1. haornews@gmail.com : admin :
  2. editor@haor24.net : Haor 24 : Haor 24
রবিবার, ২১ জুলাই ২০২৪, ০১:০৪ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
আন্দোলনকারীদের সঙ্গে সরকারের আলোচনার প্রস্তাব, গঠিত হয়েছে বিচার বিভাগীয় তদন্ত কমিটি সুনামগঞ্জে কোটা সংস্কার আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক শিবির সভাপতি সুমেলসসহ তিন শিবির নেতা গ্রেপ্তার ছাত্রলীগকে স ন্ত্রা সী সংগঠন হিসেবে বিবেচনার প্রশ্নে যা বলছে যুক্তরাষ্ট্র সুনামগঞ্জে কিশোর গ্যাং ও অ প রা ধ প্র তি রো ধ বিষয়ে নিয়ে আলোচনা সভা সিলেটেও স্বেচ্ছায় পদ ছাড়ছেন ছাত্রলীগ নেতারা সিলেটের বন্যা : যুক্তরাজ্য সহায়তা দিচ্ছে ৪ কোটি টাকা কোটা: ‘ও ভাইও হামাক এনা বোন কয়া ডাকো রে’, সাঈদের বোনের আহাকারি বিকল্প নৌপথে সেন্ট মার্টিনের যাত্রীবাহী ট্রলারে আবারও গুলি বর্ষণ বৃহস্পতিবার সারাদেশে ‘কমপ্লিট শাটডাউন’ ঘোষণা দেয় কোটা আন্দোলনকারীরা শনির আখড়ায় পুলিশের ওপর হামলা ঘিরে সংঘাত সৃষ্টি, শিশুসহ গুলিবিদ্ধ ছয়জন

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে গুজব ঠেকাতে জোরদার হচ্ছে মনিটরিং কার্যক্রম

  • আপডেট টাইম :: রবিবার, ১৩ জানুয়ারী, ২০১৯, ৪.২৩ এএম
  • ৯৯ বার পড়া হয়েছে

হাওর ডেস্ক ::
রাষ্ট্রবিরোধী অপপ্রচার এবং গুজব রটিয়ে বিশৃঙ্খল পরিবেশ সৃষ্টি বন্ধে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর মনিটরিং বা নজরদারি অব্যাহত রয়েছে। একাদশ জাতীয় নির্বাচনের সময় এবং আগে ‘গুজব ও অপপ্রচার’ ঠেকাতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর এ তৎপরতা শুরু হয়। তবে নির্বাচন পরবর্তী সময়ে মনিটরিং সেলগুলোর কার্যক্রম আরও জোরদার করা হবে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। এমনকি মনিটরিং সেলগুলোকে আরও কার্যকরভাবে পরিচালনার জন্য প্রযুক্তিগত সব ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলেও জানা গেছে।
সংশ্লিষ্টরা জানান, জাতীয় নির্বাচন শেষ হয়ে গেলেও সরকার ও রাষ্ট্রবিরোধী অপপ্রচার চলছে। নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে বিভিন্নভাবে অপচেষ্টা চালানো হচ্ছে। বিশেষ করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিভিন্ন গুজব ও বিভান্তিকর খবর রটানো হচ্ছে। এসবের অভিযোগে সর্বশেষ গত ক’দিনে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে সাত জনকে গ্রেফতার করেছে। রাজধানীর উত্তরা, রাজশাহী, চট্টগ্রাম, মাদারীপুর, কুমিল্লা ও কিশোরগঞ্জের বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে র‌্যাব সদস্যরা এই সাত জনকে গ্রেফতার করে। গ্রেফতারদের বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহার করে রাষ্ট্র ও সরকার বিরোধী বানোয়াট-মিথ্যা তথ্য প্রচার, গুজব ছড়ানো, প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রিপরিষদ, নির্বাচন কমিশনার, সেনাবাহিনী প্রধান, পুলিশ মহাপরিদর্শক, ডিজি র‌্যাব ও ডিএমপি কমিশনারসহ গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তির ছবি বিকৃত করে প্রচারের অভিযোগ রয়েছে।
এছাড়া, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে গুজব ছড়ানোর অভিযোগে ২০১৮ সালে ৪৮ জনকে গ্রেফতার করে র‌্যাব। শুধুমাত্র ডিসেম্বরেই ২২ জনকে গ্রেফতার করা হয়।
র‌্যাবের জনসংযোগ বিভাগের পরিচালক কমান্ডার মুফতি মাহমুদ খান বলেন, ‘সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে মিথ্যা ও বানোয়াট তথ্য দিয়ে গুজব ছড়ানো একটি গুরুতর অপরাধ। এই অপরাধ নিয়ন্ত্রণে র‌্যাব সার্বক্ষণিকভাবে কাজ করছে। নির্বাচনের আগে যেভাবে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমকে মনিটরিং করা হয়েছে, ঠিক সেইভাবে ভবিষ্যতেও মনিটরিং করা হবে। শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষায় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে মনিটরিং আরও জোরদার করা হবে। এ বিষয়ে কোনও ছাড় নেই।’
একাদশ জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে পুলিশের পক্ষ থেকে দেশের প্রতিটি জেলা ও উপজেলায় মনিটরিং সেল গঠন করা হয়। এজন্য পুলিশ সদর দফতরে একটি সমন্বয় সেলও গঠন করা হয়। পুলিশ সদর দফতর সূত্র জানায়, নির্বাচনের আগে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোতে গুজব ঠেকাতে পুলিশ সদর দফতরের পক্ষ থেকে বেশ কিছু উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। পুলিশ সদর দফতরেই একটি সাইবার মনিটরিং সেল গঠন করা হয়। সারাদেশের পুলিশ সুপারদের এ বিষয়ে সতর্ক থাকতে ও সার্বক্ষণিক নজরদারি করতে বলে দেওয়া হয়। এছাড়াও স্থায়ীভাবে এ বিষয়ে পুলিশের নতুন একটি ইউনিট গঠনেরও প্রক্রিয়া চলছে। ইউনিটটি গঠনের প্রক্রিয়া প্রায় চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। যাতে কোনও অবস্থাতে কেউ গুজব ছড়িয়ে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটাতে না পারে।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে উষ্কানি ও অপপ্রচার চালানোর অভিযোগে নির্বাচনের আগে ও পরে কত জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে সেই তথ্য পুলিশ সদর দফতর থেকে পাওয়া যায়নি। তবে এ বিষয়ে জানতে চাইলে পুলিশ সদর দফতরের জনসংযোগ শাখার এআইজি মো. সোহেল রানা বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘গ্রেফতারের পরিসংখ্যানটা সাজানো নেই। তবে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে উষ্কানি, অপপ্রচার চালানোসহ বিভিন্ন অভিযোগে অনেককেই গ্রেফতার করা হয়েছে। মামলাও হয়েছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘জাতীয় নির্বাচনকে ঘিরে যেভাবে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলো মনিটরিং করা হয়েছে সেটি আরও জোরদার করা হবে। কারণ, অপপ্রচার ও গুজব রটানো অপরাধ। যেকোনও অপরাধ নিয়ন্ত্রণে পুলিশ সব সময় তৎপর থাকবে। শুধুমাত্র নির্বাচনই নয়, জঙ্গি কার্যক্রমসহ যেকোনও ইস্যুতে দুষ্কৃতিকারীরা গুজব রটিয়ে নাশকতা ছড়িয়ে দিতে পারে। সদর দফতর ছাড়াও সারাদেশে পুলিশের সবগুলো অপারেশনাল ইউনিটই এখন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম মনিটরিং করছে। অনলাইন কেন্দ্রিক জঙ্গি ও সন্ত্রাসী কার্যক্রম দমন এবং নির্বাচনকে কেন্দ্র করে গুজব প্রতিরোধে সাইবার জগতে মনিটরিং জোরদার করতে সারাদেশের পুলিশ কর্মকর্তাদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।’
তথ্য মন্ত্রণালয়ের গুজব প্রতিরোধ ও অবহিতকরণ সেলের একজন কর্মকর্তা বলেন, তথ্য মন্ত্রণালয় গুজব ছড়ানোর বিষয়গুলো নজরদারি করছে। ভবিষ্যতেও করবে। তবে গুজব প্রতিরোধে মূলত কাজ করছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীগুলো। এছাড়াও বিভিন্ন মন্ত্রণালয় সংশ্লিষ্ট হলে তারাও বিষয়টি গুজব প্রতিরোধ সেলকে অবহিত করে। যে গুজব রাষ্ট্রের শান্তি ও স্থিতিশীলতার জন্য ক্ষতিকর, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্ট করে, নাশকতা, সহিংসতা ও গণবিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা থাকে সেসব বিষয়গুলোকে গুরুত্ব দিয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে অবহিত করা হয়। তারা দ্রুত সেসবের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিয়ে থাকে।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ছাড়াও সাইবার জগতের সার্বিক দুর্বৃত্তায়ন ঠেকাতে এবার ‘সাইবার পুলিশ সেন্টার’ নামে একটি বিশেষায়িত ইউনিট গঠন করা হচ্ছে। ‘অ্যানহ্যান্সিং সাইবার ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন ক্যাপাবিলিটি অফ বাংলাদেশ পুলিশ’ প্রকল্পের আওতায় পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগে (সিআইডি) দক্ষিণ কোরিয়ার আর্থিক ও কারিগরি সহায়তায় স্থাপিত সর্বাধুনিক ডিজিটাল ফরেনসিক ল্যাব ও আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন সাইবার ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন সেন্টার কাজ করছে।

Print Friendly, PDF & Email

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর
themesbazarhaor24net
© All rights reserved © 2019-2024 haor24.net
Theme Download From ThemesBazar.Com
error: Content is protected !!