুষার বলেন, আমি বিশ্বাসী জগন্নাথপুর, শান্তিগঞ্জ আসনের বিবেকবান মানুষের সমর্থন পাবো। জাতীয় সংসদ নির্বাচনে যোগ্যতার মানদ-ে আমি জনগণের রায় পাবো বলে আশা করি। নিজ এলাকার সুনাম রক্ষার্থে চাটুকার, নেতা পুঁজারি, তেলবাজ, দুর্নীতিবাজ, চাদাবাজ, সন্ত্রাসী, লুটেরা এবং ভোট ক্রেতাদের পরিহার করে সাধারণ জনগণকে নিয়ে মাঠে কাজ করে যাবো। জনগণ যে রায় দেয় সেই রায় মেনে নেবো।