1. haornews@gmail.com : admin :
  2. editor@haor24.net : Haor 24 : Haor 24
বৃহস্পতিবার, ১৮ জুলাই ২০২৪, ০১:২৪ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
মধ্যনগরে জলমহালের পাহারাদারের উপর হা ম লা য় শি শুসহ আ হ ত ৩ ঘুরে দাঁড়াতে হবে, এই সরকারকে আর সময় দেওয়া যাবে না : ফখরুল কোটা আ ন্দো ল ন : দেশে প্রাণ হারালেন ছয় জন কোটা আন্দোলনে হঠাৎ উ ত্ত প্ত সিলেট আবারো স্থগিত করা হলো সিলেটের এইচএসসি পরীক্ষা সিটি এলাকায় সকল প্রাথমিক বিদ্যালয়ও বন্ধ ঘোষণা ছাত্র রাজনীতি ‘নিষিদ্ধের’ অঙ্গীকারনামায় প্রাধ্যক্ষদের সই নিয়েছে ঢাবির হলের সকল শিক্ষার্থীরা ঢাকা কলেজের সামনে পড়ে থাকা সেই মরদেহ ‘ছাত্রলীগ কর্মী’ সবুজের অনির্দিষ্ট সময়ের জন্য সব কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ, হল ত্যাগের নির্দেশ নতুন মুদ্রানীতি: মূল্যস্ফীতি বশে আনা, আরও যেসব পদক্ষেপ নিতে চান অর্থনীতিবিদরা

আ.লীগের অনেক নেতা বাদ পড়ার আতঙ্কে

  • আপডেট টাইম :: শনিবার, ২ নভেম্বর, ২০১৯, ৬.০৯ এএম
  • ১৩৭ বার পড়া হয়েছে

হাওর ডেস্ক ::
ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের জাতীয় সম্মেলনে কার্যনির্বাহী সংসদে (কেন্দ্রীয় কমিটি) বড় ধরনের পরিবর্তন আসবে। সম্মেলনকে সামনে রেখে কেন্দ্র থেকে তৃণমূল পর্যন্ত অনেক নেতাই পদ হারানোর আতঙ্কে রয়েছেন।
আগামী ২০ ও ২১ ডিসেম্বরে দলের জাতীয় সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে। ইতোমধ্যেই জেলা উপজেলা পর্যায়ের সম্মেলন শুরু হয়েছে। দুর্নীতি ও অপকর্মের বিরুদ্ধে আওয়ামী লীগসহ বিভিন্ন সেক্টরে গত প্রায় দেড় মাস ধরে সরকারের শুদ্ধি অভিযান চলছে। এমন প্রেক্ষাপটে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে আওয়ামী লীগের সম্মেলন।
তৃণমূল থেকে শুরু করে দলটির বর্তমান কেন্দ্রীয় নেতাদের অনেকেরই আগামী সম্মেলনে কমিটিতে থাকা, না থাকার বিষয়ে অনেক হিসাব গুরুত্ব পাবে। ফলে অনেকেই কমিটি থেকে ছিটকে পড়বেন।
সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্র জানায়, এবারের কেন্দ্রীয় সম্মেলনের মাধ্যমে গঠিত নতুন কমিটিতে বর্তমান সাংগঠনিক সম্পাদক পদগুলোসহ বিভিন্ন সম্পাদকের পদে ব্যাপক পরিবর্ত আসার সম্ভাবনা রয়েছে। এসব পদে নতুন এবং তরুণরা অগ্রাধিকার পাবেন। এসব পদের অনেককেই শুধু পদ থেকে নয়, কেন্দ্রীয় কমিটি থেকেও সরিয়ে দেওয়া হতে পারে। কারো কারো পদ অবনতি হয়ে কার্যনির্বাহী সদস্য পদে স্থান পেতে পারে। তবে দু’এক জনের পদোন্নতি হতে পারে।
বর্তমানে যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পদে যারা আছেন তাদের কেউ কেউ পদ হারাতে পারেন। তবে দু’একজনের পদোন্নতি হয়ে সভাপতিমণ্ডলীতে স্থান পেতে পারেন। সভাপতিমণ্ডলীতে যারা আছেন সেখান থেকেও অনেকেই বাদ পড়বেন। দলের গুরুত্বপূর্ণ এই ফোরাম থেকে কাউকে কাউকে সরিয়ে উপদেষ্টামণ্ডলীতে স্থান দেওয়া হতে পারে। আবার সভাপতিমণ্ডলীর কেউ কেউ কেন্দ্রীয় রাজনীতি থেকে বাদও পড়তে পারেন।
বাদ পড়বেন বর্তমান অনেক কার্যনির্বাহী সদস্যও। সবমিলিয়ে বর্তমান কমিটির অর্ধেকের মতো বাদ পড়তে পারেন বলেও অনেকে আশঙ্কা করছেন।
ওই সূত্রগুলো আরও জানায়, এই বিষয়গুলো নিয়ে বর্তমান কার্যনির্বাহী সংসদে (কেন্দ্রীয় কমিটি) যারা আছেন তাদের অনেকের মধ্যেই অস্বস্তি আছে। কারো কারো মধ্যে পদ হারানোর আশঙ্কা থেকে এক ধরনের আতঙ্ক তৈরি হয়েছে। তবে, অন্যান্যবারের সম্মেলন থেকে এবার পরিস্থিতি একটু আলাদা। সম্মেলনকে সামনে রেখে বিভিন্ন পদে আগ্রহী প্রার্থীরা প্রচারমুখি হয়ে উঠেন। এবার সেটা দৃশ্যমান নয়।
আগ্রহী প্রার্থীদের শীর্ষ পর্যায়ের নেতাদের কাছে ছোটাছুটি, তদবির নেই। কে পদ হারাবেন আর কে পদে বহাল থাকবেন এটিই এখন আলোচ্য বিষয়। তাই কেউ কাউকে সুপারিশ করে কাজ হবে না এ বিষয়টি সম্পর্কে সবাই নিশ্চিত। দলকে ঢেলে সাজাতে এবার দলের সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দৃঢ় অবস্থানে। একমাত্র শেখ হাসিনার ওপরই সবকিছু নির্ভর করছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক দলের নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের এক নেতা বলেন, কে কেন্দ্রীয় কমিটিতে আসবেন, কে থাকবেন, কে থাকবেন না এসব কিছুই নির্ভর করে নেত্রীর ওপর। কিন্তু এবার সহযোগী সংগঠনের বিরুদ্ধে যে পদক্ষেপ নিতে দেখা গেছে তাতে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটিতেও নেত্রী (শেখ হাসিনা) বড় ধরনের শুদ্ধি অভিযান চালাবেন এটা স্পষ্ট।
এ বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ফারুক খান বলেন, যারা কমিটিতে থেকে যোগ্যতার, দক্ষতার প্রমাণ দিতে পারেনি, যথাযথভাবে দায়িত্ব পালন করেননি, অনিয়মের অভিযোগ রয়েছে তারা তো বাদ পড়বেই। বাদপড়া বা নতুন যুক্ত হওয়া এটা প্রতি সম্মেলনেই হয়। তবে এবার এই বিষয়গুলো বিশেষভাবে দেখা হবে। সব জায়গাতেই এটা অনুসরণ করা হবে।
সম্প্রতি দুর্নীতি, অনিয়মের বিরুদ্ধে যে অভিযান চলছে তার প্রভাব আওয়ামী লীগের সম্মেলনেও পড়বে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানিয়েছে। যাদের বিরুদ্ধে ন্যূনতম দুর্নীতি অনিয়মসহ দলের শৃঙ্খলাবিরোধী কাজের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে তারা আগামী সম্মেলনে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটিতে থাকতে পারবেন না। পাশাপাশি যারা আগামীতে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতৃত্বে আসার প্রত্যাশা নিয়ে আছেন তাদের মধ্যেও যাদের বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযোগ রয়েছে তারাও আসতে পারবেন না।
জেলা-উপজেলাসহ তৃণমূল পর্যায়েও এই নীতি অনুসরণ করা হচ্ছে। ইতোমধ্যেই সারাদেশের বিতর্কিত নেতাদের তালিকা করা হয়েছে। এই তালিকায় কয়েক হাজার নেতার নাম রয়েছে বলে জানা গেছে। এরা যাতে কোন কমিটিতে আসতে না পারে সেজন্য জেলায় জেলায় এই তালিকা পাঠানো হচ্ছে।
এদিকে আওয়ামী লীগের জাতীয় সম্মেলনের প্রস্তুতি কাজ দ্রুত এগিয়ে চলছে। মহানগর, জেলা, উপজেলা, ইউনিয়ন, ওয়ার্ডসহ তৃণমূল পর্যায়ে কমিটির মেয়াদ উত্তীর্ণ শাখাগুলোর সম্মেলন চলছে। ইতোমধ্যেই ২৭টি জেলা সম্মেলনের তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে। নভেম্বরেই অনুষ্ঠিত হবে চার সহযোগী ও ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠনের সম্মেলন।

Print Friendly, PDF & Email

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর
themesbazarhaor24net
© All rights reserved © 2019-2024 haor24.net
Theme Download From ThemesBazar.Com
error: Content is protected !!