স্টাফ রিপোর্টার::
সুনামগঞ্জের সদরের গোবিন্দপুর ও শান্তিগঞ্জের নোয়াগাও সয়লগ্ন দেখার হাওর থেকে পরপর দুই দিনে দুই শিশুর অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। নিখোঁজ দুই শিশুকে তাদের বাবা হত্যা করে পানিতে ফেলে দিয়েছেন বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করছে পুলিশ। এ ঘটনায় আজ ১২ আগস্ট বাবাকে হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। এদিকে একজন শিশুর মরদেহ আজ সদর থানার পুলিশ বেওয়ারিশ হিসেবে দাফন করেছে।
মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) সকালে সদর উপজেলার লক্ষণশ্রী ইউনিয়নের গোবিন্দপুর এলাকায় সিলেট-সুনামগঞ্জ মহাসড়কের পাশের দেখার হাওরে একটি ৯-১০ বছর বয়সী শিশুর অর্ধগলিত মরদেহ ভাসতে দেখেন স্থানীয়রা। পরে বিষয়টি সুনামগঞ্জ সদর মডেল থানার ওসি রতন শেখ পিপিএমকে জানানো হয়।
খবর পেয়ে এসআই আবু হানিফ সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহটি উদ্ধারের চেষ্টা করেন। প্রচণ্ড দুর্গন্ধের কারণে স্থানীয়দের অনেকেই কাছে যেতে না চাইলেও পরে স্থানীয় একটি মাদ্রাসার শিক্ষক ও কয়েকজন শিক্ষার্থী পুলিশকে মরদেহ উদ্ধারে সহযোগিতা করেন।
এর আগে মঙ্গলবার শান্তিগঞ্জ থানার নোয়াগাঁও এলাকার হাওর থেকেও একই পরিবারের আরেক শিশুর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। দুই শিশুই সম্প্রতি নিখোঁজ হয়েছিল।
পুলিশের প্রাথমিক ধারণা, দিরাই উপজেলার পেরুয়া-মদুপুর এলাকার এক ব্যক্তি তাঁর দুই শিশুপুত্রকে হত্যা করে পানিতে ফেলে দিয়েছেন। এ ঘটনায় শিশুদ্বয়ের বাবাকে দিরাই থানা পুলিশ হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করছে।
দুই মরদেহ বর্তমানে সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে রাখা হয়েছে। ঘটনাটি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করছে