1. haornews@gmail.com : admin :
  2. editor@haor24.net : Haor 24 : Haor 24
বৃহস্পতিবার, ০৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৩, ০৩:৩০ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
বেপরোয়া গাড়ির ধাক্কায় আহত বীর মুক্তিযোদ্ধা নূর মোহাম্মদের মৃত্যু দেশে মাথাপিছু আয় কমে ২৭৯৩ ডলার কাল এইচএসসি পরীক্ষার ফল প্রকাশ তুরস্ক-সিরিয়ায় ভূমিকম্পে আড়াই কোটি মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত ধর্মপাশার ৫০০ পরিবারকে শীতবস্ত্র উপহার দিলেন শ্রমিক লীগ সভাপতি সেলিম সিলেট বিভাগের ৭০০ কিলোমিটার নৌপথ সময় সচল রাখার পরিকল্পনা: চেয়ারম্যান বিআই ডব্লিউটিএ জলাভূমি পুনরুদ্ধারের এখনি শেষ সময় ।। পাভেল পার্থ আগামী জুনে রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্রের দ্বিতীয় ইউনিট চালু হবে ঢাকায় জমির কাঠা সর্বোচ্চ ৭ কোটি ৭৫, নিচে ৬০ লাখ! সুনামগঞ্জ ভূমি অফিসার্স কল্যাণ সমিতির নির্বাচনে সভাপতি সোয়েল, সম্পাদক কামাল ও সাংগঠনকি সম্পাদক জহুর নির্বাচিত

সুনামগঞ্জ-১ আসনে এমপি রতনের উদ্যোগ: নির্বাচনী প্রচারণায় মুখর আ.লীগের ৩৭ কার্যালয়

  • আপডেট টাইম :: সোমবার, ১৭ ডিসেম্বর, ২০১৮, ৮.৪৯ এএম
  • ১৯৩ বার পড়া হয়েছে

বিশেষ প্রতিনিধি::
গত দশ বছরে সাংগঠনিকভাবে বিরল ঘটনার জন্ম দিয়েছেন তৃতীয় বারের মতো সুনামগঞ্জ-১ আসনে আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী মোয়াজ্জেম হোসেন রতন। গত দশ বছরে তিনি নির্বাচনী এলাকার তিনটি উপজেলা ও একটি থানায় আওয়ামী লীগের নিজস্ব ৩৭টি কার্যালয় প্রতিষ্ঠা করেছেন। দৃষ্টিনন্দন এই কার্যালয় গুলো এখন তৃণমূল আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা প্রচারণায় মুখর। নির্বাচনী প্রচার, গণসংযোগ, পরিকল্পনাসহ নির্বাচনের সবধরনের কাজ চলছে অফিসগুলো থেকে। সম্প্রতি নির্বাচনকে সামনে রেখে অফিসগুলোতে নেতাকর্মীদের মধ্যে অফিস কেন্দ্রিক মুখরতা লক্ষ্য করা গেছে।
জেলার হাওর বেষ্টিত উপজেলা ধর্মপাশা, তাহিরপুর, জামালগঞ্জ উপজেলা এবং মধ্যনগর থানা নিয়ে গঠিত জেলার সর্ববৃহৎ নির্বাচনী এলাকা সুনামগঞ্জ-১। জলমহাল, বালুমহাল, পাথর মহাল, শুল্কস্টেশন ও পর্যটন এলাকার কারণে আসনটি বিপুল সম্ভাবনার। সরকারও নানা খাত থেকে মোটা অংকের রাজস্ব নিয়ে থাকে। যার ফলে এই আসনটিতে জনপ্রতিনিধি হতে আগ্রহী অনেক হেভিওয়েট নেতাও প্রতিটি নির্বাচনে তদবির করেন। এবারও ২১ জনের অধিক আওয়ামী লীগ নেতাকর্মী দলীয় মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছিলেন। শেষ পর্যন্ত শেখ হাসিনা সাংগঠনিক দক্ষতা, জনপ্রিয়তা ও গ্রহণযোগ্যতা বিবেচনায় মনোনয়ন দিয়েছেন বর্তমান সাংসদ তরুণ মোয়াজ্জেম হোসেন রতনকে। মোয়াজ্জেম হোসেন রতন ২০০৮ সালের জাতীয় নির্বাচনে চারদলীয় জোট প্রার্থী ডা. রফিক চৌধুরীকে প্রায় ১ লক্ষ ভোটের ব্যবধানে পরাজিত করে আলোচনার জন্ম দিয়েছিলেন। ২০১৪ সালের জাতীয় নির্বাচনেও তিনি সাবেক সাংসদ ও হেভিওয়েট স্বতন্ত্র প্রার্থী রফিকুল হক সোহেলকেও বিপুল ভোটে পরাজিত করেছিলেন।
রাজনৈতিক মহলও এবার এই বৃহত্তম আসনে তাকে সমীহ জাগানিয়া প্রার্থী হিসেবে বিবেচনা করছেন। মোয়াজ্জেম হোসেন রতন ধর্মপাশা উপজেলার নৌধার গ্রামের এক কৃষক পরিবারের সন্তান। সাধারণ পরিবারে জন্ম নেওয়ায় সাধারণ মানুষের প্রতিও তার বিশেষ আকর্ষণ ও মনোযোগ বলে মনে করেন দলীয় নেতাকর্মীরা।
নেতাকর্মীরা জানান, মোয়াজ্জেম হোসেন রতন সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার পরেই তৃণমূল আওয়ামী লীগকে সংগঠিত করার উদ্যোগ নেন। এই উদ্যোগের অংশ হিসেবে তিনি গত দশ বছরে আওয়ামী লীগের নামে ৩৭টি স্থানে স্থানীয় নেতাকর্মীদের সহায়তায় জমি কিনেন। কোনটি তিন তলা বিশিষ্ট কোনটি পাকা টিনশেডের অবকাঠামো বাস্তবায়ন করেন। ইতোমধ্যে ২০টিরও বেশি অফিসের কাজ শেষ। বাকিগুলোরও চলতি মাসেই নির্মাণ কাজ শেষ হবে। অফিস প্রতিষ্ঠার কাজে তিনি দলের শীর্ষ নেতাসহ তৃণমূল নেতাদেরও পরামর্শ ও সহযোগিতা নিয়েছেন। তবে সবচেয়ে বেশি পৃষ্ঠপোষকতা করেছেন তিনি। তবে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন পরিচালনার লক্ষে প্রতিটি অফিসকেই সুসজ্জিত করা হয়েছে। ব্যক্তিগত উদ্যোগে তিনি অফিসগুলোতে চোয়ার টেবিল, টিভি, বিদ্যুৎ ও সাউন্ডসিস্টেম করে দিয়েছেন। ঘরোয়া সভা এখন সহজেই করতে পারেন নেতাকর্মীরা। প্রতিদিনই ৩৭টি অফিসে নির্বাচন পরিচালনা ও পরিকল্পনা সংয়ক্রান্ত জরুরি বৈঠক করছেন স্থানীয় নেতাকর্মীরা। স্থানীয় নেতাকর্মীদের দাবি বাংলাদেশের কোথাও এতগুলো নিজস্ব মালিকানাধীন দলীয় অফিস নেই। এটি সংসদ সদস্য মোয়াজ্জেম হোসেন রতন তৃণমূল আওয়ামী লীগকে সংগঠিত করে তাদের সবসময় দলীয় কাজে উজ্জীবিত রাখতেই পরিকল্পিতভাবে নির্মাণের উদ্যোগ নিয়ে সফল হয়েছেন বলে তারা মনে করেন।
জেলা শ্রমিক লীগের সভাপতি ও এই আসনের ভোটার সেলিম আহমেদ বলেন, সাচনা, বাদাঘাটসহ বিভিন্ন স্থানে এমপি মোয়াজ্জেম হোসেন রতন তিনতলা বিশিষ্ট দৃষ্টিনন্দন আওয়ামী লীগের নিজস্ব দলীয় কার্যালয় করে দিয়েছেন। সাধারণ মানুষের নেতা ও শেখ হাসিনার বিশ্বস্থ কর্মী হিসেবে মোয়াজ্জেম হোসেন রতন আওয়ামী লীগকে কতটা ভালোবাসেন এটা একটা অনুকরণীয় উদাহরণ। তিনি প্রতিটি অফিসেই অর্থায়ন করে পরিকল্পিতভাবে অফিস করেছেন। সেই অফিসগুলো স্থানীয় নেতৃবৃন্দই পরিচালনা করছেন। এ কারণে মোয়াজ্জেম হোসেন রতন তৃণমূলে ব্যাপক জনপ্রিয়। আবারও তিনি বিপুল ভোটে নির্বাচিত হবেন।
সাবেক ছাত্রনেতা ও জেলা আওয়ামী লীগের কৃষি ও সমবায় বিষয়ক সম্পাদক করুণা সিন্ধু চৌধুরী বাবুল বলেন, আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে তৃণমূলকে সংগঠিত ও উজ্জীবিত রাখার বিরল উদ্যোগ বাস্তবায়ন করে সফল হয়েছেন সুনামগঞ্জ-১ আসনের সাংসদ মোয়াজ্জেম হোসেন রতন। এ কারণে আওয়ামী লীগের ইতিহাসে তার নাম স্বর্ণাভ অক্ষরে লেখা থাকবে। তিনি গত ১০ বছরে ৩৭টি স্থানে আওয়ামী লীগের নামে নিজস্ব দলীয় কার্যালয় প্রতিষ্ঠায় অকুণ্ঠ পৃষ্ঠপোষকতাই করেননি মূল কাজটিই করেছেন। এর মধ্যে ২০টিরও বেশি অফিস চালু হয়েছে। অফিসগুলো এখন তৃণমূল আওয়ামী লীগের প্লাটফরম হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। তিনি বলেন, একজন মানুষের দলের প্রতি ভালোবাসা কতটা দরদ থাকলে এমন কাজ করতে পারেন তা ভাবলেই শ্রদ্ধা জাগে।
সুনামগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য ও একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী মোয়াজ্জেম হোসেন রতন বলেন, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শ ও তার সুযোগ্য কন্যা শেখ হাসিনার অনুপ্রেরণায় আমি নিজেকে সবসময় তৃণমূল আওয়ামী লীগের একজন ক্ষুদ্রকর্মী। আমি আমার জায়গা থেকে তৃণমূল আওয়ামী লীগকে ঐক্যবদ্ধ ও সংগঠিত রাখতে তাদের জন্য নিজস্ব দলীয় কার্যালয় করে দিয়েছি। নেতাকর্মীরা আমাকে এ কাজে নানাভাবে সহযোগিতা করেছেন। নেতাকর্মীরা যাতে সবসময় দলের পক্ষে নিরলস কাজ করতে পারেন এজন্যই এই চেষ্টা। আগামীতেও নির্বাচনী এলাকার গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলোতে নিজস্ব দলীয় কার্যালয় প্রতিষ্ঠা করা হবে।
সুনামগঞ্জ-৩ আসনে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী ও অর্থ-পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী এমএ মান্নান বলেন, মোয়াজ্জেম হোসেন রতন একজন পরিশ্রমী ও কর্মট তরুণ নেতা। তাকে জননেত্রী শেখ হাসিনা ব্যক্তিগতভাবে পছন্দ করেন। নেত্রী আমাকে বিভিন্ন সময়ে তার সম্পর্কে ভালো বলেছেন। সম্ভাবনাময় এই নেতার এমন একটি কাজ দলের জন্য বিশাল অর্জন।

Print Friendly, PDF & Email

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর
themesbazarhaor24net
© All rights reserved © 2019 haor24.net
Theme Download From ThemesBazar.Com
error: Content is protected !!