স্টাফ রিপোর্টার::
সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতাল থেকে গভীর রাতে রোগির ছেলেকে তুলে নেওয়ার চেষ্টা করেছে মুখোশপড়া সন্ত্রাসীরা। বৃহষ্পতিবার দিবাগত রাত দেড়টার দিকে লিফট থেকে নামার পরই ৫-৬জন মুখোশপড়া সন্ত্রাসী সদর উপজেলার মোহনপুর গ্রামের আল আমিন হোসেনকে জোরপূর্বক তুলে নিতে চাইলে তার সঙ্গে ধস্তাধস্তি শুরু হয়। একই গ্রামের ফরিদ মিয়া ও তার ভাইয়েরা আল আমিনের মা, বোন ও ভাইদের মারধর করে হাসপাতালে পাঠিয়েছে এবং তারাই শহরের গু-া ভাড়া করে এই ঘটনা ঘটিয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন আল আমিন ও তার স্বজনরা। উল্লেখ্য প্রায় ২০ বছর আগে ফরিদ মিয়া ও তার ভাইয়েরা আল আমিনের নানীকে খুন করেছিল। এই খুনের মামলায় সাজাভূক্ত আসামি ফরিদ মিয়া।
জানা গেছে বৃহষ্পতিবার পূর্ব বিরোধের জের ধরে সুন্দর আলীর ছেলে ফরিদ মিয়ার নেতৃত্বে তার ভাইয়েরা আল আমিনের মা জাহানারা ও তার মেয়ের উপর হামলা করে। তাদেরকে গুরুতর অবস্থায় হাসপাতালে নিয়ে আসেন আল আমিন। রাত ১টার দিকে ফরিদ মিয়ার শ্যালক বেড়াজালি গ্রামের নূরুল ইসলাম আল আমিনকে হাসপাতালে গিয়ে হুমকি ধমকি দেয়। এরপর আল আমিন তাার মায়ের জন্য ওষুধ নিতে নিচে নামলে লিফট থেকে নামার পরই নূরুল ইসলামের নির্দেশে মুখোশপড়া কয়েকজন আল আমিনকে তুলে নেওয়ার চেষ্টা করে। এসময় ধস্তাধস্তিতে না পেরে তাকে বেদম মারপিট করে। কিছু মানুষ এগিয়ে আসলে মোটর সাইকেল করে পালিয়ে যায় সন্ত্রাসীরা। তবে রহস্যজনক কারণে এসময় হাসপাতালের নিরাপত্তারক্ষী আনসারসহ অন্যান্যরা অনুপস্থিত ছিল বলে জানা গেছে।
আল আমিনের পিতা আরজদ আলী বলেন, আমার শাশুড়িকে আগে খুন করেছি ফরিদ মিয়া ও তার ভাইয়েরা। তারা এই মামলার সাজাভূক্ত আসামি। এখন আমার স্ত্রী ও সন্তানদেরও হত্যা করতে চায়। আমার ছেলে আমার স্ত্রী ও মেয়েকে হাসপাতালে চিকিৎসা করাতে গিয়ে তাকে তুলে নিতে গুন্ডা ভাড়া করেছে নূরুল ইসলাম। আমি পরিবারের লোকদের জীবন নিয়ে সংশয়ে আছি।
সুনামগঞ্জ ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালের উপ-পরিচালক ডা. আলী আশরাফ সোহাগ বলেন, হাসপাতালের আনসাররা ডিউটি পালন করেনা বলে অভিযোগ পেয়েছি। রোগির স্বজনের উপর হাসপাতালের ভিতরে হামলা মেসে নেওয়া যায়না। এ বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।
এদিকে ভাড়াটে মুখোশপড়া সন্ত্রাসীরা রোগির ছেলেকে হাসপাতাল থেকে তুলে নেওয়ার চেষ্টা ও মারধরের ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।
সম্পাদক ও প্রকাশক : শামস শামীম, কার্যালয়: লৌকিক এন্ড শৌভিক ভবন, পাসপোর্ট অফিস রোড, মল্লিকপুর, সুনামগঞ্জ। মোবাইল: +৮৮০১৯১২১৩৪৯১৭, ইমেইল: shamsshamim1@gmail.com
© All rights reserved © 2019-2026 haor24.net