1. haornews@gmail.com : admin :
  2. editor@haor24.net : Haor 24 : Haor 24
বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০১:১৪ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
জাদুকাটা নদীতে মোবাইল কোর্ট: অবৈধ বালু উত্তোলনে একজনের ৬ মাসের কারাদণ্ড টাঙ্গুয়ার হাওরেও পাওয়া গেছে রাক্ষুসে সাকার মাছ: হাওরের বাস্ততন্ত্রের জন্য বিপদবার্তা ধোপাজান নদীর লুটের বালু পাচার হচ্ছে ভোরে ভুতুড়ে ও গায়েবি মামলায় নিরীহ মানুষদের হয়রানি করা যাবেনা: সুনামগঞ্জে হুইপ জি কে গউছ বিশ্বম্ভরপুর হরিপুর বিলে মাছের জন্য গাছে কোপ! সুনামগঞ্জে সার পাচারে জড়িত ডিলারদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি কৃষকদের সুনামগঞ্জে অনুমোদনহীন কসমেটিক্স ব্যবসা: নারীকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা শান্তিগঞ্জের কুতুবপুর শ্মশানঘাট সংলগ্ন কৃষ্ণতলা ডোবা থেকে নিখোঁজ সুমন দত্তের মরদেহ উদ্ধার সুনামগঞ্জে ডোবায় ভাসছে অজ্ঞাত নারীর ম/রদেহ সুনামগঞ্জে অনলাইন ও ক্যাসিনো সাম্রাজ্যের দুই ‘রাঘববোয়াল’ গ্রেপ্তার

শাল্লায় জমি আছে ঘর নাই প্রকল্পে দুর্নীতি: ইউএনও বরাবর অভিযোগ

  • আপডেট টাইম :: সোমবার, ১০ জুন, ২০১৯, ৩.৪২ এএম
  • ২১০ বার পড়া হয়েছে

স্টাফ রিপোর্টার::
‘শাল্লায় জমি আছে ঘর নাই’ প্রকল্পে দরিদ্রের নাম দিয়ে ধনীর ভিটায় ঘর তোলা হচ্ছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় এক ভুক্তভোগী নারী উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবর লিখিত আবেদন করেছেন।
জানা গেছে ২০১৮-২০১৯ অর্থ বছরে গ্রামীণ অবকাঠামো সংস্কার (কাবিটা) কর্মসূচির আওতায় গৃহহীণদের জন্য দুর্যোগে সহনীয় বাসগৃহ নির্মাণে উপকারভোগীদের প্রাথমিক তালিকায় বাহারা ইউনিয়নে ১৭টি ঘর বরাদ্দ হয়েছে। ইউনিয়নের ভাটগাও গ্রামের মৃত নূর ইসলামের স্ত্রী মমিনা বেগমের নাম প্রাথমিকভাবে অন্তর্ভূক্ত হয়। কিন্তু তার ভাইপো হুমায়ুন মিয়া ২ লাখ ৫৮ হাজার টাকা মূল্যমানের এই ঘর নির্মাণের জন্য তার ফুফু মমিনার নামে নিজের বাড়িতে তৈরির চেষ্টা করেন। এই খবর লোক মারফত জানতে পেরে মমিনা প্রতিবাদ করলে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা আজিজুল ইসলামকে ম্যানেজ করে হুমায়ূনের চাচী হোসনা বেগমের নামে নতুন করে তালিকাভূক্ত করান। এখন হুমায়ূনের ভিটায় ওই ঘর তৈরির চেষ্টা চলছে। এদিকে ওই ভুক্তভোগী নারী গত ৩ জুন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবরে লিখিত করলে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা হুমায়ূনকে নিয়ে দ্রুত হুমায়ূনের চাচীর নামে হুমায়ুনের দেওয়া দানকৃত জায়গার রেজিস্ট্রির তৎপরতা শুরু করেছেন। আজ-কালের মধ্যেই হোসনার নামে জায়গা রেজিস্ট্রি হবে বলে জানা গেছে।
ভূক্তভোগী মমিনা বেগম বলেন, আমার নামে প্রথমে আমার ভাইপো ঘর বরাদ্দ নিয়ে তার বাড়িতে বানানো চেয়েছিল। আমি বাধা দেওয়ায় সে তার চাচীর নামে তার জায়গায়ই ঘর বানাতে চাচ্ছে। এ ঘটনায় আমি উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবর লিখিত অভিযোগ করেছি।
উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. আজিজুর রহমান বলেন, অভিযোগকারীর অভিযোগ সঠিক নেই। তবে হোসনা বেগমের নামে রেজিস্ট্রিকৃত জায়গা নেই বলে জানিয়ে তিনি বলেন, হুমায়ূন তার চাচীর নামে আজ-কালের মধ্যে জায়গা রেজিস্ট্রি করে দিবেন। তারপরে আমরা ঘর বানিয়ে দেব।


প্রিন্ট

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর
themesbazarhaor24net
© All rights reserved © 2019-2024 haor24.net
Theme Download From ThemesBazar.Com
error: Content is protected !!