1. haornews@gmail.com : admin :
  2. editor@haor24.net : Haor 24 : Haor 24
শুক্রবার, ১৪ জুন ২০২৪, ০৬:৫৯ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
সুনামগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট মেম্বার হলেন মান্নান-সাদিক এমপি সুনামগঞ্জ সদর উপজেলা পার্কে নারী নির্যাতন: তিন বখাটে গ্রেপ্তার কানাডাকে হারিয়ে স্বস্তির জয়ে টিকে রইল পাকিস্তান ভারতে এই তীব্র গরমে আরও ৮ জনের মৃত্যু নারায়ণগঞ্জে ফ্ল্যাটের বারান্দায় ঝুলন্ত কলেজ ছাত্রের মরদেহ রূপার চেইনের জন্য ধর্ষণের পর শিশুটিকে হত্যা করা হয়েছে: র‌্যাব সিলেট টিলা ধসে মৃত্যুর ঘটনায় জেলা প্রশাসনের তদন্ত কমিটি লেবাননের বিপক্ষে হেরে বিশ্বকাপ বাছাই থেকে শেষ বাংলাদেশ বাংলাদেশের নাটকীয় পরাজয়ে তামিম-মরকেল-ওয়াকারদের নিয়ম পুনর্বিবেচনায় রোনালদোর অনন্য কীর্তির দিনে পর্তুগালের দারুণ এক জয়

পানিতে ডুবে ১৯ মাসে দেড় হাজার মৃত্যু

  • আপডেট টাইম :: সোমবার, ২৬ জুলাই, ২০২১, ২.৪১ পিএম
  • ১৬৩ বার পড়া হয়েছে

হাওর ডেস্ক::
বাংলাদেশে পানিতে ডুবে মৃত্যুর হার কমছে না। গত ১৯ মাসে এক হাজার ৫১২ জন পানিতে ডুবে মারা গেছেন বলে গ্লোবাল হেলথ অ্যাডভোকেসি ইনকিউবেটর নামে একটি এনজিওর এক সমীক্ষায় উঠে এসেছে।
এদের মধ্যে এক হাজার ৩৩২ জন পানিতে পড়ে মারা গেছেন। বাকিদের মৃত্যু হয়েছে বিভিন্ন নৌযান দুর্ঘটনায়। খবর বিবিসির।
এ জন্য শিশুদের বাধ্যতামূলক সাঁতার শেখানোর ওপর জোর দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।
২০২০ সালের জানুয়ারি থেকে এ বছরের ২৩ জুলাই পর্যন্ত গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদের ভিত্তিতে এই তথ্য তুলে ধরা হয়।
এই সময়ের মধ্যে পানিতে ডুবে মৃত্যুর ঘটনা সবচেয়ে বেশি ঘটেছে কুড়িগ্রাম জেলায়। প্রায় ৬৩ জনের মতো। বর্ষা এলেই এ দুর্ঘটনার হার যেন বেড়ে যায়।
এর কারণ হিসেবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ওই অঞ্চলে প্রলম্বিত বন্যা ও জলাবদ্ধতার কারণেই এত পানিতে ডুবে মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে।
এ ছাড়া বাংলাদেশ হেলথ অ্যান্ড ইনজুরি সার্ভের সবশেষ প্রতিবেদনেও দেখা গেছে, বাংলাদেশে আঘাতপ্রাপ্ত হয়ে মৃত্যুর তিন নম্বর কারণ পানিতে ডুবে যাওয়া।
তবে শিশুমৃত্যুর ক্ষেত্রে এখন এটিই প্রধান কারণ। গত ১৯ মাসে যারা মারা গেছেন, তাদের ৭০ শতাংশই শিশু।
এ ছাড়া দ্য সেন্টার ফর ইনজুরি প্রিভেনশন অ্যান্ড রিসার্চ বাংলাদেশে (সিআইপিআরবি) এবং আইসিডিডিআরবির গবেষণায় দেখা গেছে, প্রতি বছর প্রায় ১৪ হাজার শিশু পানিতে ডুবে মারা যায়।
অর্থাৎ প্রতিদিন গড়ে ৪০ শিশু পানিতে ডুবে প্রাণ হারায়। যাদের ৩০ জনেরই বয়স পাঁচ বছরের কম।
অন্যদিকে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার হিসাব অনুযায়ী, বাংলাদেশে পানিতে ডুবে আহত হয় অন্তত এক লাখ শিশু, যাদের মধ্যে ১৩ হাজার পঙ্গু হয়ে পড়ে।
বাংলাদেশে মানুষের মৃত্যুহার কমাতে বিভিন্ন রোগ প্রতিরোধকে এসডিজির অন্তর্ভুক্ত করা হলেও সেখানে পানিতে ডুবে মৃত্যু প্রতিরোধ গুরুত্ব পায়নি।
ফলে অসুস্থতাজনিত কারণে শিশুমৃত্যুর হার কমে গেলেও, পানিতে ডুবে মৃত্যুর হার আগের মতোই আছে।
এ নিয়ে সমষ্টি নামে একটি প্রতিষ্ঠান দীর্ঘদিন ধরে কাজ করছে। সেখানকার পরিচালক মীর মাসরুর জামান এ ধরনের মৃত্যুর পেছনে প্রধান কিছু কারণ চিহ্নিত করেন।
তিনি বলেন, শিশুদের ক্ষেত্রে প্রধান কারণ হলো দিনের বেলায় একটি সময় তারা বাবা মায়ের তত্ত্বাবধানে থাকে না।
এ ছাড়া বাংলাদেশের বেশিরভাগ এলাকা নদী-নালা, খাল-বিল, ডোবা-পুকুরে বেষ্টিত হওয়ায় শিশুরা অসাবধানতায় এসব জলাশয়ে ডুবে যায়।
শিশুদের বাধ্যতামূলক সাঁতার শেখানোর ওপর জোর দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।
অন্যদিকে ছোট-বড় সবার ক্ষেত্রেই পানিতে ডুবে যাওয়ার প্রধান কারণ হিসেবে ধরা হয় সাঁতার শেখার কোনো ব্যবস্থা না থাকাকে।
সেই সঙ্গে নৌযান দুর্ঘটনা, বন্যা, জলাবদ্ধতা এবং ধীরগতির উদ্ধার তৎপরতাকেও পানিতে ডুবে মৃত্যুর অন্যতম কারণ হিসেবে ধরা হয়।
এ ক্ষেত্রে শিশুদের দিনের বেলায় তত্ত্বাবধানে রাখতে ডে কেয়ার স্থাপন, জলাশয়ের আশপাশে বেড়া দেওয়ার পাশাপাশি প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করা স্কুল থেকে শুরু করে কমিউনিটি পর্যায় সাঁতার শেখা বাধ্যতামূলক করা, সেই সঙ্গে নৌযান চলাচল নিরাপদ করার ওপর জোর দিয়েছেন জামান।
গত এপ্রিলে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ এ বিষয়ে একটি প্রস্তাব গ্রহণ করে এবং পানিতে ডুবে মৃত্যুকে নীরব মহামারি হিসেবে স্বীকৃতি দেয়।
তার পর থেকে এ পর্যন্ত সরকারিভাবে কোনো উদ্যোগ গ্রহণ করতে দেখা যায়নি।
তবে এ নিয়ে ১৬টি দুর্ঘটনাপ্রবণ জেলায় একটি প্রকল্প অনুমোদনের অপেক্ষায় আছে বলে জানান মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব নার্গিস খানম।
সেখানে মূলত ১-৫ বছর বয়সি শিশুদের জন্য সকাল ৯টা থেকে বেলা ২টা পর্যন্ত ডে কেয়ার সেবা এবং ৬ থেকে ১০ বছর বয়সি শিশুদের সাঁতার শেখার আওতায় আনা হবে বলে তিনি জানান।
নার্গিস খানম আশা করছেন, চলতি বছরের অক্টোবর নাগাদ প্রকল্পটি একনেকে পাস হবে। এবং এর ছয় মাসের মধ্যে কাজ শুরু হবে।
এদিকে পানিতে ডুবে এ মৃত্যু প্রতিরোধে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর চার বছর আগে একটি জাতীয় কৌশলের খসড়া করলেও সেটি আজও চূড়ান্ত হয়নি।

Print Friendly, PDF & Email

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর
themesbazarhaor24net
© All rights reserved © 2019-2024 haor24.net
Theme Download From ThemesBazar.Com
error: Content is protected !!