স্টাফ রিপোর্টার::
আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে 'মাদকের গডফাদার' খ্যাত মোহনপুর গ্রামের রেজাউল করিমকে বুধবার রাতে ৮০ বোতল ভারতীয় মদসহ গ্রেপ্তারের পর মাদক আইনে মামলা দিয়ে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠিয়েছে পুলিশ। বৃহষ্পতিবার দুপুরে আদালত তার জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে প্রেরণ করেছে। উল্লেখ্য গত বুধবার ১ জুলাই রাতে তাকে গ্রেপ্তারের পর সদর থানা পুলিশের ফেইসবুক একাউন্ট থেকে 'মোহনপুরের মাদকের গডফাদার রেজাউল পুলিশ হেফাজতে' স্টেটাস দেন। এদিকে পুলিশকে সংবাদপত্রে বিবৃতি দিয়ে ধন্যবাদ জানিয়েছে মোহনপুর মাদকপ্রতিরোধ কমিটি। বিবৃতিতে তারা এলাকার অন্যান্য মাদক কারবারিদেরও গ্রেপ্তারের দাবি জানান।
পুলিশ জানায় মোহনপুর গ্রামের মাদক কারবারি রেজাউল দীর্ঘদিন ধরে পুলিশের চোখে ধুলো দিয়ে মাদক কারবার করছে। ইতোমধ্যে তার ইয়াবার ডিপো ও সেবনের ভিডিও ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশ হলে পুলিশ তাকে নজরদারিতে রাখে। গত ২০ জুন মাদক প্রতিরোধ সভায় সদর থানার ওসি রতন শেখ মাদক কারবারি রেজাউলকে গ্রেপ্তারের আশ্বাস দেন। বুধবার রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশ রেজাউলকে ৮০ বোতল ভারতীয় মদসহ গ্রেপ্তার করে। তার গ্রেপ্তারের খবর এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে সাধারণ মানুষ উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন। মোহনপুর মাদকপ্রতিরোধ কমিটির সভাপতি ইউপি সদস্য মো. নূরুল আমিন ও সাধারণ সম্পাদক মো. সেলিম মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করায় সদর থানা পুলিশকে অভিনন্দন জানিয়ে অন্য কারবারিদের গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়েছেন। এদিকে গ্রামের একাধিক ভুক্তভোগী স্থানীয় এমপি এডভোকেট নূরুল ইসলাম নূরুলের কাছে এসে রেজাউলের শাস্তি নিশ্চিত করার সহযোগিতা চেয়েছেন।
জানা গেছে পুলিশের এজাহারে রেজাউলের বিরুদ্ধে সদর থানায় তার বিরুদ্ধে অন্যান্য মামলার রেফারেন্সও আদালতে উল্লেখ করে জামিনের বিরোধীতা করা হয়েছে।
মামলার বাদী এসআই মোহন রায় বলেন, রেজাউল মাদকের গডফাদার। তাকে ৮০ বোতল মদসহ গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানোর পর আদালত জেল হাজতে প্রেরণ করেছে।

সম্পাদক ও প্রকাশক : শামস শামীম, কার্যালয়: লৌকিক এন্ড শৌভিক ভবন, পাসপোর্ট অফিস রোড, মল্লিকপুর, সুনামগঞ্জ। মোবাইল: +৮৮০১৯১২১৩৪৯১৭, ইমেইল: shamsshamim1@gmail.com
© All rights reserved © 2019-2026 haor24.net