1. haornews@gmail.com : admin :
  2. editor@haor24.net : Haor 24 : Haor 24
বুধবার, ১৭ জুলাই ২০২৪, ০৭:৪৯ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
মধ্যনগরে জলমহালের পাহারাদারের উপর হা ম লা য় শি শুসহ আ হ ত ৩ ঘুরে দাঁড়াতে হবে, এই সরকারকে আর সময় দেওয়া যাবে না : ফখরুল কোটা আ ন্দো ল ন : দেশে প্রাণ হারালেন ছয় জন কোটা আন্দোলনে হঠাৎ উ ত্ত প্ত সিলেট আবারো স্থগিত করা হলো সিলেটের এইচএসসি পরীক্ষা সিটি এলাকায় সকল প্রাথমিক বিদ্যালয়ও বন্ধ ঘোষণা ছাত্র রাজনীতি ‘নিষিদ্ধের’ অঙ্গীকারনামায় প্রাধ্যক্ষদের সই নিয়েছে ঢাবির হলের সকল শিক্ষার্থীরা ঢাকা কলেজের সামনে পড়ে থাকা সেই মরদেহ ‘ছাত্রলীগ কর্মী’ সবুজের অনির্দিষ্ট সময়ের জন্য সব কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ, হল ত্যাগের নির্দেশ নতুন মুদ্রানীতি: মূল্যস্ফীতি বশে আনা, আরও যেসব পদক্ষেপ নিতে চান অর্থনীতিবিদরা

তৃণমূলই দলের প্রাণ: শেখ হাসিনা

  • আপডেট টাইম :: সোমবার, ২৩ ডিসেম্বর, ২০১৯, ১২.২৫ পিএম
  • ১৯১ বার পড়া হয়েছে

হাওর ডেস্ক ::
দলকে ঐক্যবদ্ধ রাখতে নেতাকর্মীদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, ‘বিভিন্ন সংকটে দলের বড় নেতারা সিদ্ধান্ত নিতে ভুল করলেও তৃণমূল সব সময়ই সঠিক সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তৃণমূলই দলের প্রাণ, মূল শক্তি। তাই কেন্দ্রের পাশাপাশি তৃণমূলেও দলকে শক্তিশালী রাখতে হবে। ঐক্যবদ্ধ রাখতে হবে।’ রবিবার (২২ ডিসেম্বর) রাতে গণভবনে বিভিন্ন জেলা নেতাদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
আওয়ামী লীগ সভাপতি বলেন, ‘১৯৮২ সালে দলের বিভক্তি অনেক ক্ষতির কারণ হয়েছে। সে সময় যদি দল না ভাঙতো, স্বৈরাচার এরশাদ এতদিন ক্ষমতা আঁকড়ে থাকতে পারতো না।’ আশির দশকেই আওয়ামী লীগ সরকার গঠন করতে পারতো বলে আফসোস করেন তিনি।
শেখ হাসিনা বলেন, ‘১৯৭৫ এর ঘটনার পর আওয়ামী লীগের ওপর যে আঘাত এলো, তখন সবাই এটাই ধারণা করেছিল যে, আওয়ামী লীগ আর কখনও ক্ষমতায় যেতে পারবে না। দেশে ফেরার পর আমি চেষ্টা করেছি সংগঠন গোছাতে। সবচেয়ে দুঃখজনক হলো ৮১ সালে এলাম, ৮২ সালে একবার দল ভাঙলো। এই ভাঙাটা খুব ক্ষতিকর ছিল। দুঃখ লাগে বাইরে থাকতে যারা আমার সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন, দেশে ফেরার পর তারাই আমার সঙ্গে বিট্রে করেছেন। দল ভেঙে চলে যান। ওই ভাঙনটা যদি না হতো তাহলে হয়তো আওয়ামী লীগ আশির দশকেই সরকার গঠন করতো। আমরা নির্বাচন করে জয়ী হতে পারতাম। তখন এরশাদ আর ওভাবে মার্শাল ল দিয়ে গেড়ে বসতে পারতো না।’
বঙ্গবন্ধু-কন্যা বলেন, ‘আমি সারাদেশ ঘুরে ঘুরে সংগঠনকে শক্তিশালী করেছি। দিনের পর দিন মিটিং, রাতের পর রাত সবার সঙ্গে বসে আলোচনা করে আওয়ামী লীগ, ছাত্রলীগ, যুবলীগসহ সংগঠনগুলোকে নতুনভাবে তৃণমূল থেকে গড়ে তুলেছি। অনেকে ষড়যন্ত্র করেছে। বিভিন্ন ইস্যুতে দলের ভেতরে অনেক সমালোচনা হয়েছে। কিন্তু দেখা গেছে, যেটা আমি সিদ্ধান্ত নিয়েছি সেটা ঠিক ছিল।’
সরকার প্রধান বলেন, ‘আমাদের বিরুদ্ধে অপপ্রচার ছিল—আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এলে দেশ বেঁচে দেবে, আজান হবে না, মসজিদে উলুধ্বনি হবে। এ রকম নানা অপপ্রচার আমাদের মোকাবিলা করতে হয়েছে, জবাব দিতে হয়েছে।’
১৯৯১ সালের নির্বাচনে নিজের জোটের ভেতর অনেক ষড়যন্ত্র হয়েছিল উল্লেখ করে আওয়ামী লীগ সভাপতি বলেন, ‘তারপরও ৯১ সালে উনি (আব্দুর রাজ্জাক) আসলেন জোটের সঙ্গে নির্বাচন করতে। তার দাবি দুটি সিট দিতে হবে। মাদারীপুর ও শরীয়তপুরে দুটি সিট নিলো। কাঁচি মার্কা দিয়ে প্রতিটি সিটে একজন করে দাঁড় করিয়ে দিলো। ওই কাঁচি মার্কা মানে আওয়ামী লীগকে কাঁচি কাটা করা। ২-৪ হাজার করে ভোট কেটে নিলো। সে সময় ইচ্ছার বিরুদ্ধে অনেককে মনোনয়ন দিতে হয়েছে।’
তিনি বলেন, ‘অনেকে বড় নেতা হতে পারে, কিন্তু জনগণের ভোটে নির্বাচিত হওয়াটা আলাদা। কে মানুষের কাছে বেশি যেতে পেরেছেন, কে মানুষের সবচেয়ে বেশি আস্থা অর্জন করতে পেরেছেন, এটা কিন্তু অন্য ব্যাপার। একদম অংকের মতো হিসাবের ব্যাপার। বড় নেতা বলে অনেককে মনোনয়ন দিতে হয়েছিল। জোটের মধ্যে যদি বেইমানি না হতো, নমিনেশনগুলো ঠিকমতো দিতে পারলে ৯১ সালেই আওয়ামী লীগ জয়ী হতো।’
শেখ হাসিনা বলেন, ‘এভাবে একটা হ য ব র ল করে নির্বাচন করা হলো। এ জন্য একানব্বই সালে নির্বাচনের পর আমি পদতাগ করলাম। আমার যদি স্বাধীনতাটুকু না থাকে, নমিনেশন দিয়ে যদি জেতাতেই না পারি, তাহলে পদে থেকে লাভটা কী। পরে আমাদের নেতাকর্মীরা ও কবি সুফিয়া কামাল আমাকে চিঠি লিখলেন যে, এটা করা ঠিক হবে না। দলের সবার অনুরোধে আবার দায়িত্ব নিলাম। তারপর থেকে চেষ্টা করলাম যে, এবার নিজেদের মতো করে করবো। ৯৬ সালে সরকার গঠন করবো। এত বাধার পরেও আমরা আসতে পারলাম।’
‘২০০১ সালে হারার পর তৃণমূলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাদের নিয়ে বসি। সায়েন্টিফিকালি প্রস্তুতি নিই। যার ফলটা পেয়েছি ২০০৮ সালের নির্বাচনে। কাজেই বড় নেতা হলেই কেউ জিতবে, এটা নয়। সবাইকে বলি, মনোনয়ন না পেলে মন খারাপ করবেন না।’…বলেন প্রধানমন্ত্রী
প্রধানমন্ত্রী সবাইকে জনগণের মন জয় করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি বলেন, ‘জনগণের আস্থাটা ধরে রাখতে হবে। আপনাকে জনগণ ভোট দিলো, আপনি এমপি হলেন। এখন যদি মনে করেন, এবার হইছি, বানায়ে-বুনায়ে খেয়ে বসে থাকি। অনেক টাকা হলে জিতে আসবো। সেটা কিন্তু হয় না। কেননা তারেক জিয়া গর্ব করে বলতো, দুই হাজার কোটি টাকা যদি সে বানাতে পারে, তবে জীবনেও কেউ বিএনপিকে হারাতে পারবে না। দুই হাজারের জায়গায় পাঁচ হাজার কোটি টাকা বানিয়েও কিন্তু থাকতে পারেনি।’
তৃণমূল নেতাদের উদ্দেশে দলের সভাপতি বলেন, ‘মনে রাখবেন, আমরা খুব উন্নয়ন করেছি বলেই সবাই ঢেলে ভোট দেবে, তা না। মানুষের চাওয়ার কোনও সীমা থাকে না। আমরা যে উন্নয়ন করে যাচ্ছি, সে কথা মানুষকে বার বার বলতে হবে। এটা আপনাদের দায়িত্ব। মানুষ সুখ পেলে দুঃখের কথা ভুলে যায়। আর সুখটা যে কারা দিলো সেটাও মনে রাখতে চায় না। সেই কারণে তাদের বার বার স্মরণ করাতে হবে। বলতে হবে—আজকে বাংলাদেশ যে পর্যায়ে এসেছে সেটা আওয়ামী লীগ করেছে।’
দলের নেতাকর্মীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘ইলেকশন করতে চান, ভোট করতে চান, সংগঠন করতে চান, নেতা হতে চান; তো আগে মানুষের কাছে যান। মানুষের কী সমস্যা আছে দেখেন। মানুষের জন্য কী করতে পারেন করেন; তাহলে মানুষই আপনাদের সব সুযোগ করে দেবে।’

Print Friendly, PDF & Email

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর
themesbazarhaor24net
© All rights reserved © 2019-2024 haor24.net
Theme Download From ThemesBazar.Com
error: Content is protected !!