1. haornews@gmail.com : admin :
  2. editor@haor24.net : Haor 24 : Haor 24
রবিবার, ০৭ জুন ২০২৬, ০৫:০২ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
`কাচইরা’ বছরে সর্বনাশ হাওরে চেটেপুটে খেয়ে সুনামগঞ্জ ছাড়লেন জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার! সুনামগঞ্জে বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস পালিত নিজের স্বার্থের জগতে ড. ইউনূসের যাদুর ছোঁয়া: দেড় বছরে তার যত বেআইনি কারবার! হাওরে জলাবদ্ধতায় নষ্ট হওয়ার পথে ১০ হাজার হেক্টরের বেশি বোরো ধান সুনামগঞ্জের ৫ আসনে কেন্দ্র ঘোষিত ফলাফলে বিএনপির ৫ প্রার্থী বিপুল ভোটে জয়ী নির্বাচন সামনে রেখে এমএফএস লেনদেনে কড়াকড়ি, ক্যাশ-ইন ও ক্যাশ-আউট বন্ধ ৯৬ ঘণ্টা (আরও জানুন) ব্রিটিনে সেরা বাংলাদেশি সাংবাদিক নির্বাচিত হলেন সুনামগঞ্জের মাসুম মালয়শিয়ায় বাংলাদেশের ছয় শিক্ষার্থীদের নিয়ে পুত্রা মালয়েশিয়া ইউনিভার্সিটির ফুটবল টুর্নামেন্ট সম্পন্ন বিশ্বম্ভরপুরে র‌্যাবের অভিযানে মদ ও ভারতীয় কসমেটিক্স জব্দ

সিকৃবির গবেষণা: তিন মাসেই মিলবে হাওরের বোরো ফসল

  • আপডেট টাইম :: বুধবার, ১৪ নভেম্বর, ২০১৮, ৪.১৫ এএম
  • ৩০৫ বার পড়া হয়েছে

হাওর ডেস্ক
বিস্তীর্ণ হাওর অঞ্চলে বোরো ফসল রক্ষায় সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (সিকৃবি’র) কৃষি সম্প্রসারণ শিক্ষা বিভাগের তত্ত্বাবধানে বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিলের এনএটিপি-২ প্রকল্পের আর্থিক সহায়তায় পরিচালিত এক গবেষণায় দেখা গেছে তিন মাসেই হাওরে বোরো ধানের ফসল পাওয়া সম্ভব।
গবেষণায় দেখা যায়, স্বল্পমেয়াদী জাতের ধান, বিভিন্ন উফশী জাতের ধান, লম্বা জাতের ধান, প্রচলিত জাতের ধান, বেশি বয়সে চারা রোপণ, আগাম চারা রোপণসহ সমন্বিত কৌশল অবলম্বন করার পাশাপাশি জমির ধান তিন-চতুর্থাংশ পাকলেই ঘরে তোলার মাধ্যমে সহজেই আগাম বন্যা মোকাবেলা করা যায়।
এপ্রিলের প্রথম সপ্তাহে সম্ভাব্য বন্যার তারিখ ধরে জানুয়ারি মাসের প্রথম সপ্তাহে স্বল্পমেয়াদী ধান যেমন বিনা ধান-১৪, ১০, ১৮ কিংবা ব্রি ধান-২৮, ৫৮, ৮১ রোপণ করতে পারলে সহজেই আকস্মিক বন্যায় ফসল হানি এড়ানো সম্ভব। এছাড়া কান্দার জমিতে দীর্ঘমেয়াদী জাত যেমন ব্রি ধান-২৯, ৮১ রোপণ করা, নিচু জমিতে ব্রি ধান-২৮ কিংবা বিনা ধান-১৪ রোপণ করে তিন মাসের মধ্যে ফসল ঘরে তোলা যায়। কোন কারণে নাবীতে রোপণ করতে হলে একটু বয়স্ক ৩৫-৪০ দিনের চারা রোপণ করেও ফসল ঘরে তোলা সম্ভব।
গবেষণায় দেখা গেছে, চলতি বছর জানুয়ারি মাসের ৭ তারিখে জমিতে চারা লাগিয়ে এপ্রিল মাসের ৪ তারিখে ফসল কাটা সম্ভব হয়েছে। এতে হেক্টর প্রতি ৬.২ টন ফলন পাওয়া গিয়েছে।
প্রকল্পের প্রধান গবেষক প্রফেসর ড. মো. আশরাফুল ইসলাম বলেন, সমন্বিত ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে হাওরে বোরো ধান চাষ করলে আগাম বন্যায় ফসলহানির মাত্রা কমিয়ে আনার পাশাপাশি হাওরাঞ্চলে জীবনমানের উন্নয়ন সাধন করা সম্ভব।
প্রসঙ্গত, বাংলাদেশের মোট আয়তনের ছয় ভাগের এক ভাগ হাওরাঞ্চল। ৭টি জেলায় বিস্তীর্ণ হাওরকেন্দ্রিক জীবন নির্বাহ করে প্রায় ২ কোটি মানুষ। বোরো ফসলের ভান্ডার হাওরে বৈশ্বিক জলবায়ুর পরিবর্তনের ফলে আকস্মিক বন্যা বা পাহাড়ি ঢলজনিত বন্যা পূর্বের যে কোন সময়ের তুলনায় এখন অনেক আগেই সংঘটিত হচ্ছে। হাওরে সচরাচর এপ্রিলের শেষ বা মে মাসের প্রথম দিকে বন্যা হলেও বর্তমানে মার্চের শেষ বা এপ্রিলের প্রথম দিকে এমন সময় বন্যা আসছে যখন বোরো ধান কেবল পাকা শুরু হয়। ফলে ফসল ঘরে তোলার আগে বন্যার পানিতে ডুবে ব্যাপক ফসলহানি হয়।


প্রিন্ট

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর
themesbazarhaor24net
© All rights reserved © 2019-2024 haor24.net
Theme Download From ThemesBazar.Com
error: Content is protected !!