স্টাফ রিপোর্টার::
সুনামগঞ্জ শহরের মাসুম ট্রেডার্সের বিরুদ্ধে জেলা নিরাপদ খাদ্য অফিসার কর্তৃক সুনামগঞ্জ সদর থানায় মামলা দায়েরের পর আদালত আবেদনটি ফৌজদারি আইনে আমলে নিয়ে স্বত্ত্বাধিকারী তৌহিদুর রহমানের বিরুদ্ধে সমন জারির আদেশ দিয়েছেন। একই সঙ্গে খাদ্য সম্পর্কিত মামলা হিসেবে রেজিস্ট্রিভুক্ত করার নির্দেশনা দিয়ে সমন জারি করেছেন আদালত। রবিবার দুপুরে সুনামগঞ্জের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বিশুদ্ধ খাদ্য আদালতের বিচারক মুহাং হেলাল উদ্দিন আসামির এই নির্দেশনা দেন। বিশুদ্ধ খাদ্য মামলা নং ০১/২০২৫।
আদালত সূত্রে জানা গেছে সুনামগঞ্জ জেলা নিরাপদ খাদ্য অফিসার শরিফ উদ্দিন নিরাপদ খাদ্য আইন ২০১৩ এর ২৬, ৩২ (ক), ৩২ (গ) এবং ৩৯ নং ধারার অপরাধে সদর থানায় মাসুম ট্রেডাসের স্বত্ত্বাধিকারী তৌহিদুর রহমান মাসুমের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেন। পরে তিনি বিশুদ্ধ খাদ্য আদালতেও অভিযোগ দায়ের করেন। আদালতের আবেদনে তিনি উল্লেখ করেন গত ৩১ জুলাই বিকেলে খাদ্য আদালতের বিচারক মুহাং হেলাল উদ্দিনের নেতৃত্বে সুনামগঞ্জ শহরের ডিএস রোডে অবস্থিত মাসুম ট্রেডার্স পরিদর্শনে প্রবেশ করেন তারা। এসময় প্রতিষ্ঠানটির বেকারিপণ্য পর্যবেক্ষণ করে দেখেন প্যাকেটে পূর্ণাঙ্গ তথ্য নেই, উৎপাদনের ও মেয়াদোত্তীণের তারিখ নেই এবং বেকারিপণ্য গুলো নি¤œমানের ও ননফুড গ্রেড প্লাস্টিক মোড়কাবদ্ধ করা হয়েছে। এটা মোড়কাবদ্ধ খাদ্য লেভেলিং প্রবিধানমালা ২০১৭ এর ৪ এর লঙ্গন যা নিরাপদ খাদ্য আইন ২০১৩ এর ৩২ (ক) ধারায় দ-নীয় অপরাধ বলে তিনি উল্লেখ করেন। তাই এসব খাদ্যপণ্যে উৎপাদন বৈধতা নিয়ে সন্দেহ দেখা দিলে বেকারিজাত পণ্য জব্দ করে আসামি ও স্বাক্ষীদের অঙ্গিকার নেন। মাসুম ট্রেডার্সের মালিক তৌহিদুর রহমান মাসুম বেআইনীভাবে বেকারি পণ্য উৎপাদন মজুদ ও বিক্রয় করছেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করে আসামির দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবে করেন বাদী নিরাপদ খাদ্য অফিসার। এই আবেদনের প্রেক্ষিতে আদালত বিষয়টি ফৌজদারি অপরাধে আমলে নিয়ে বিশুদ্ধ খাদ্য সম্পর্কিত মামলা হিসেবে জেস্ট্রিভুক্ত করার নির্দেশনা দেন।
এ বিষেয় জেলা নিরাপদ খাদ্য অফিসার শরিফ উদ্দিন বলেন, আমরা আদালতের নেতৃত্বে অভিযান পরিচালনা করে বেকারিপণ্য জব্দ করেছিলাম। পরে থানায় মামলা দায়ের করেছি এবং আদালতেও অভিযোগ দায়ের করেছি। আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে শমন জারি করেছে। আমরা তার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেছি।