1. haornews@gmail.com : admin :
  2. editor@haor24.net : Haor 24 : Haor 24
শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬, ১২:৩১ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
সুনামগঞ্জে বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস পালিত নিজের স্বার্থের জগতে ড. ইউনূসের যাদুর ছোঁয়া: দেড় বছরে তার যত বেআইনি কারবার! হাওরে জলাবদ্ধতায় নষ্ট হওয়ার পথে ১০ হাজার হেক্টরের বেশি বোরো ধান সুনামগঞ্জের ৫ আসনে কেন্দ্র ঘোষিত ফলাফলে বিএনপির ৫ প্রার্থী বিপুল ভোটে জয়ী নির্বাচন সামনে রেখে এমএফএস লেনদেনে কড়াকড়ি, ক্যাশ-ইন ও ক্যাশ-আউট বন্ধ ৯৬ ঘণ্টা (আরও জানুন) ব্রিটিনে সেরা বাংলাদেশি সাংবাদিক নির্বাচিত হলেন সুনামগঞ্জের মাসুম মালয়শিয়ায় বাংলাদেশের ছয় শিক্ষার্থীদের নিয়ে পুত্রা মালয়েশিয়া ইউনিভার্সিটির ফুটবল টুর্নামেন্ট সম্পন্ন বিশ্বম্ভরপুরে র‌্যাবের অভিযানে মদ ও ভারতীয় কসমেটিক্স জব্দ সুনামগঞ্জ-১: বিএনপির চূড়ান্ত মনোনয়ন পেলেন জনপ্রিয় নেতা কামরুল সুনামগঞ্জে দুইদিন ব্যাপী শিশু সাংবাদিকতা বিষয়ক কর্মশালা সম্পন্ন

বেশিদিন বেঁচে থাকার রহস্য ফাঁস করলেন বিশ্বের সবচেয়ে বয়স্ক ব্যক্তি

  • আপডেট টাইম :: শুক্রবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী, ২০২০, ১০.০৯ পিএম
  • ৩৩৭ বার পড়া হয়েছে

হাওর ডেস্ক::
জন্মিলে মরিতে হইবে। এটাই চিরন্তন সত্য। তবে কিছু মানুষ আছেন যারা মৃত্যুকে জয় করেননি বটে, কিন্তু নিজের বয়স দিয়ে অন্যকে চমকে দেওয়ার সাধ্য রাখেন। তেমনই এক ব্যক্তি গ্রিনিং চিতেস্তু ওয়াতানাবে। যার বর্তমান বয়স ১১২ বছর ৩৪৪ দিন। বর্তমানে বিশ্বের সবচেয়ে বয়স্ক পুরুষ মানুষ তিনিই।

যুবক বয়সে পেশায় একজন কৃষক ছিলেন তিনি। নিজের দীর্ঘায়ুর রহস্য হিসেবে তিনি জানিয়েছেন, ‘কখনও রাগ করা চলবে না, আর সর্বদা মুখে হাসি রাখতে হবে।’ ১৯০৭ সালে উত্তর জাপানের নিইগাতা শহরে জন্মগ্রহণ করেন গ্রিনিং চিতেস্তু ওয়াতানাবে। তিনি গ্রিনিস ওয়ার্ল্ডের তরফ থেকে সার্টিফিকেটও পেয়েছেন।

জাপানের এই বয়স্ক ব্যক্তি জানিয়েছেন, দাঁত না থাকলেও পুডিং এবং ক্রিম পাফ খেতে পছন্দ করেন তিনি। কারণ এই ধরণের খাবারগুলি দাঁত দিয়ে চাবাতে হয় না। এর আগে যে ব্যক্তি বিশ্বের সবচেয়ে বয়স্ক ছিলেন, তার নাম মাসাজো নোনাকা। তিনিও জাপানেরই নাগরিক ছিলেন। ২০১৯ সালে ১১৩ বছরে মৃত্যু হয় তার।

গ্রিনিং চিতেস্তু ওয়াতানাবে সম্পর্কে বলতে গিয়ে তার বড় ছেলের পুত্রবধূ জানিয়েছেন, ওয়াতানাবেকে তিনি কখনও রাগতে দেখেননি। পাশাপাশি তিনি যথেষ্ট যত্নশীলও।

অন্যদিকে ওয়াতানাবে নিজের সম্পর্কে বলেছেন, ‘আমি মনে করি, এক ছাদের নীচে একটি বড় পরিবারের সাথে বসবাস করছি, এখানে নাতি-নাতনিরা আমার মুখের হাসি বাঁচিয়ে রেখছে।’ তার এই কথা থেকেই পরিষ্কার তিনি তার নাতি-নাতনিদের কতটা ভালোবাসেন।

Print Friendly, PDF & Email

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর
themesbazarhaor24net
© All rights reserved © 2019-2024 haor24.net
Theme Download From ThemesBazar.Com
error: Content is protected !!