1. haornews@gmail.com : admin :
  2. editor@haor24.net : Haor 24 : Haor 24
সোমবার, ১৭ জুন ২০২৪, ০৮:৫৬ পূর্বাহ্ন

প্রশিক্ষণ বিমানের সেই পাইলটের মৃত্যু

  • আপডেট টাইম :: শনিবার, ১১ মে, ২০২৪, ১.৪৩ পিএম
  • ১৮ বার পড়া হয়েছে

হাওর ডেস্ক::
বৃহস্পতিবার (৯ মে) দুপুর ১২টার দিকে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আসিম জাওয়াদের মৃত্যু হয়।

স্কোয়াড্রন লিডার আসিম জাওয়াদ মানিকগঞ্জ জেলার সাটুরিয়া থানার গোপালপুর গ্রামের ড: আমান উল্লাহ ও নীলুফা আক্তারের ছেলে।

তিনি ২০০৭ সালে সাভার ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল থেকে এসএসসি, ২০০৯ সালে সাভার ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক কলেজ থেকে এইচএসসি এবং ২০১২ সালে বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালস্ থেকে বিএসসি (এ্যারো) পাশ করেন। ২০১০ সালের ১০ জানুয়ারি বাংলাদেশ বিমান বাহিনীতে যোগদান করেন এবং ২০১১ সালের ১ ডিসেম্বর ক্যাডেটদের জন্য সর্বোচ্চ সম্মান সোর্ড অব অনার প্রাপ্তিসহ জিডি (পি) শাখায় কমিশন লাভ করেন।

চাকরিকালীন সময়ে আসিম বিমান বাহিনীর বিভিন্ন ঘাঁটি ও ইউনিটে গুরুত্বপূর্ণ পদে নিয়োজিত ছিলেন। তিনি পেশাদারী দক্ষতা ও সাফল্যের স্বীকৃতিস্বরূপ ‘মফিজ ট্রফি’, ‘বিমান বাহিনী প্রধান ট্রফি’ ও বিমান বাহিনী প্রধানের প্রশংসাপত্র লাভ করেন। এছাড়াও ভারতীয় বিমান বাহিনীতে কোর্সে অংশগ্রহণ করে সাফল্যের স্বীকৃতিস্বরূপ ‘Chief of Air Staff’s Trophy for Best in Flying (Indian Air Force)’ অর্জন করেন।

মামা সরুজ খান আসিমের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছেন। তবে আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদফতর (আইএসপিআর) এখনও নিশ্চিত করেনি।

এর আগে বেলা ১১টার দিকে চট্টগ্রামের পতেঙ্গায় অবতরণের আগে বিমান বাহিনীর প্রশিক্ষণ বিমানে আগুন লেগে পতেঙ্গার কর্ণফুলী নদীর মোহনায় পড়ার আগে প্যারাশুট দিয়ে নেমে আসেন পাইলট আসিম ও কো-পাইলট সোহান। এরপর তাদের হাসপাতালে নেয়া হয়। সেখানেই আসিমের মৃত্যু হয়।

আইএসপিআর তখন জানায়, বিমান বাহিনীর ইয়াক-১৩০ (YAK 130) প্রশিক্ষণ যুদ্ধবিমানটি ‘যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে’ দুর্ঘটনায় পড়ে। বিমানের আহত ২ পাইলটকে উদ্ধার করা হয়েছে। এদের মধ্যে একজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।

আরও পড়ুন: প্রশিক্ষণ বিমান বিধ্বস্ত, ২ পাইলট নামলেন প্যারাসুটে

চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের (সিএমপি) বন্দর জোনের উপকমিশনার শাকিলা সোলতানাও এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের অদূরে অবস্থিত বিমান বাহিনীর জহুরুল হক ঘাঁটিতে প্রশিক্ষণ শেষে নামার সময় যান্ত্রিক ত্রুটি দেখা দেয়। এ সময় জরুরি অবতরণের আগে বিমানটির চাকার নিচের অংশে আগুন ধরে যায়। পরে পতেঙ্গায় কর্ণফুলী নদীর মোহনায় বিমানটি অবতরণ করা হয়। এ সময় বিমানের পাইলট ও কো-পাইলট প্যারাশুট দিয়ে নিরাপদে নেমে আসেন।

তাদের উদ্ধার করে সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে ভর্তি করা হয় বলেও জানান উপকমিশনার শাকিলা সোলতানা।

Print Friendly, PDF & Email

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর
themesbazarhaor24net
© All rights reserved © 2019-2024 haor24.net
Theme Download From ThemesBazar.Com
error: Content is protected !!