1. haornews@gmail.com : admin :
  2. editor@haor24.net : Haor 24 : Haor 24
শনিবার, ০৬ জুন ২০২৬, ০৪:৩৭ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
`কাচইরা’ বছরে সর্বনাশ হাওরে চেটেপুটে খেয়ে সুনামগঞ্জ ছাড়লেন জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার! সুনামগঞ্জে বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস পালিত নিজের স্বার্থের জগতে ড. ইউনূসের যাদুর ছোঁয়া: দেড় বছরে তার যত বেআইনি কারবার! হাওরে জলাবদ্ধতায় নষ্ট হওয়ার পথে ১০ হাজার হেক্টরের বেশি বোরো ধান সুনামগঞ্জের ৫ আসনে কেন্দ্র ঘোষিত ফলাফলে বিএনপির ৫ প্রার্থী বিপুল ভোটে জয়ী নির্বাচন সামনে রেখে এমএফএস লেনদেনে কড়াকড়ি, ক্যাশ-ইন ও ক্যাশ-আউট বন্ধ ৯৬ ঘণ্টা (আরও জানুন) ব্রিটিনে সেরা বাংলাদেশি সাংবাদিক নির্বাচিত হলেন সুনামগঞ্জের মাসুম মালয়শিয়ায় বাংলাদেশের ছয় শিক্ষার্থীদের নিয়ে পুত্রা মালয়েশিয়া ইউনিভার্সিটির ফুটবল টুর্নামেন্ট সম্পন্ন বিশ্বম্ভরপুরে র‌্যাবের অভিযানে মদ ও ভারতীয় কসমেটিক্স জব্দ

শিক্ষিত প্রজন্মের কাছে আমরা সম্মান চাই: বীর মুক্তিযোদ্ধা রুমা চক্রবর্তী এমপি

  • আপডেট টাইম :: শুক্রবার, ২৬ জুলাই, ২০২৪, ৬.৪৩ পিএম
  • ১০৩ বার পড়া হয়েছে

বিশেষ প্রতিনিধি::
সুনামগঞ্জ-মৌলভীবাজার সংরক্ষিত আসনের এমপি বীর মুক্তিযোদ্ধা রুমা চক্রবর্তীকে সংবর্ধনা দিয়েছে সুনামগঞ্জ জেলা ও সদর উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ ইউনিট। শুক্রবার সকালে জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স ভবনে সংবর্ধনাসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন তিনি। এসময় বীর মুক্তিযোদ্ধা, আওয়ামী লীগের নেতাকর্মী, মুক্তিযোদ্ধার সন্তানরাসহ সুধীজন উপস্থিত ছিলেন।
সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বীর মুক্তিযোদ্ধা রুমা চক্রবর্তী বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় পড়–য়া শিক্ষিত প্রজন্মের কাছে আমরা সম্মান চাই। আমরা দেশ স্বাধীন করেছিলাম রক্ত দিয়ে, ইজ্জত দিয়ে। আমাদের কাছে দেশটাই বড়ো ছিল। কোনও কিছু পাওয়ার বিনিময়ে আমরা মুক্তিযুদ্ধে যাইনি। এখন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে ‘রাজাকার’ স্লোগান শোনা আমাদের জন্য বড়ো অসম্মানের। তাদের মুখে এটা শোনার আগে আমাদের মরে যাওয়া উচিত ছিল। আমরা তাদের কাছ থেকে কিছু আশা করিনা। সম্মান আশা করি। আর আমাদের বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মান প্রতিষ্ঠা করেছেন জাতির পিতার কন্যা শেখ হাসিনা। বীর মুক্তিযোদ্ধা রুমা চক্রবর্তী আরো বলেন, আমি যখন মুক্তিযুদ্ধে যাই তখন আমার বয়স ছিল মাত্র ১৭ বছর। আমার বড় বোন তার দুই বাচ্চা মায়ের কাছে রেখে যুদ্ধে গিয়েছিলেন আমাকে নিয়ে। আমরা মুজিবনগর সরকারের অধীনে কাজ করেছি। আহত বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সেবা দিয়েছি। কিছু পাওয়ার আশায় করিনি। যখন ভয়াল ৭৫ আসে, জাতির পিতা ও তার পরিবারকে সপরিবারে হত্যা করে তখন আমরা পরিচয় গোপন করে চলাফেরা করেছিলাম। আমাদের এই জায়গা থেকে সম্মান দিয়েছেন জাতির পিতার কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এখন প্রধানমন্ত্রীকে মারার জন্য দুষ্কৃতিকারীরা আন্দোলনের নামে নাশকতা করেছে। কিন্তু তারা তাকে মারতে পারেনি। এখন আমাদের সব মুক্তিযোদ্ধাদের কর্তব্য তার পাশে থাকা। তার নেতৃত্বে দেশের শান্তি ও কল্যাণের জন্য কাজ করতে হবে। যারা আন্দোলনের নামে নাশকতা ও অরাজকতা করেছে তাদের করতেই হবে।
বিএনপি জামায়াতের আমলে অমুক্তিযোদ্ধা মুক্তিযোদ্ধা হয়ে গেছে মন্তব্য করে তিনি বলেন, বিএনপির সময় আমাকে বলা হয়েছিল মুক্তিযোদ্ধা সার্টিফিকেটের জন্য টাকা দিতে হবে। আমি বলেছিলাম টাকা দিয়ে আমি সার্টিফিকেট নেবনা। আমরা নেইনি। পরে শেখ হানিসনার সরকার সম্মান দিয়ে আমাদের স্বীকৃতি দিয়েছে। এই দেশে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মান প্রতিষ্ঠা করেছেন শেখ হাসিনাই।
বীর মুক্তিযোদ্ধা আবু সুর্ফিয়ানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক নোমান বখত পলিন, মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক জেলা কমা-ার হাজি নূরুল মোমেন, সদর উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমা-ার আব্দুল মজিদ প্রমুখ।


প্রিন্ট

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর
themesbazarhaor24net
© All rights reserved © 2019-2024 haor24.net
Theme Download From ThemesBazar.Com
error: Content is protected !!