1. haornews@gmail.com : admin :
  2. editor@haor24.net : Haor 24 : Haor 24
সোমবার, ০৬ এপ্রিল ২০২৬, ০২:৩৯ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
নিজের স্বার্থের জগতে ড. ইউনূসের যাদুর ছোঁয়া: দেড় বছরে তার যত বেআইনি কারবার! হাওরে জলাবদ্ধতায় নষ্ট হওয়ার পথে ১০ হাজার হেক্টরের বেশি বোরো ধান সুনামগঞ্জের ৫ আসনে কেন্দ্র ঘোষিত ফলাফলে বিএনপির ৫ প্রার্থী বিপুল ভোটে জয়ী নির্বাচন সামনে রেখে এমএফএস লেনদেনে কড়াকড়ি, ক্যাশ-ইন ও ক্যাশ-আউট বন্ধ ৯৬ ঘণ্টা (আরও জানুন) ব্রিটিনে সেরা বাংলাদেশি সাংবাদিক নির্বাচিত হলেন সুনামগঞ্জের মাসুম মালয়শিয়ায় বাংলাদেশের ছয় শিক্ষার্থীদের নিয়ে পুত্রা মালয়েশিয়া ইউনিভার্সিটির ফুটবল টুর্নামেন্ট সম্পন্ন বিশ্বম্ভরপুরে র‌্যাবের অভিযানে মদ ও ভারতীয় কসমেটিক্স জব্দ সুনামগঞ্জ-১: বিএনপির চূড়ান্ত মনোনয়ন পেলেন জনপ্রিয় নেতা কামরুল সুনামগঞ্জে দুইদিন ব্যাপী শিশু সাংবাদিকতা বিষয়ক কর্মশালা সম্পন্ন সুনামগঞ্জের হাসপাতালগুলোতে ডায়াবেটিস ওষুধের সংকট: ঝূঁকিতে ২৬ হাজার রোগি

২০২৩-এর বাংলা একাডেমি অ্যাওয়ার্ড রেসিপিয়েন্টদের তালিকা দেখে।। জাহেদ আহমদ

  • আপডেট টাইম :: শুক্রবার, ২৬ জানুয়ারী, ২০২৪, ২.০৫ পিএম
  • ১৪০ বার পড়া হয়েছে

‘কনফ্লিক্ট অফ ইন্টারেস্ট’ কথাটার সঙ্গে পরিচয় ছেলেবেলায় আমাদের দেশে যখন ক্রীড়া উন্নয়ন তহবিলের লটারি চালু হয় এবং দিনরাইত চব্বিশ ঘণ্টা রাস্তাঘাটে রিকশায় ঠ্যালাভ্যানে বেবিট্যাক্সি টেম্পোয় মাইকে মাইকে লটারি বিক্রি হতে থাকে। সেইসময় বিকেএসপির কর্মকর্তা/কর্মচারী আর তাদের পরিবারপরিজন চোখে-লাগার মতো লটারির লাখটাকা পাইতে শুরু করলে একসময় কী একটা ঝামেলায় সেইসময়কার কোনো-এক পত্রিকায় আইনি ওই টার্মটার সঙ্গে পরিচয়। এরপর বড় হয়ে এই কথাটার ব্যবহার দেখেছি জীবনের কর্মক্ষেত্রে। দেখেছি কী করে এই ইন্টারেস্ট সফলভাবে লোকে সামলায়। অ্যানিওয়ে। এইবার ২০২৩-এর বাংলা একাডেমি অ্যাওয়ার্ড রেসিপিয়েন্টদের তালিকা দেখে এই কথাটা আরেকবার মনে পড়ল। প্রাপকদের সবার কথা বলতে পারব না, সবাইকে তো চিনি না, মানে পড়ি নাই তাদেরে। এখন পড়ব ‘বাংলার নোবেল’ (অভিনন্দনবার্তায় কে যেন আবেগে বলে ফেলল কথাটা, দেখলাম সোশ্যাল মিডিয়া হ্যান্ডেলে) লরিয়েটদের লেখাপত্র। তো, ‘কনফ্লিক্ট অফ ইন্টারেস্ট’ কথাটা মাথায় এল তপন বাগচী নামটা দেখে। ‘একাডেমি’ (বাংলা) যে-তালিকা প্রকাশ করেছে সেইখানে দেখলাম ‘ফোকলোর’ শাখায় অ্যাওয়ার্ড শেয়ারে পেয়েছেন দুইজন : তপন বাগচী ও সুমনকুমার দাশ (শেয়ারের অ্যাওয়ার্ডই লিস্টিতে বেশি অনুপাতে লক্ষ করা গেল)। এখন, তপন বাগচী নামটা আগে যেন কোথায় দেখেছি মনে হওয়ায় সার্চ দিলাম, দেখি উনি বাংলা একাডেমির গুচ্ছগুচ্ছ উপপরিচালকদের মধ্যে একজন। উনার নামটা আগে কোথায় দেখেছি ইয়াদ হলো ২০২২-এর কয়েকটা নিউজলিঙ্ক পড়ে। সে-বছর উনার একটা বই বেরিয়েছিল বোধহয় যা ব্যান করা হয় একাডেমি (বাংলা) থেকে এবং তা চুরির অভিযোগের সুনির্দিষ্ট প্রমাণের ভিত্তিতে, কোটেশন মারতেসি একটা লিঙ্ক থেকে : “চৌর্যবৃত্তির অভিযোগে বাংলা একাডেমির উপপরিচালক ড. তপন বাগচী সম্পাদিত ‘মাতাল রাজ্জাক : গীতিমালা’ গ্রন্থটি অমর একুশে বইমেলায় প্রবেশ, প্রদর্শন ও বিক্রি নিষিদ্ধ করেছে কর্তৃপক্ষ। বাংলা একাডেমির পরিচালক (বিক্রয়, বিপণন ও পুনর্মুদ্রণ বিভাগ) এবং অমর একুশে গ্রন্থমেলার সদস্য-সচিব ড. জালাল আহমেদ সারাবাংলাকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।” সঙ্গে সঙ্গে বুঝতে পারলাম তপন বাগচী নামটা কেন-যে চেনা চেনা মনে হচ্ছিল। অনেক আগে ‘রাধারমণের গীতিমালা’ নামে একটা বইয়ের ব্যাপারেও ঘটনা ধামা দিয়া চাপা দেয়া গিয়েছিল, ঘটক ছিলেন সেইম ব্যক্তিটিই। কিন্তু, আমার কথা হলো, ‘ফোকলোর’ এবং ‘চৌর্যবৃত্তি’ বাংলাদেশে সমার্থক এবং সেইটা জসীম উদদীনের আমল থেকে বা তারও আগে থেকেই। ইন প্র্যাক্টিস, বাংলাদেশে ফোকলোরচর্চা মানেই হচ্ছে একজন-কোনো গ্রামীণ গীতিকার-সুরকার-গায়কের পাণ্ডুলিপি মোটা থানইটের সাইজের গ্রন্থে দেড়/দুইপাতা ভূমিকার আওতায় হাজির করা। কাজটা ততটা গবেষকের নয়, যতটা সাংবাদিকের। কাজেই, চুরি নিয়া আমার সমস্যা নাই। চুরি চলবে। একাডেমির মহাপরিচালকের চুরি হোক বা তার অধীন কর্মচারীর। সেক্ষেত্রে প্রশ্ন তুললে তুলতে হবে অ্যাওয়ার্ডটা গ্রামীণ সেই গীতিকার মানুষটার প্রাপ্য নাকি তার গানের গ্রন্থরূপদানে সহায়তাকারী সুমহান ‘গবেষক’ তকমাধারীটির। আর ‘কনফ্লিক্ট অফ ইন্টারেস্ট’? আল্লায় জানে এই জিনিশটা বাংলাদেশের কোনো সেক্টরে খেয়াল করা হয় কি না। হাজার হাজার সচিবের বই কীভাবে রাষ্ট্রীয় পুরস্কার পাবে এইটা খেয়াল করলে? একটা ব্যাপার টুকে রেখে স্ট্যাটাস স্টপ করি আপাতত। ওই যে, আদূরে অভিনন্দনবার্তায় যে-লোকটা ‘বাংলার নোবেল’ বলেছেন একাডেমির (বাংলা) অ্যাওয়ার্ডটাকে, তিনি ঠিকই বলেছেন। বহু বছর ধরে, ব্যতিক্রম দুইয়েকটা বাদ দিলে, সুইডেনের নোবেল যাদেরে অ্যাওয়ার্ড দিয়েছে তারা প্রায় বেবাকেই ছিলেন আমাদের ‘অপূর্ব’ অচেনা। আমাদের ‘পূর্বচেনা’ ভালো ভালো কবিসাইত্যিকেরা অ্যাওয়ার্ড পায় না। অ্যাওয়ার্ড পাবার পরপরই চিরচেনা বানাতে অবশ্য টাইম লাগে না আমাদের, বাংলাদেশের সাহিত্যলোকদের, আর রসায়ন নয় ফিজিক্স নয় আমরা ‘নোবেল পুরুস্কার’ বলতেই বুঝি লিটারেচারে যেইটা দেয়া হয় সেইটা। আমরা ‘সাহিত্য-অন্তপ্রাণ’, খোদার কসম জান, আমরা সাহিত্যেই ‘নিবেদিতপ্রাণ’। নিবেদন নৈবেদ্য না-থাকলে এখানে সুবিধা করা যাবে না। এইবার কথাসাহিত্যে নূরুদ্দিন জাহাঙ্গীর ও সালমা বাণী (শেয়ারে অ্যাওয়ার্ড) এবং প্রবন্ধ/গবেষণা বর্গে জুলফিকার মতিন (শেয়ারে নয়, এককভাবে) অর্জন করেছেন ‘বিজয়’। এই তিনের বইপত্র খুঁজতে বেরোতে হবে এখন। তার আগে অভিনন্দন জানাই নির্বিশেষে সবাইকে, একাডেমিঅ্যাওয়ার্ড যারা পেলেন এবং যারা পাবার লাগি দৌড়ঝাঁপ করলেন সবাইকে। ফেইলার ইজ দি পিলার অফ সাক্সেস, স্মর্তব্য। অলমিতি।
(লেখক: কবি ও গদ্যকার। লেখকের ফেইসবুক থেকে নেওয়া)

খোঁজপাত্তা / ১. উপপরিচালকের চুরি (https://sarabangla.net/post/sb-652487/); ২. মহাপরিচালকের চুরি (https://poros-por.com/front/singel/7/41587); ৩. বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার ২০২৩ (https://www.tbsnews.net/bangla/%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%82%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B6/news-details-194130)

Print Friendly, PDF & Email

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর
themesbazarhaor24net
© All rights reserved © 2019-2024 haor24.net
Theme Download From ThemesBazar.Com
error: Content is protected !!