1. haornews@gmail.com : admin :
  2. editor@haor24.net : Haor 24 : Haor 24
শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬, ০২:৫৩ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
দিরাইয়ে পুলিশের অভিযানে হত্যা মামলার আসামিসহ আটক ১০ কৈতক হাসপাতালের জায়গা দখলের প্রতিবাদে এলাকাবাসীর মানববন্ধন মধ্যনগরে পল্লীবন্ধু উন্নয়ন সংস্থার বিরুদ্ধে আমানত-সঞ্চয়ের টাকা না দেওয়ার অভিযোগ সুনামগঞ্জে স্বামীর বিরুদ্ধে স্ত্রীর সংবাদ সম্মেলন! ঘরে ঘরে বর্জ্য সংগ্রহে নতুন উদ্যোগ, ছাতকে চালু হলো ভ্রাম্যমাণ গাড়ি জামালগঞ্জে অটো রিক্সা উল্টে যাত্রী নিহত শাল্লায় কৃষক তালিকায় অনিয়ম: ইউপি কার্যালয় ঘেরাও করে বঞ্চিত কৃষকদের বিক্ষোভ ​ স্থায়ী ক্যাম্পাসের দাবিতে ক্লাস পরীক্ষা বর্জন করে সুনামগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ `কাচইরা’ বছরে সর্বনাশ হাওরে চেটেপুটে খেয়ে সুনামগঞ্জ ছাড়লেন জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার!

বাড়ছে যমুনার পানি, বগুড়ায় বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধের ৬টি স্থানের ঝুঁকিপূর্ণ

  • আপডেট টাইম :: বৃহস্পতিবার, ৪ জুলাই, ২০২৪, ৮.৩৫ এএম
  • ১১৯ বার পড়া হয়েছে

হাওর ডেস্ক::

বৃষ্টি ও উজানের ঢলে পানি বাড়ছে যমুনা নদীতে। ফলে নদীর ভাঙনে বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধের বগুড়া অংশের ৪৫ কিলোমিটারের মধ্যে ছয়টি স্থানে ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। সবচেয়ে বেশি বিপজ্জনক হয়ে পড়েছে সারিয়াকান্দীর ইছামারা নামক এলাকা।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী, সারিয়াকান্দীর ইছামারায় ৫০০ মিটার, হাটশেরপুরে ৩০০ মিটার, কর্নীবাড়ীতে ১০০ মিটার, সোনাতলার সুজাতপুরে ১৫০ মিটার, সারিয়াকান্দীর শিমুলদায়েরে ৬ মিটার এবং ধুনটের শহড়াবাড়ীতে ৬ মিটার ঝুঁকির মুখে আছে।

ইছামারা গ্রামের মাসুম জানান, গ্রামটির সিংহভাগ এখন যমুনায় বিলীন। কিছু অংশ আছে গ্রামের। গত বার তিনদিনের ভাঙ্গনে ১৭শত মিটার নদী গর্ভে বিলীন হয়ে যায়। এবারও ওই ভাঙনের দক্ষিণ পাশে ফের ভাঙন শুরু হয়েছে। ভাঙন গতবারের মত হলে একদিনও লাগবে না বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাধে আঘাত হানতে।

শহড়াবাড়ী গ্রামের গফুর আলী জানান, সেখানে ভাঙন শুরু হওয়ার পরই জিও ব্যাগ ভর্তি বালির বস্তা ফেলা হচ্ছে। তবে স্রোতের তীব্রতা বাড়লে কি হবে বলা যাচ্ছে না।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের বগুড়া সার্কেলের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী হুমায়ন কবির জানান, দীর্ঘ ৪৫ কিলোমিটার বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধে এখনও কোনো ঝুঁকি দেখছি না। ছয়টি পয়েন্টে নদী ভাঙলেও সবচেয়ে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে ইছামারা অংশে।

“কারণ, নদী থেকে বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধের দূরত্ব মাত্র ৩০০ মিটার। গত বছর সেখানে এক হাজার ৭০০ মিটার ভেঙে ছিল। সেখানে কাজ করা হয়েছে। যমুনার ভাঙনের যে গতি তাতে তীব্র ভাঙন শুরু হলে বাঁধ পর্যন্ত ঠেকে যেতে বেশি সময় লাগবে না।”

তিনি আরও জানান, প্রতি ঘণ্টায় প্রায় ২ সেন্টিমিটার করে পানি বৃদ্ধি হচ্ছে। ২৪ ঘণ্টায় পানি বৃদ্ধি পেয়েছে ৫৩ সেন্টিমিটার। তবে পানি এখনো বিপৎসীমার নীচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

বগুড়া (ধুনট-শেরপুর) ৫ আসনের সংসদ সদস্য মজিবর রহমান মজনু জানান, “শহড়াবাড়ীতে ভাঙন কবলিত এলাকা পরিদর্শন করে পানি উন্নয়ন বোর্ডকে নির্দেশনা দিয়েছি। সেখানে কাজ চলছে। ভাঙন পরিস্থিতি মোকাবেলায় সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।”

জেলা প্রশাসক মো. সাইফুল ইসলাম বলেন, “সারিয়াকান্দী, সোনাতলা, ধুনটের বাঁধের ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা ঘুরে দেখেছি। জনগণের কোনো ক্ষতি না হয় সেজন্য সংশ্লিষ্টদের দ্রুত উদ্যোগ নিতে বলা হয়েছে।”


প্রিন্ট

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর
themesbazarhaor24net
© All rights reserved © 2019-2024 haor24.net
Theme Download From ThemesBazar.Com
error: Content is protected !!