স্টাফ রিপোর্টার::
সুনামগঞ্জ-১ (মধ্যনগর, ধর্মপাশা, তাহিরপুর ও জামালগঞ্জ) আসনে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা চলছে। আলোচনায় অনেকের সঙ্গে নাম এসেছে পরিচিত তাহিরপুরের বিখ্যত পরিবারের সন্তান আমেরিকা প্রবাসী—আসাদ মুরাদ তালুকদারের। সাবেক ছাত্রনেতা এবং স্বেচ্ছাসেবক দলের কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক সহ আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে তার দীর্ঘ রাজনৈতিক অভিজ্ঞতার সঙ্গে দলের প্রতি আত্মত্যাগও রয়েছে তার। অবহেলিত আমনে তিনি বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশী।
জানা গেছে ছাত্রজীবনে ঢাকায় অবস্থানকালেই আসাদ মুরাদ তালুকদার নেতৃত্বের সুনাম অর্জন করেন। সুনামগঞ্জ জেলা ছাত্র কল্যাণ সমিতির নির্বাচিত সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে তরুণ সমাজের মাঝে ব্যাপক পরিচিতি লাভ করেন। পাশাপাশি ঢাকা ভিত্তিক ‘সিলেট বিভাগ জাতীয়তাবাদী ছাত্র ফোরাম’-এর উপদেষ্টা হিসেবেও গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছেন তিনি।
বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের প্রতিষ্ঠাতা সংগঠক হিসেবে তিনি উচ্চশিক্ষিত তরুণদের রাজনীতিতে সম্পৃক্ত করতে সফল ভূমিকা রাখেন। এছাড়াও শিক্ষা সংক্রান্ত নীতির প্রতিবাদে সংগঠিত ভ্যাট বিরোধী আন্দোলনে তিনি সামনের সারিতে থেকে নেতৃত্ব দেন। আন্দোলনের সময় সহ্য করতে হয়েছে শারীরিক নিপীড়ন, হাত ভেঙে যাওয়ার মতো ঘটনাও ঘটেছে তার জীবনে। তারপরও তিনি জাতীয়তাবাদী আদর্শ থেকে বিচ্যুত হননি।
জানা গেছে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলেও তার সক্রিয়তা ছিল লক্ষণীয়। জাতিসংঘ আয়োজিত Young Youth Leadership Conference-এ অংশগ্রহণ করে তিনি দেশের প্রতিনিধিত্ব করেছেন আন্তর্জাতিক মহলে। সেই ফোরামে তিনি দেশের কথা বলেছেন।
২০১৩ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত বিভিন্ন রাজনৈতিক আন্দোলনে মাঠপর্যায়ে সক্রিয় ছিলেন আসাদ মুরাদ তালুকদার। স্বেচ্ছাসেবক দলের দায়িত্ব পালনকালে এবং ছাত্রদলের গুরুত্বপূর্ণ নেতা হিসেবে তাকে বারবার দেখা গেছে রাজপথে সক্রিয় কর্মসূচিতে।
সম্প্রতি জুলাই অভ্যুত্থানে ছাত্র আন্দোলনে তার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা তাকে নতুন করে আলোচনায় এসেছে।
ভাটির জনপদের অধিকার বঞ্চিত মানুষদের পাশে দাঁড়ানো ও তাদের উন্নয়নে নিজেকে সম্পৃক্ত রাখতে চান তিনি। আসাদ মুরাদ তালুকদারের বলেন,আমার রাজনীতি শুধু দলকে ঘিরে নয়—এই এলাকার মানুষের উন্নয়ন, অধিকার ও মর্যাদার লড়াইয়ে পাশে থাকার শপথ নিয়ে মাঠে নেমেছি। আমি জাতীয়তাবাদী শক্তিকে তৃণমূলে সংগঠিত করে এগুতে চাই।