স্টাফ রিপোর্টার::
সুনামগঞ্জে মাতৃদুগ্ধ সপ্তাহ উপলক্ষে ৬ উপজেলার ৭০টি কমিউনিটি ক্লিনিকের কর্মীদের নিয়ে ‘মাতৃদুগ্ধের গুরুত্ব এবং করোনাকালীন সময়ে মা ও সেবাকর্মীদের করণীয়’ শীর্ষক দিনব্যাপী এক ব্যতিক্রমী অনলাইন অরিয়েন্টেশন অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহষ্পতিবার সকাল থেকে দিনব্যাপী অনুষ্ঠিত অরিয়েন্টেশনে স্বাস্থ্যবিভাগের কর্মকর্তাবৃন্দও উপস্থিত ছিলেন। ওরিয়েন্টেশনে ৬ মাস পর্যন্ত শিশুদের কেবল মাতৃদুগ্ধ পান করানোর গুরুত্বারোপ করা হয়। তাছাড়া করোনাকালীন কিভাবে শিশুদের মাতৃদুগ্ধ পান করানো হবে তার কৌশল নিয়েও আলোচনা করা হয়।
সুনামগঞ্জ জেলা পুষ্টি সমন্বয় কমিটির উদ্যোগে এবং কালেক্টিভ ইম্প্যাক্ট ফর নিউট্রিশন (সিআইফরএন) ইনিশিয়েটিভ ‘কেয়ার বাংলাদেশ’র কারিগরি সহযোগিতায় অনলাইন ভিত্তিক এই অরিয়েন্টেশন উদ্বোধন করেন সুনামগঞ্জের ডেপুটি সিভিল সার্জন ডা. মো. আশরাফুল হক।
জেলার হাওর উপজেলা হিসেবে পরিচিত দিরাই, শাল্লা, দোয়ারাবাজার, ধর্মপাশা, জামালগঞ্জ ও তাহিরপুর উপজেলার ৭০জন কমিউনিটি ক্লিনিকের কমিউনিটি হেল্থ কেয়ার প্রোভাইডারগণ (সিএইচসিপি) এতে অংশ নেন। অনলাইনভিত্তিক এই কর্মশালাটি সঞ্চালন করেন কালেক্টিভ ইম্প্যাক্ট ফর নিউট্রিশন ইনিশিয়েটিভ, কেয়ার বাংলাদেশ এর টেকনিক্যাল অফিসার ও ভারপ্রাপ্ত এম ইএন্ড ডি অফিসার অরূপ রতন দাশ। অনলাইন ওরিয়েন্টেশনে সিআইফরএন ইনিশিয়েটিভ, কেয়ার বাংলাদেশ প্রকল্পের টেকনিক্যাল অফিসারদের মধ্যে মোঃ আব্দুল আলীম, মোঃ আব্দুস শুকুর ও মোঃ আলাউদ্দিন হোসেনও সক্রিয় অংশগ্রহণ করেন। অনুষ্ঠানে কারিগরি সহযোগিতায় ছিলেন কেয়ার বাংলাদেশ এর আইসিটি অফিসার একরামুল হক।
শিশুদের মাতৃদুগ্ধ পানের পক্ষে প্রচারণা বৃদ্ধির লক্ষ্যে বৈশ্বিক ও স্থানীয় প্রচেষ্টা বিষয়ক পাওয়ার পয়েন্ট প্রেজেন্টেশন উপস্থাপন করেন এডভোকেসি এন্ড ক্যাপাসিটি বিল্ডিং, সিআইফরএন ইনিশিয়েটিভ, কেয়ার বাংলাদেশ’র সিনিয়র টেকনিক্যাল কোর্ডিনেটর এম হাফিজুল ইসলাম। করোনাকালীন মাতৃদুগ্ধ দান অব্যাহত রাখার কৌশল ও পরামর্শ সম্পর্কিত তথ্যপূর্ণ পাওয়ার পয়েন্ট প্রেজেন্টেশন উপস্থাপন করেন মোঃ হাসানউজ্জামান। ওরিয়েন্টেশনে অতিথিদের মধ্যে আরো বক্তব্য দেন জগন্নাথপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডাঃ মধু সুধন ধর।